Bartaman Logo
২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

শান্তিপুরের ২ নম্বর ওয়ার্ডের একাধিক রাস্তার অবস্থা করুণ

নিকাশি ব্যবস্থার চরম দুর্দশা ও বছরের পর বছর রাস্তা সংস্কার না হওয়ার খেসারত দিতে হচ্ছে মানুষকে।

শান্তিপুরের ২ নম্বর ওয়ার্ডের একাধিক রাস্তার অবস্থা করুণ
  • ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, রানাঘাট: নিকাশি ব্যবস্থার চরম দুর্দশা ও বছরের পর বছর রাস্তা সংস্কার না হওয়ার খেসারত দিতে হচ্ছে  মানুষকে। সামান্য বৃষ্টিতেই খানাখন্দে ভরা রাস্তা ডুবছে জলে। আর সেই কাদা-জল পেরিয়ে চলাফেরা করাই এখন যেন দুঃস্বপ্ন। শান্তিপুর পুরসভার দু’নম্বর ওয়ার্ডের বেনেপাড়া ও ওস্তাগার পাড়া থেকে শুরু করে ভদ্রকালী মোড় পর্যন্ত একাধিক প্রধান রাস্তার অবস্থা দীর্ঘদিন ধরেই শোচনীয় যে স্থানীয়রা ক্ষোভে ফেটে পড়ছেন। তাঁদের দাবি, এটা আর রাস্তা নেই যেন মাছ চাষ করার পুকুর তৈরি হয়েছে।

Advertisement

বর্ষা আসতেই ওয়ার্ডের একাধিক রাস্তায় যাতায়াত ব্যবস্থা সম্পূর্ণ বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। কাদা ও জমে থাকা জলের তলায় রাস্তার বড় বড় গর্ত বোঝা না যাবার কারণে প্রায়দিনই ঘটে দুর্ঘটনা। হেঁটে যাতায়াত করা তো দূরের কথা, মোটরবাইক, সাইকেল কিনবা টোটো নিয়ে যেতে গেলে উল্টে পড়ে যাওয়ার উপক্রম হয়। এবং এর আগেও দু-একবার মোটরবাইক ও টোটো নিয়ে উল্টে পড়েগেছেন অনেকেই। সবচেয়ে বিপাকে পড়েছেন খুদে পড়ুয়া ও তাদের অভিভাবকেরা। বাড়ির কাছে স্কুল থাকা সত্ত্বেও বাচ্চাদের হেঁটে স্কুলে পাঠানোর মত কোন পরিস্থিতি নেই। বাধ্য হয়ে অভিভাবকদের নিজেদের সাইকেল বা অন্য যানবাহনে ঝুঁকিপূর্ণভাবেই বাচ্চাদের স্কুলে পৌঁছে দিয়ে আসতে হচ্ছে। স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, কোন প্রসূতিকে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যেতে হলে এই রাস্তা ব্যবহার করা অসম্ভব হয়ে পড়েছে। এমনকি রাতে কোনো মুমূর্ষু রোগীকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার প্রয়োজন হলেও এই রাস্তার কারণে পৌঁছাতে দেরি হয়ে প্রাণহানির আশঙ্কাও থাকে। 
স্থানীয় এক যুবক পার্থ প্রতিম দাস বলেন, গত দেড় বছর ধরে প্রাক্তন কাউন্সিলারকে নিকাশি এবং রাস্তার এই কঙ্কালসার অবস্থা নিয়ে একাধিকবার জানানো হয়েছিল। কিন্তু সময়সীমা পেরিয়ে গেলেও আজ পর্যন্ত এক কোদাল মাটিও পড়েনি।
বর্তমানে শান্তিপুর পুরসভায় বোর্ড ভেঙে যাওয়ায় প্রশাসক নিযুক্ত রয়েছে। প্রশাসনিক এই পরিবর্তনের মুখে দাঁড়িয়ে অবিলম্বে এই ভোগান্তির থেকে মুক্তি পেতে চান শান্তিপুর পুরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের সমস্ত মানুষ। এই বিষয়ে দু’নম্বর ওয়ার্ডের প্রাক্তন তৃণমূল কাউন্সিলার পুষ্প দাসকে একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি ফোন তোলেননি।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ