নিজস্ব প্রতিনিধি, চুঁচুড়া: শ্রীরামপুরের বি পি দে স্ট্রিটের সোনার দোকানে কেপমারির ঘটনায় এক যুবককে গ্রেপ্তার করল পুলিস। মঙ্গলবার ভোররাতে বিশেষ অভিযান চালিয়ে ভদ্রেশ্বর থানার অ্যাঙ্গাস এলাকা থেকে ওই যুবককে পাকড়াও করেছে পুলিস। ধৃতের কাছ থেকে অবশ্য কেপমারি হওয়া সোনার গয়না উদ্ধার করা যায়নি। সে ওই সোনা গলিয়ে পাত তৈরি করেছিল। সেই সোনার পাত পুলিস বাজেয়াপ্ত করেছে। জানা গিয়েছে, ধৃতের নাম সাগর প্রসাদ। ওই যুবক অ্যাঙ্গাসের নতুন গ্রামে বাড়ি ভাড়া নিয়ে থাকত। ভোররাতে সে যখন ওই বাড়িতে ঘুমোচ্ছিল, সেই সময় হানা দেয় পুলিস। ঘুম চোখে পুলিস দেখে সাগর খানিক অবাক হয়েছিল। পরে জেরার মুখে সে যাবতীয় অপরাধ কবুল করে। তবে এই ঘটনা নিয়ে পুলিস কর্তারা এদিন কেউ মন্তব্য করতে চাননি।
তবে তদন্ত ও জেরার মুখে সেদিনের ঘটনার বিস্তৃত তথ্য পেয়েছে পুলিস। জানা গিয়েছে, সোনার দোকান থেকে একটি দামি সোনার হার কেপমারি করার পর সাগর দ্রুত স্টেশনে এসে ট্রেন ধরে বৈদ্যবাটিতে নামে। সেখান থেকে টোটোয় করে অ্যাঙ্গাসে যায়। তারপর হেঁটেই বাড়িতে পৌঁছয়। শ্রীরামপুরের আগে ডানকুনিতে সোনার দোকানে লুটের ঘটনা ঘটেছিল। সপ্তাহ পেরিয়েও গেলেও ওই ঘটনায় পুলিস এখনও কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি।
প্রসঙ্গত, গত ৮ আগস্ট রাতে শ্রীরামপুরে সোনার দোকানে কেপমারি হয়। এক যুবক জন্মদিনের উপহার কেনার নাম করে ক্রেতা সেজে দোকানে ঢুকে সোনার হার ছিনিয়ে নিয়ে চম্পট দেয়। তার আগে ওইদিন সকালে সে দোকানের আশপাশের এলাকায় রেকি করে গিয়েছিল। কাজ হাসিল করেছিল রাতে। ঘটনার সময় এই কেপমার মোবাইলের আলো জ্বেলে হলমার্ক দেখার অভিনয় করেছিল। তাতে বৃদ্ধ দোকানি কিছুটা অন্যমনস্ক হয়ে যান। সেই সুযোগেই সোনার হার নিয়ে চম্পট দেয় অভিযুক্ত।