Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

উলুবেড়িয়া মেডিকেল কলেজের ঘটনায় ধৃতদের বিরুদ্ধে শ্লীলতাহানির ধারা যোগ

গত সোমবার উলুবেড়িয়ার শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় মেডিকেল কলেজে কর্তব্যরত মহিলা ডাক্তারকে নিগ্রহের ঘটনায় ধৃত তিনজনের বিরুদ্ধে পুলিশ নতুন করে শ্লীলতাহানির ধারা যোগ করল।

উলুবেড়িয়া মেডিকেল কলেজের ঘটনায় ধৃতদের বিরুদ্ধে শ্লীলতাহানির ধারা যোগ
  • ২৫ অক্টোবর, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, উলুবেড়িয়া: গত সোমবার উলুবেড়িয়ার শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় মেডিকেল কলেজে কর্তব্যরত মহিলা ডাক্তারকে নিগ্রহের ঘটনায় ধৃত তিনজনের বিরুদ্ধে পুলিশ নতুন করে শ্লীলতাহানির ধারা যোগ করল। শুক্রবার ধৃতদের উলুবেড়িয়া আদালতে তোলা হলে বিচারক ফের তিনদিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দেন। নিগৃহীতা মহিলা ডাক্তারের আইনজীবী সুদীপ ঘোষ বলেন, এদিন আদালতে ওই ডাক্তার নিজে উপস্থিত ছিলেন। পুলিশ আগের ধারার সঙ্গে দু’টি নতুন ধারা যোগ করেছে। অন্যদিকে, মেডিকেল কলেজের সিনিয়র রেসিডেন্ট ডাক্তাররা এদিন ৫ ঘণ্টার প্রতীকী কর্মবিরতি পালন করলেন। তাঁরা হাতে লেখা পোস্টার নিয়ে প্রতিবাদ জানান এবং সাধারণ মানুষকে সচেতন করার চেষ্টা করেন। তবে এদিন কর্মবিরতির ফলে হাসপাতালের আউটডোর ও ইনডোর পরিষেবার কোনও ব্যাঘাত ঘটেনি। প্রতীকী কর্মবিরতি প্রসঙ্গে ডাঃ অমৃতা ভট্টাচার্য বলেন, ঘটনাটি নিন্দাজনক। নিরাপত্তা ব্যবস্থার সার্বিক ব্যর্থতার কারণেই ওই ঘটনা ঘটেছিল। ভবিষ্যতে এমন ঘটনা যাতে না ঘটে, সেদিকে পুলিশ প্রশাসনকে নজর রাখতে হবে। আমরা এদিন কর্তৃপক্ষের কাছে ১১ দফা দাবি পেশ করেছি। ধৃতরা যাতে জামিন না পায়, অধরাদের দ্রুত গ্রেফতার, হাসপাতালে প্যানিক বাটন ব্যবস্থা চালু, পুলিশ ফাঁড়িতে আরও কর্মী বাড়ানো, সিকিউরিটি গার্ডদের পোশাক নির্দিষ্ট করা, সর্বত্র সিসি ক্যামেরা লাগানো ইত্যাদি দাবি জানানো হয়েছে। তিনি বলেন, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ আমাদের পাশে আছে। আমাদের আশা, দোষীরা দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি পাবে।

Advertisement

কলেজের প্রিন্সিপাল ডাঃ সনৎ ঘোষ এবং ভারপ্রাপ্ত এমএসভিপি ডাঃ সুবীর মজুমদার বলেন, ঘটনার পর থেকে আমরা প্রতিদিন সিনিয়র রেসিডেন্ট ডাক্তারদের সঙ্গে আলোচনায় বসেছি। ওঁরা আমাদের চিঠি দিয়ে প্রতীকী কর্মবিরতির কথা জানিয়েছিলেন। ওই ঘটনার পর মাত্র চারজন পুলিশ কর্মী বাড়ানো হয়েছে। সিকিউরিটি এজেন্সিকে শো’কজ করা হয়েছে। হাসপাতালে কোলাপসিবল গেট বসানোর জন্য পূর্তদপ্তরকে এবং প্যানিক বাটনের কথা স্বাস্থ্যভবনকে জানানো হয়েছে। যেসব সিসি ক্যামেরা খারাপ, সেগুলি সারানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এদিন সারাভারত যুবলিগের পক্ষ থেকে মেডিকেল কলেজে বিক্ষোভ দেখানোর পাশাপাশি ডেপুটেশন দেওয়া হয়।   

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ