Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

জলমগ্ন বালি-জগাছা ব্লকের একাধিক পঞ্চায়েত, জেলা প্রশাসনের ত্রাণ বিলি

টানা বৃষ্টির জেরে বিপর্যস্ত হাওড়ার বহু ব্লক। এখনও জলমগ্ন বালি-জগাছা ব্লকের বিস্তীর্ণ এলাকা।

জলমগ্ন বালি-জগাছা ব্লকের একাধিক পঞ্চায়েত, জেলা প্রশাসনের ত্রাণ বিলি
  • ৮ আগস্ট, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, হাওড়া: টানা বৃষ্টির জেরে বিপর্যস্ত হাওড়ার বহু ব্লক। এখনও জলমগ্ন বালি-জগাছা ব্লকের বিস্তীর্ণ এলাকা। জলবন্দি বাসিন্দাদের কাছে খাদ্য ও ত্রাণ সামগ্রী পৌঁছে দেওয়ার কাজ শুরু করেছে জেলা প্রশাসন। স্বাস্থ্যদপ্তর প্রতিটি পঞ্চায়েত এলাকায় আয়োজন করছে স্পেশাল মেডিক্যাল ক্যাম্প। প্রসূতিদের জন্য হাসপাতালগুলিতে প্রস্তুত রাখা হচ্ছে আপৎকালীন বেড।

Advertisement

বালি-জগাছা ব্লকে মোট আটটি পঞ্চায়েত রয়েছে। সেগুলি হল, জগদীশপুর, দুর্গাপুর অভয়নগর এক এবং দুই নম্বর, চামরাইল, চকপাড়া, আনন্দনগর, নিশ্চিন্দা ও বালি। একটানা বৃষ্টির কারণে বেশিরভাগ পঞ্চায়েতই জলের তলায় ডুবে। বেশ কিছু জায়গায় বাড়ি থেকে বের হওয়া অসম্ভব হয়ে দাঁড়িয়েছে বাসিন্দাদের কাছে। রান্নাবান্না পর্যন্ত বন্ধ। পানীয় জলের অভাব। এদিকে জলমগ্ন পরিস্থিতির কারণে বাড়ছে জ্বরের প্রকোপ। ইতিমধ্যেই প্রতিটি পঞ্চায়েত এলাকায় বাড়ি বাড়ি গিয়ে ওষুধ, ত্রাণ পৌঁছনোর কাজ শুরু করেছে ব্লক প্রশাসন। দুর্গাপুর অভয়নগর দুই নম্বর ও সিসিআর ঝিল এলাকায় যন্ত্রের সাহায্যে পানীয় জলের পাউচ তৈরি করছে পিএইচই। প্রতিটি পঞ্চায়েতে একটি করে স্পেশাল মেডিক্যাল ক্যাম্পের আয়োজন হয়েছে। অসুস্থদের এবং জলবন্দি পরিস্থিতিতে প্রসূতিদের হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার জন্য দ্রুত পদক্ষেপ নিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে আশা কর্মীদের। কোনা হাসপাতাল সহ প্রতিটি হাসপাতালেই প্রসূতিদের জন্য এমার্জেন্সি বেড রাখা থাকছে বলে জানিয়েছে জেলার স্বাস্থ্য বিভাগ।
ব্লক স্বাস্থ্য আধিকারিক ডাঃ রফিকুল হক বলেন, ‘জ্বর, ডায়রিয়া ও চর্মরোগের প্রাদুর্ভাব বাড়ছে কি না মূলত তার দিকে নজর রাখা হচ্ছে। এখনও পর্যন্ত পরিস্থিতি উদ্বেগজনক নয়। অনেকেই মেডিকেল ক্যাম্পগুলিতে গিয়ে শারীরিক পরীক্ষা করিয়ে আসছেন।’ এদিন সাঁপুইপাড়া ও চকপাড়া এলাকা পরিদর্শনে যান জেলাশাসক পি দীপাপ্রিয়া। কয়েকটি খালের পরিস্থিতি খতিয়ে দেখেন। শ্যাওড়াপোতা, বাইগাছি, সাহেবের খাল ইত্যাদি এবং এক থেকে পাঁচ নম্বর ব্রাঞ্চ চ্যানেলের মাধ্যমে গোটা বালি-জগাছা ব্লকের জমা জল নাজিরগঞ্জ হয়ে গঙ্গায় গিয়ে পড়ে। হাওড়া জেলা পরিষদের পূর্ত কর্মাধ্যক্ষ তাপস মাইতি বলেন, ‘ব্লকের বেশিরভাগ খাল এ বছর সংস্কার হয়েছিল। বৃষ্টির কারণেই এমন পরিস্থিতি হয়েছে। প্রশাসন বাসিন্দাদের পাশে আছে।’

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ