নিজস্ব প্রতিনিধি, কোচবিহার: কোচবিহারের সাগরদিঘির পাড়ে ছটপুজোর ঘাট তৈরি করা হয়েছিল। বাঁশ ও কাঠের পাটাতন দিয়ে তৈরি সেই কাঠামো সরিয়ে দেওয়া হল। প্রশাসনের এই ভূমিকায় রবিবার শহরে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়ায়। যাঁরা এখানে ছট পুজোয় ব্রতী হবেন বলে ঠিক করেছিলেন তাঁরা অনেকটাই হতাশ হয়েছেন। রাতের বেলা এই ধরনের ঘটনা কেন ঘটান হল তা নিয়েও প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। ক্ষুব্ধরা দুপুরে মহকুমা শাসকের বাংলোতে গিয়ে ক্ষোভ দেখান। পরে মহকুমা শাসকের সঙ্গে তাঁদের আলোচনা হয়। আজ, সোমবার কোচবিহারের মহকুমা শাসকের সঙ্গে এবিষয়ে ফের আলোচনা হবে বলে প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে।
প্রতি বছরই সাগরদিঘির ঘাটে ছটপুজোর আয়োজন করা হয়। উদ্যোক্তাদের দাবি, দীর্ঘদিন থেকে এই প্রথা চলে আসছে। বহু পূণ্যার্থী সেখানে ছটপুজোয় ব্রতী হন। তাঁদের দাবি, ছটপুজোর পরে ঘাট পরিষ্কার করে দেওয়া হয়। তার পরেও কেন এভাবে ঘাট থেকে কাঠামো সরিয়ে দেওয়া হল তা নিয়েও ক্ষোভ ছড়িয়েছে। কোচবিহারের মহকুমা শাসক কুণাল বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, সাগরদিঘিতে মানুষের সমস্ত রকম কার্যকলাপ নিষিদ্ধ। এটি হেরিটেজ সম্পত্তি। জীববৈচিত্র সংরক্ষণের জন্য যে কোনওরকম পুজো-অর্চনাই নিষিদ্ধ। ওখানে বাঁশ, কাঠ দিয়ে কাঠামো বানানো হয়েছিল। সেগুলি সরিয়ে দেওয়া দেওয়া হয়েছে। তাঁরা এদিন আমার বাংলোয় এসেছিলেন। সোমবার সাড়ে ১১টায় তাঁদের অফিসে আসতে বলা হয়েছে।