নিজস্ব প্রতিনিধি, বিধাননগর: বর্ষার মরশুম। ঘনঘন বৃষ্টি। একাধিক রাস্তায় খানা-খন্দ ছিলই। বৃষ্টির জেরে সেই গর্ত আরও বড় হয়েছে। কোথাও কোথাও রাস্তা ভেঙে চুরে একাকার। বড় বড় গর্তে জল জমে পুকুরের আকার নিয়েছে কোথাও কোথাও। কোনো প্রত্যন্ত গ্রামের ঘটনা নয়। খোদ স্মার্টসিটি নিউটাউনের ব্লকের ভিতর বহু রাস্তারই এমন বেহাল দশা। সাধারণ মানুষের অভিযোগ, সঠিক সময়ে মেরামত না হওয়ায় রাস্তার হাল আরও খারাপ হয়ে গিয়েছে। শুধু ব্লকের ভিতরের রাস্তাই নয়, বিশ্ববাংলা সরণির ধারের একাধিক জায়গায় সার্ভিস রোডেরও বেহাল অবস্থা।
নিউটাউন শহরের অ্যাকশন এরিয়া-১, অ্যাকশন এরিয়া-২ এবং অ্যাকশন এরিয়া-৩’এর অধীনে অসংখ্য ব্লক রয়েছে। প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ ওই ব্লকের ভিতরের রাস্তা দিয়ে চলাচল করেন। গাড়ি, বাইক ছাড়াও সাইকেল করেও অনেকে নিউটাউনে ভ্রমণ করেন। তার জন্য ই-সাইকেলও ভাড়া পাওয়া যায়। স্থানীয়দের কথায়, বর্ষার আগেই বহু জায়গায় ছোট ছোট গর্ত তৈরি হয়েছিল। সেই সময় প্রশাসনকে বিষয়টি জানানো হয়েছিল। কিন্ত, ভোট হওয়ায় সেই সময় সংস্কারে হাত পড়েনি। ভোট মেটার পরও সংস্কার হয়নি। আগে মেরামত করা হলে, এতটা ক্ষয়ক্ষতি হত না।
নিউটাউনের ১৮ তলা মার্কেট সংলগ্ন চিত্তরঞ্জন ন্যাশনাল ক্যান্সার ইনস্টিটিউটের পাশের (সিএনসিআই) রাস্তার হাল খুবই খারাপ। বড় বড় গর্ত হয়ে গিয়েছে। বৃষ্টির জল জমে সেখানে বড় পুকুরে পরিণত হয়েছে। যাত্রাগাছি ফ্লাইওভারের কিছুটা সামনে গিয়েছে স্ট্রিট নম্বর-৩৩৩। ওই রাস্তা ধরে কিছুটা এগলেই রাস্তার অবস্থা খারাপ। ইকোপার্কের আগে সার্ভিস রোডের বহু জায়গায় বড় বড় গর্ত হয়ে গিয়েছে। অশোক সাহা নামে এক আবাসিক বলেন, বহু রাস্তা বর্ষার আগে থেকেই খানা-খন্দ হয়েছিল। আমরা ভেবেছিলাম, বর্ষার আগে সংস্কার হবে। কিন্তু, তা হয়নি। ফলে, গর্তের সঙ্গে এখন জমা কাদাজলে দুর্ভোগ বাড়ছে। অসতর্ক হলেই বিপদ। যে কোনও মুহূর্তে ঘটতে পারে দুর্ঘটনা। অবিলম্বে ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, শীঘ্রই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। নিজস্ব চিত্র