সংবাদদাতা, বাগডোগরা: হাতি-মানুষ সংঘাত রোধের বার্তা নিয়ে শুরু হল হাতি-বন্ধু মেলা। হাতির হানায় প্রায়ই ফসল নষ্টের মতো ঘটনা ঘটে। তাই কৃষকদের সহজে ফসল বিক্রির ব্যবস্থা করা হয়েছে সেখানে। বাগডোগরা বন বিভাগের অফিসে তিন এই মেলা চলবে। এবছর ফসল কম নষ্ট হওয়ায় মুখ্যমন্ত্রীর কাছে নুনিয়া চাল পাঠাচ্ছেন কৃষকরা। পাশাপাশি, ফসল রক্ষায় এবং হাতির হানা রোধে বনবিভাগ কী কী পদক্ষেপ করেছে, সেগুলি সাধারণ মানুষের সামনে তুলে ধরা হচ্ছে।
Advertisement
কেষ্টপুর থেকে সব্জির স্টল, ডহরা ভিলেজের মাছের স্টল সেখানে বসেছে। পাহাড়ের ফসল নিয়ে হাজির অরুণ প্রধান। চেঙ্গাবস্তি থেকে মধু নিয়ে এসেছেন বিষ্ণু তামাং। কৃষকরা যাতে সরাসরি ফসল বিক্রি করে সঠিক মূল্য পান, সেই উদ্যেশ্যে মেলার আয়োজন বলে বাগডোগরা বন বিভাগের রেঞ্জার সোনম ভুটিয়া জানান। তিনি বলেন, এবছর হাতির কারণে কৃষকদের ফসল কম নষ্ট হয়েছে। এতে খুশি হয়ে কৃষকরা বনদপ্তরের মারফত মুখ্যমন্ত্রীর কাছে নুনিয়া চাল পাঠাবেন।
হাতি-মানুষ সংঘাত রুখতে সেখানে সচেতনতামূলক স্টল রেখেছে বনবিভাগ। বন বিভাগ যেভাবে হাতি বা বন্য জন্তুদের মোকাবেলা করে, সেই সামগ্রীও স্টলে রাখা হয়েছে। এছাড়াও মাঠে ঘাটে সাপ নিয়ে চাষিরা আতঙ্কে থাকেন। তাদের সচেতন করতে এবং সাপ চেনাতে শাখামুঠি, কেউটে, ঘরচিতি সাপ রাখা হয়েছে। এই সাপের থেকে কীভাবে সচেতন হওয়া যায় তা বোঝাতেই এই প্রদর্শনী বলে জানান বনবিভাগের স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার কর্মী শ্রেষ্ঠা তালুকদার। এদিন মেলায় ধান বিক্রি করতে আসা সুরেন সিংহ নামে এক কৃষক জানান, এতদিন বাইরে ধান বিক্রি করেছি। এই মেলায় সোজাসুজি ধান বিক্রি করায় বেশি মূল্য পেয়েছি।
হাতি-মানুষ সংঘাত রুখতে সেখানে সচেতনতামূলক স্টল রেখেছে বনবিভাগ। বন বিভাগ যেভাবে হাতি বা বন্য জন্তুদের মোকাবেলা করে, সেই সামগ্রীও স্টলে রাখা হয়েছে। এছাড়াও মাঠে ঘাটে সাপ নিয়ে চাষিরা আতঙ্কে থাকেন। তাদের সচেতন করতে এবং সাপ চেনাতে শাখামুঠি, কেউটে, ঘরচিতি সাপ রাখা হয়েছে। এই সাপের থেকে কীভাবে সচেতন হওয়া যায় তা বোঝাতেই এই প্রদর্শনী বলে জানান বনবিভাগের স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার কর্মী শ্রেষ্ঠা তালুকদার। এদিন মেলায় ধান বিক্রি করতে আসা সুরেন সিংহ নামে এক কৃষক জানান, এতদিন বাইরে ধান বিক্রি করেছি। এই মেলায় সোজাসুজি ধান বিক্রি করায় বেশি মূল্য পেয়েছি।



