Bartaman Logo
২৭ মে, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

সাগরদিঘি: ছ’চাকা গাড়িতে করে গাঁজা পাচারের চেষ্টা

সাগরদিঘি: ছ’চাকা গাড়িতে করে গাঁজা পাচারের চেষ্টা
  • ২০ নভেম্বর, ২০২৪ ০০:০০
সংবাদদাতা, জঙ্গিপুর: ছয় চাকা গাড়িতে করে গাঁজা পাচারের চেষ্টা চলছিল। সোমবার সন্ধ্যায় সাগরদিঘির রতনপুরে ১২ নম্বর জাতীয় সড়কে নাকা তল্লাশি চালায় পুলিস। তল্লাশি চালিয়ে গাড়ি থেকে প্রায় দেড় কুইন্টাল গাঁজা বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। গাঁজা পাচারের অভিযোগে গাড়ির চালক মনোজ কুমার ও খালাসি আলিমুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিস। ধৃতদের মধ্যে প্রথম জনের বাড়ি উত্তরপ্রদেশের খেরি জেলার কোতোয়ালি সদর থানা এলাকায়। অপরজনের  বাড়ি কোচবিহার জেলার কোতোয়ালি থানা এলাকায়। উত্তরবঙ্গ থেকে বহরমপুরের অভিমুখে যাচ্ছিল গাড়িটি। একটি ফাঁকা গাড়িতে করে গাঁজাগুলো পাচারের চেষ্টা করছিল ধৃতরা। যদিও সেই প্রচেষ্টা ব্যর্থ করে দেয় পুলিস। সেগুলো সে ঠিক কোথা থেকে আমদানি করে কাকে হাতবদলের জন্য নিয়ে যাচ্ছিল তা জানতে ধৃতকে হেফাজতে নিয়ে জেরা করবে পুলিস। এদিনই ধৃতকে জঙ্গিপুর মহকুমা আদালতে তোলা হয়।
Advertisement
এ প্রসঙ্গে সাগরদিঘি থানার এক পুলিস আধিকারিক জানিয়েছেন, নাকা তল্লাশি চালিয়ে একটি পিকআপ ভ্যান থেকে প্রায় ১৪২ কিলো গাঁজা বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। চালক ও খালাসিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। জানা গিয়েছে, এদিন সন্ধ্যায় রতনমোড়ে নাকা তল্লাশি চালায় পুলিস। একটি ফাঁকা ছয় চাকা গাড়িকে আটক করে তল্লাশি চালায়। গাড়িতে কোনও মাল না থাকলেও একটি ত্রিপল দিয়ে গাঁজাগুলি ঢাকা দেওয়া ছিল। পুলিসের সন্দেহ হওয়ায় ত্রিপল সরাতেই চারটি নীল সাদা প্লাস্টিকের বস্তা উদ্ধার হয়। এরপর ড্রাইভারের কেবিন থেকে ও সিটের একেবারে তলা থেকে আরও কয়েকটি বস্তা উদ্ধার হয়। অন্তত মোট ১৩টি বস্তা বাজেয়াপ্ত করে পুলিস। বস্তায় গাঁজা ভরা ছিল। পুলিসের চোখে ধুলো দিতেই গাঁজার বস্তার উপরে ত্রিপল দিয়ে ঢেকে দেওয়া হয়। গাঁজাগুলো কোচবিহার থেকে কলকাতায় নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করেছিল ধৃত যুবকদের। দু’টি মোবাইল ও ভারতীয় হাজার টাকা সহ নেপালের প্রায় শতাধিক টাকা উদ্ধার হয়। ধৃতদের মঙ্গলবার বহরমপুর বিশেষ আদালতে তোলা হয়। বাজেয়াপ্ত হওয়া গাঁজার বাজার মূল্য প্রায় ৩০ লক্ষ টাকা।
সম্পর্কিত সংবাদ