Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

বহরমপুরে সেলের বাজার জমজমাট, চৈত্রের শেষ রবিবার ক্রেতাদের ঢল

বহরমপুরে সেলের বাজার জমজমাট, চৈত্রের শেষ রবিবার ক্রেতাদের ঢল
  • ১৪ এপ্রিল, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, বহরমপুর: মুর্শিদাবাদের সূতি, সামশেরগঞ্জ অশান্তির আগুনে পুড়লেও তার ছিটেফোঁটা আঁচ পড়েনি বহরমপুরে। চৈত্রের শেষ রবিবারে সেখানে সেলের বাজার জমজমাট। বেলা বাড়তেই বহরমপুর শহরের খাগড়ায় নামল জনস্রোত। বেলা যত গড়িয়েছে ভিড় তত বেড়েছে। ফুটপাতের দোকান থেকে শুরু করে বড় বড় বস্ত্র প্রতিষ্ঠানে সমানভাবে খরিদ্দারের ভিড় লক্ষ্য করা গিয়েছে। বছরের শেষ রবিবার ভিড় হওয়ায় ব্যবসায়ীদের মুখে চওড়া হাসি। তাঁদের দাবি, এবার ঈদ থাকায় চৈত্র সেলের বাজার দেরিতে শুরু হয়েছে। তবে শেষের দিকে বিক্রিতে জোয়ার এসেছে।

Advertisement

নতুন বছরে নতুন পোশাক পড়ে মন্দিরে মন্দিরে পুজোপাঠের রেওয়াজ বহু বছর ধরে চলে আসছে। নববর্ষের দিন প্রায় অধিকাংশ পরিবারের সদস্যদের গায়ে দুর্গাপুজোর মতোই নতুন পোশাক ওঠে। এমনকী বিছানার চাদর, বালিশের কভারও সেদিন বদলে ফেলা হয়। চৈত্র সেলে ডিসকাউন্ট চালু হওয়ায় পরিবারে পরিবারে নতুন পোশাকের চল আরও বেড়েছে। গ্রাম হোক বা শহরের মানুষ, সেলের বাজার ঘাঁটার প্রবণতা প্রতিবছর বাড়ছে। 
এবার চৈত্র মাসে ঈদ উৎসব ছিল। ব্যবসায়ীদের দাবি, ১৫ চৈত্রের পর থেকে সেলের বিক্রিবাটা শুরু হয়েছে। বহরমপুরের বস্ত্র ব্যবসায়ী শেখর মারুঠী বলেন, দেরিতে শুরু হলেও চৈত্র সেলের বাজারে বিক্রি ভালো হয়েছে। শহরের পাশাপাশি গ্রামের মানুষেরও ভিড় ছিল যথেষ্ট। শেখরবাবুর দাবি, চৈত্র সেলের বাজারে ছাপাশাড়ি, চুড়িদার, কুর্তি, বিছানার চাদর, ব্লেজারের চাহিদা বেশি। বেশি ছোটদের পোশাকের চাহিদাও। পোশাক ব্যবসায়ী বন্টু তাপড়িয়া বলেন, গ্রামগঞ্জের মানুষ পুজো পার্বণ, বাড়ির অনুষ্ঠান ছাড়া কাপড়ের দোকানে আসতেন না। দিন বদলেছে। এখন ডিসকাউন্টের সেলের বাজারের দিকে সবাই ছুটতে শুরু করেছেন।
রবিবার সকাল থেকেই বহরমপুরের কাদায় এলাকার সেলের বাজারে জনজোয়ার আছড়ে পড়েছিল। ছোট বড় প্রতিটি দোকানেই উপচে পড়া ভিড় ছিল। দুপুরের পর থেকে ভিড় ক্রমশ বেড়েছে। খরিদ্দারের চাপে কাদায় রোডে ঘন ঘন যানজট হয়েছে। গোকর্ণ এলাকা থেকে সেলের বাজারে এসেছিলেন তনুশ্রী দে। তিনি বলেন, সেলের বাজারে অনেক সস্তায় জামাকাপড় পাওয়া যায়। আগেও দু’ বার এসেছি। বছরের শেষ রবিবার ছেলেমেয়েদের সঙ্গে নিয়েই এসেছি। দু’ জোড়া বিছানার চাদর কিনেছেন দৈলতাবাদের বিপাশা বিশ্বাস। বিপাশাদেবী বলেন, বাড়ির সকলে যেমন নতুন পোশাক পড়বে তেমনি পয়লা বৈশাখ বিছানাতেও নতুন চাদর পাতা হবে।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ