সুমন তেওয়ারি, আসানসোল: শহরের পরিবহণ ব্যবস্থা উন্নত করতে এবার এগিয়ে এল আসানসোল পুরসভা। এসবিএসটিসির মাধ্যমে শহরে টাউন সার্ভিস বাস পরিষেবা চালু করতে চলেছে পুরসভা কর্তৃপক্ষ। প্রাথমিকভাবে দশটি বাস চালানোর পরিকল্পনা রয়েছে। রাতে বাস পরিষেবা চালু করার জন্য বাসিন্দাদের দীর্ঘদিনের দাবি রয়েছে। সেই দাবি মাথায় রেখেই রাতেও এই বাসগুলি চালানো হবে বলে জানিয়েছেন মেয়র বিধান উপাধ্যায়। দশটি বাস কেনার জন্য পুরসভা এসবিএসটিসিকে ৪ কোটি ২৬লক্ষ টাকা দিতে চলেছে। অত্যাধুনিক মানের দামি সিএনজি বাস রাস্তায় নামবে। কয়েকটি বড় বাসের পাশাপাশি শহরের সংকীর্ণ রাস্তায় ঢুকতে পারে এমন ছোট বাসও কেনার পরিকল্পনাও রয়েছে দক্ষিণবঙ্গ রাষ্ট্রীয় পরিবহণ সংস্থার।
Advertisement
মেয়র বিধান উপাধ্যায় বলেন, বিভিন্ন জায়গার মানুষজন সরকারি বাস পরিষেবা চালুর দাবি জানিয়েছেন। বিশেষ করে সন্ধ্যার পর থেকেই গুরুত্বপূর্ণ রুটগুলিতেও বাস পাওয়া যায় না। সেই সুযোগে অটো-টোটো চালকদের একাংশ ইচ্ছেমতো ভাড়া দাবি করেন বলে অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি মাথায় রেখে আমরা রাতেও বাস পরিষেবা চালু রাখব।
রাজ্যের অন্যতম বড় শহর আসানসোল। শহরের বাসিন্দা ১৪লক্ষের বেশি। বরাকর থেকে রানিগঞ্জ, জামুড়িয়া থেকে দিসেরগড় বিস্তীর্ণ এলাকা নিয়ে এই পুরসভা। খনি ও শিল্পাঞ্চল ঘেরা এই বড় শহরের পরিবহণ ব্যবস্থার উন্নয়নে এবার হাত লাগাল পুরসভা।
লজঝড়ে ডিজেল বাস, কেরোসিন-ডিজেলে চলা অটো শহরের দূষণের অন্যতম কারণ। তার জায়গায় আধুনিক সিএনজি বাসগুলি থেকে দূষণ অনেকটাই কম হবে। শহরের বাতাসের মানোন্নয়নে ন্যাশনাল ক্লিন এয়ার প্রোগ্রামে যথেষ্ট অর্থ দেওয়া হচ্ছে পুরসভাগুলিকে। সেই ফান্ড থেকেই বাস কেনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এর ফলে একদিকে পুরসভার নিজস্ব ফান্ড খরচ না করেই শহরবাসীর জন্য নতুন পরিষেবা চালু হতে চলেছে। অটো, টোটোর দাপটে বিভিন্ন জনপ্রিয় রুটে বাস চলাচল বন্ধ হয়ে গিয়েছে। কোথাও তা সংখ্যায় কমে গিয়েছে। এই সুযোগে অসাধু অটো ও টোটো চালকরা ইচ্ছেমতো ভাড়া হাঁকা শুরু করেছে। পুরসভার বাস পরিষেবা চালু হলে তাতে অনেকটা লাগাম টানা যাবে। রাতে পুরসভার টাকায় এসবিএসটিসি বাসগুলি চলাচল করলে যাত্রীদের নিরাপত্তাও বাড়বে। সফটওয়ার সংস্থায় কর্মরত শ্রীরূপা চট্টোপাধ্যায়, ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের ছাত্রী দেবিকা রায় বলেন, খুবই ভালো উদ্যোগ। আসানসোলের মতো বড় শহরে রাত হলেই বাস পরিষেবা লাটে ওঠে। সরকারি বাস পরিষেবা চালু হলে বেসরকারি বাসও বাড়বে। এসবিএসটিসির এমডি প্রণবকুমার ঘোষ বলেন, আমাদের কাছেও এটি একটি নতুন অভিজ্ঞতা হতে চলেছে। শহরে বাস পরিষেবা উন্নত করার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
রাজ্যের অন্যতম বড় শহর আসানসোল। শহরের বাসিন্দা ১৪লক্ষের বেশি। বরাকর থেকে রানিগঞ্জ, জামুড়িয়া থেকে দিসেরগড় বিস্তীর্ণ এলাকা নিয়ে এই পুরসভা। খনি ও শিল্পাঞ্চল ঘেরা এই বড় শহরের পরিবহণ ব্যবস্থার উন্নয়নে এবার হাত লাগাল পুরসভা।
লজঝড়ে ডিজেল বাস, কেরোসিন-ডিজেলে চলা অটো শহরের দূষণের অন্যতম কারণ। তার জায়গায় আধুনিক সিএনজি বাসগুলি থেকে দূষণ অনেকটাই কম হবে। শহরের বাতাসের মানোন্নয়নে ন্যাশনাল ক্লিন এয়ার প্রোগ্রামে যথেষ্ট অর্থ দেওয়া হচ্ছে পুরসভাগুলিকে। সেই ফান্ড থেকেই বাস কেনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এর ফলে একদিকে পুরসভার নিজস্ব ফান্ড খরচ না করেই শহরবাসীর জন্য নতুন পরিষেবা চালু হতে চলেছে। অটো, টোটোর দাপটে বিভিন্ন জনপ্রিয় রুটে বাস চলাচল বন্ধ হয়ে গিয়েছে। কোথাও তা সংখ্যায় কমে গিয়েছে। এই সুযোগে অসাধু অটো ও টোটো চালকরা ইচ্ছেমতো ভাড়া হাঁকা শুরু করেছে। পুরসভার বাস পরিষেবা চালু হলে তাতে অনেকটা লাগাম টানা যাবে। রাতে পুরসভার টাকায় এসবিএসটিসি বাসগুলি চলাচল করলে যাত্রীদের নিরাপত্তাও বাড়বে। সফটওয়ার সংস্থায় কর্মরত শ্রীরূপা চট্টোপাধ্যায়, ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের ছাত্রী দেবিকা রায় বলেন, খুবই ভালো উদ্যোগ। আসানসোলের মতো বড় শহরে রাত হলেই বাস পরিষেবা লাটে ওঠে। সরকারি বাস পরিষেবা চালু হলে বেসরকারি বাসও বাড়বে। এসবিএসটিসির এমডি প্রণবকুমার ঘোষ বলেন, আমাদের কাছেও এটি একটি নতুন অভিজ্ঞতা হতে চলেছে। শহরে বাস পরিষেবা উন্নত করার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।



