বেঙ্গালুরু: মন্ত্রিসভার সম্প্রসারণের পর থেকেই নতুন করে গোষ্ঠীকোন্দল শুরু হয়েছে কর্ণাটক কংগ্রেসে। মন্ত্রী হতে না পেরে অনেকেই দলীয় পদ এবং বিভিন্ন সরকারি বোর্ডের দায়িত্ব থেকে ইস্তফার হুমকি দিয়েছেন। এই অবস্থায় মঙ্গলবার কড়া বার্তা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী ডি কে শিবকুমার। তাঁর কথায়, ‘কেউ ইস্তফা দিলে, কয়েক মিনিটের মধ্যেই তা গ্রহণ করব।’ বিক্ষুব্ধদের সঙ্গে ব্যক্তিগতভাবে কথা বলবেন বলেও জানান তিনি। যদিও গোষ্ঠীকোন্দলকে বিশেষ গুরুত্ব দিতে নারাজ মুখ্যমন্ত্রী। বরং রাজ্যের খরা মোকাবিলাকেই অগ্রাধিকার দিতে চান তিনি। তাঁর কথায়, ‘সময় নষ্ট না করে এখনই খরা কবলিত এলাকায় মন্ত্রীদের যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছি। এলাকায় গিয়ে খরা মোকাবিলা নিয়ে আধিকারিকদের সঙ্গে আলোচনার পর ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে মন্ত্রীদের। এই কাজে সকলকে যুক্ত হতে হবে।’
দু’মাস আগে সিদ্ধারামাইয়াকে সরিয়ে মুখ্যমন্ত্রী হন ডি কে শিবকুমার। সোমবার আরও ২০ জন বিধায়ক মন্ত্রী পদে শপথ নেন। এরপরই বহু বিধায়ক মন্ত্রী না হতে পেরে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তাঁদের ধৈর্য ধরার পরামর্শ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। অতীতে মন্ত্রিসভায় স্থান না পেলেও ইস্তফা না দিয়ে তিনি কংগ্রেসে থেকে গিয়েছিলেন বলে জানিয়েছেন শিবকুমার। তিনি বলেন, ‘ইস্তফা দেওয়াটা কোনো বড়ো কথা নয়। মুখ্যমন্ত্রী ধর্ম সিংয়ের সময় আমি পদত্যাগ করতে পারতাম। সিদ্ধারামাইয়ার সময় আমাকে যখন কোণঠাসা করা হয়েছিল, আমি ইস্তফা দিতে পারতাম। আমি কি ধৈর্য ধরিনি?’
শুধু নিজের কথা নয়, অতীতে রাজ্যের বহু কংগ্রেস নেতার উদাহরণ তুলে ধরেছেন তিনি। মুখ্যমন্ত্রীর কথায়, ‘বীরেন্দ্র পাতিলের সময় মন্ত্রিসভায় স্থান পাননি বঙ্গারাপ্পা, ধর্ম সিংয়ের মতো নেতা। পরবর্তী সময়ে এঁরা কি মুখ্যমন্ত্রী হননি? এসব ক্ষেত্রে সকলকে ধৈর্য ধরতে হবে।’ তবে প্রবীণ নেতাদের মান ভাঙাতে মন্ত্রীরা সক্রিয় হবেন বলে জানিয়েছেন শিবকুমার।