নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: প্রাক্তন তথ্য ও সংস্কৃতি মন্ত্রী ইন্দ্রনীল সেনের বাড়ি থেকে বাজেয়াপ্ত করা হল আরো ১৩টি নথি। মন্ত্রীর বাড়ির ও বাগানবাড়ির জমির দলিল সহ বিভিন্ন নির্মাণের নথি বাজেয়াপ্ত করেছে লালবাজারের গোয়েন্দা বিভাগের স্পেশাল ইনভেস্টিগেশন টিম (সিট)। শনিবার মন্ত্রীকে ফের আদালতে পেশ করা হয়। সেখানে এই তথ্যই এজলাসে জানিয়েছেন সরকারি আইনজীবী। তাঁর দাবি, ১৩টি নথি যাচাই করে মন্ত্রীর আয়ের উৎস জানার চেষ্টা করছেন তদন্তকারীরা। পুজোর পাস দুর্নীতির টাকা সেই সব সম্পত্তি কেনার জন্য ব্যবহার করা হয়েছিল কি না, তা খতিয়ে দেখছে সিট। সরকারি আইনজীবীর দাবি, অভিযুক্তর দু’টি ব্যাংক অ্যাকাউন্টে মোট ২৭ লক্ষ টাকা রয়েছে। এছাড়াও আরও ২৭টি অ্যাকাউন্ট মিলিয়ে মোট ১০ কোটি টাকার বেশি ফ্রিজ করা হয়েছে। এজলাসের সরকারি আইনজীবী বলেন, ‘তদন্ত গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়ে আছে। তাই আমরা পুলিশি হেপাজতের মেয়াদ নষ্ট না করে আপাতত জেল কাস্টডি চাইছি।’ পালটা ইন্দ্রনীল সেনের আইনজীবী আরজি ছিল, ‘কেন জেল হেপাজতে চাওয়া হচ্ছে, তা স্পষ্ট নয়। জেলে প্রথম শ্রেণির বন্দির মর্যাদা দেওয়ার আবেদন জানাচ্ছি।’ দু’পক্ষের সওয়াল জবাব শেষে বিচারক প্রাক্তন মন্ত্রীকে ২১ নভেম্বর পর্যন্ত জেল হেপাজতের নির্দেশ দেন। একইসঙ্গে, প্রথম শ্রেণির বন্দির আবেদনও মঞ্জুর করা হয়েছে। অন্যদিকে, তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তরের কয়েকজন মহিলা কর্মী চাঞ্চল্যকর অভিযোগ তুলে রাজ্য পুলিশের ডিজি এবং হিউম্যান রাইটস কমিশনের কাছে চিঠি পাঠিয়েছেন। তাঁদের অভিযোগ, কর্মক্ষেত্রে তাঁরা প্রাক্তন মন্ত্রী ইন্দ্রনীল সেন ও ব্রাত্য বসু সহ দপ্তরের বহু আধিকারিকের যৌন হেনস্তার শিকার হয়েছেন।



