শ্রীনগর: গত বুধবার কাশ্মীরের অনন্তনাগে ভরা বাজারে জঙ্গিদের গুলিতে প্রাণ হারান পুলিশের হেড কনস্টেবল আশিক কুরেশি। ইতিমধ্যে সেই ঘটনার দায় নিয়েছে লস্কর-ই-তোইবার শাখা সংগঠন দ্য রেজিস্ট্যান্স ফোর্স। এরপরেই জঙ্গিদের বিরুদ্ধে জোরকদমে অপারেশন শুরু করেছে নিরাপত্তা বাহিনী। চিরুনি তল্লাশির পাশাপাশি জঙ্গিদের মদতদাতা সন্দেহে দু’হাজারের বেশি সন্দেহভাজনকে আটক করা হয়েছে। পাশাপাশি দুই জঙ্গির বাড়ি গুঁড়িয়ে দিয়েছে নিরাপত্তা বাহিনী। দু’জনেই লস্কর-ই-তোইবার সক্রিয় সদস্য বলে জানা গিয়েছে।
জঙ্গি হিসাবে চিহ্নিত আদিল আহমেদ ঠোকারের পরিবারের একটি বাড়ি বিস্ফোরণে উড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। প্রশাসন ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বিস্ফোরণের অভিঘাতে আশেপাশের বেশ কয়েকটি বাড়ি, গাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। পহেলগাঁওয়ে জঙ্গি হামলার পরেও আদিলদের একটি বাড়ি গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল। কয়েক মাস আগেই নতুন বাড়িতে থাকতে শুরু করে তাঁরা। বাড়ি ধ্বংস করার আগে পরিবারের লোকজনদের সেখান থেকে চলে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল নিরাপত্তা বাহিনী। হারুন রশিদ নামে লস্কর-ই-তোইবার আরও এক সদস্যের বাড়িও গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।
পাশাপাশি জঙ্গিদের খোঁজে রাতভর তল্লাশি চালিয়েছে নিরাপত্তা বাহিনী। ওভারগ্রাউন্ডস ওয়াকার্স বা জঙ্গিদের মদতদাতা সন্দেহে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে দু’হাজারের বেশি মানুষকে। শুধু শ্রীনগর জেলাতেই ধৃতের সংখ্যা ৭০০। বারামুল্লা থেকে ১৭৮ জন, বদগাঁও থেকে ২২ ও গান্দেরবাল জেলা থেকে ১০০ জনকে আটক করা হয়েছে।