নিজস্ব প্রতিনিধি, তমলুক: খেজুরি-২ব্লকের হলুদবাড়ি পঞ্চায়েতের মুণ্ডুমারী বাজারে একটি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কের সিএসপি-র মাধ্যমে বিপুল আর্থিক প্রতারণার অভিযোগ উঠেছে। এর ফলে ১৯টি স্বনির্ভর গোষ্ঠী বন্ধের মুখে। এছাড়াও সেভিংস অ্যাকাউন্ট থাকা প্রায় ৪০জন প্রতারিত হয়েছেন। রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কের সিএসপি-র মাধ্যমে আর্থিক প্রতারণার পরিমাণ প্রায় ১কোটি টাকারও বেশি হতে পারে। সিএসপির অভিযুক্ত কর্ণধার শঙ্কর মণ্ডলের বিরুদ্ধে থানায় এফআইআর হলেও গ্রেপ্তার হয়নি। প্রতারিতদের অভিযোগ, এলাকায় ঘুরলেও তাকে ধরা হচ্ছে না। অগত্যা প্রতারিতরা জেলাশাসক ও পুলিস সুপারের দ্বারস্থ হয়েছেন। সোমবার খেজুরি থেকে স্বনির্ভর গোষ্ঠীর নেত্রী দীপুরানি পাত্র, প্রতারিত সঞ্জিত মান্না প্রমুখ আর্থিক প্রতারণায় সুরাহার দাবিতে ডিএম ও এসপি অফিসে হাজির হন।
Advertisement
খেজুরি থানার ওসি প্রলয়কুমার চন্দ্র বলেন, অভিযুক্ত সিএসপি কর্ণধার বেপাত্তা। আমরা তার লোকেশন খুঁজে পাচ্ছি না।
খেজুরি-২ব্লকের বিদ্যাপীঠে ওই রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কে হলুদবাড়ি এবং জনকা গ্রাম পঞ্চায়েতের অধিকাংশ বাসিন্দার সেভিংস অ্যাকাউন্ট রয়েছে। ওই এলাকার একচেটিয়া স্বনির্ভর গোষ্ঠীর অ্যাকাউন্টও ওই ব্যাঙ্কে রয়েছে। হলুদবাড়ি পঞ্চায়েতের মুণ্ডমারী বাজারে ওই ব্যাঙ্কের একটি সিএসপি ছিল। তাতে দু’টি গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার এসএইচজির এবং সাধারণ গ্রাহকরা সেখানে লেনদেন করতেন। স্বনির্ভর গোষ্ঠী এবং সাধারণ গ্রাহকরা সিএসপিতে গিয়ে টাকা জমা করার সময় প্রিন্টার খারাপের অজুহাত দেখিয়ে অভিযুক্ত জমা টাকার পরিমাণ পাসবইয়ে হাতে লিখে দিত।
খেজুরি-২ব্লকের গোরাহার জালপাই গ্রামের রতন দাস ২০২১সালে ২১জুলাই পথ দুর্ঘটনায় মারা যান। তাঁর বিধবা স্ত্রী শ্রুতি দাস কৃষকবন্ধু প্রকল্পে এককালীন ২লক্ষ টাকা, শ্রমদপ্তর থেকে দু’লক্ষ টাকা এবং ন্যাশনাল ফ্যামিলি বেনিফিট স্কিমে ৪০হাজার টাকা পেয়েছিলেন। জন্ম থেকে প্রতিবন্ধী শ্রুতিদেবীর স্বামী মারা যাওয়ার পর ক্ষতিপূরণ বাবদ সমস্ত অর্থ খোয়া গিয়েছে।
ওই গ্রামের প্রতিবন্ধী প্রদ্যোৎ মণ্ডল ১লক্ষ ৪১০টাকা খুইয়েছেন। ওই এলাকার মা সরস্বতী স্বনির্ভর গোষ্ঠী ৩লক্ষ ৯৫হাজার টাকা আর্থিক প্রতারণার শিকার। পূর্ব পনিখা মাতঙ্গিনী স্বসহায়ক দলের তিন লক্ষ টাকা প্রতারণার পর সব ধরনের কাজকর্ম বন্ধ। মাদার ইন্ডিয়া, মা মাটি মানুষ সহ মোট ২০টি গোষ্ঠী আর্থিক প্রতারণার শিকার। গত জুলাই মাসে ওই সিএসপি কর্ণধারের বিরুদ্ধে খেজুরি থানায় এফআইআর হয়। এনিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর অফিসেও অভিযোগ পাঠানো হয়েছে। সরাসরি জেলাশাসক অফিসে গ্রিভান্স সেলে লিখিত অভিযোগ জানানোর পর এসপিকে চিঠি দিয়ে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানানো হয়। তারপরও অভিযুক্ত বহাল তবিয়তে ঘুরছে বলে প্রতারিতদের অভিযোগ। সোমবার পূর্ব পনিখ্যা মাতঙ্গিনী স্বসহায়ক দলের নেত্রী দীপুরানিদেবী ডিএম অফিসে এসেছিলেন। কান্নায় ভেঙে পড়ে তিনি বলেন, তিন লক্ষ টাকা প্রতারণা হয়েছে। তারপর গোষ্ঠীর সবধরনের কাজ বন্ধ।
স্থানীয় বাসিন্দা সঞ্জিত পাত্র সোমবার ডিএম অফিসে এসেছিলেন। সঞ্জিতবাবু বলেন, প্রায় ২০টি স্বনির্ভর গোষ্ঠী এবং আরও প্রায় ৪০জন গ্রাহক প্রতারিত হয়েছেন। প্রতারণার অঙ্ক ১কোটি ১০লক্ষ টাকা। আমরা এনিয়ে কাঁথি মহকুমা প্রশাসন, জেলা প্রশাসন সহ বিভিন্ন জায়গায় দৌড়ঝাঁপ করছি। থানায় আমার সঙ্গে দুর্ব্যবহার করা হয়েছে। অভিযুক্তকে পুলিস গ্রেপ্তার করছে না। অথচ, রাত বিরেতে তাকে এলাকায় দেখা যাচ্ছে। এতবড় প্রতারণায় একগুচ্ছ স্বনির্ভর গোষ্ঠী বন্ধের মুখে। সাধারণ গ্রাহকেরাও আর্থিক সঙ্কটের মুখে। অথচ, নির্বিকার পুলিস প্রশাসন।
খেজুরি-২ব্লকের বিদ্যাপীঠে ওই রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কে হলুদবাড়ি এবং জনকা গ্রাম পঞ্চায়েতের অধিকাংশ বাসিন্দার সেভিংস অ্যাকাউন্ট রয়েছে। ওই এলাকার একচেটিয়া স্বনির্ভর গোষ্ঠীর অ্যাকাউন্টও ওই ব্যাঙ্কে রয়েছে। হলুদবাড়ি পঞ্চায়েতের মুণ্ডমারী বাজারে ওই ব্যাঙ্কের একটি সিএসপি ছিল। তাতে দু’টি গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার এসএইচজির এবং সাধারণ গ্রাহকরা সেখানে লেনদেন করতেন। স্বনির্ভর গোষ্ঠী এবং সাধারণ গ্রাহকরা সিএসপিতে গিয়ে টাকা জমা করার সময় প্রিন্টার খারাপের অজুহাত দেখিয়ে অভিযুক্ত জমা টাকার পরিমাণ পাসবইয়ে হাতে লিখে দিত।
খেজুরি-২ব্লকের গোরাহার জালপাই গ্রামের রতন দাস ২০২১সালে ২১জুলাই পথ দুর্ঘটনায় মারা যান। তাঁর বিধবা স্ত্রী শ্রুতি দাস কৃষকবন্ধু প্রকল্পে এককালীন ২লক্ষ টাকা, শ্রমদপ্তর থেকে দু’লক্ষ টাকা এবং ন্যাশনাল ফ্যামিলি বেনিফিট স্কিমে ৪০হাজার টাকা পেয়েছিলেন। জন্ম থেকে প্রতিবন্ধী শ্রুতিদেবীর স্বামী মারা যাওয়ার পর ক্ষতিপূরণ বাবদ সমস্ত অর্থ খোয়া গিয়েছে।
ওই গ্রামের প্রতিবন্ধী প্রদ্যোৎ মণ্ডল ১লক্ষ ৪১০টাকা খুইয়েছেন। ওই এলাকার মা সরস্বতী স্বনির্ভর গোষ্ঠী ৩লক্ষ ৯৫হাজার টাকা আর্থিক প্রতারণার শিকার। পূর্ব পনিখা মাতঙ্গিনী স্বসহায়ক দলের তিন লক্ষ টাকা প্রতারণার পর সব ধরনের কাজকর্ম বন্ধ। মাদার ইন্ডিয়া, মা মাটি মানুষ সহ মোট ২০টি গোষ্ঠী আর্থিক প্রতারণার শিকার। গত জুলাই মাসে ওই সিএসপি কর্ণধারের বিরুদ্ধে খেজুরি থানায় এফআইআর হয়। এনিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর অফিসেও অভিযোগ পাঠানো হয়েছে। সরাসরি জেলাশাসক অফিসে গ্রিভান্স সেলে লিখিত অভিযোগ জানানোর পর এসপিকে চিঠি দিয়ে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানানো হয়। তারপরও অভিযুক্ত বহাল তবিয়তে ঘুরছে বলে প্রতারিতদের অভিযোগ। সোমবার পূর্ব পনিখ্যা মাতঙ্গিনী স্বসহায়ক দলের নেত্রী দীপুরানিদেবী ডিএম অফিসে এসেছিলেন। কান্নায় ভেঙে পড়ে তিনি বলেন, তিন লক্ষ টাকা প্রতারণা হয়েছে। তারপর গোষ্ঠীর সবধরনের কাজ বন্ধ।
স্থানীয় বাসিন্দা সঞ্জিত পাত্র সোমবার ডিএম অফিসে এসেছিলেন। সঞ্জিতবাবু বলেন, প্রায় ২০টি স্বনির্ভর গোষ্ঠী এবং আরও প্রায় ৪০জন গ্রাহক প্রতারিত হয়েছেন। প্রতারণার অঙ্ক ১কোটি ১০লক্ষ টাকা। আমরা এনিয়ে কাঁথি মহকুমা প্রশাসন, জেলা প্রশাসন সহ বিভিন্ন জায়গায় দৌড়ঝাঁপ করছি। থানায় আমার সঙ্গে দুর্ব্যবহার করা হয়েছে। অভিযুক্তকে পুলিস গ্রেপ্তার করছে না। অথচ, রাত বিরেতে তাকে এলাকায় দেখা যাচ্ছে। এতবড় প্রতারণায় একগুচ্ছ স্বনির্ভর গোষ্ঠী বন্ধের মুখে। সাধারণ গ্রাহকেরাও আর্থিক সঙ্কটের মুখে। অথচ, নির্বিকার পুলিস প্রশাসন।



