Bartaman Logo
৮ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

গোপন ‘সই অভিযান’ তৃণমূলে? পালটা কলকাঠি ২ কাউন্সিলারের

কলকাতা পুরসভায় গোপনে সই করানোর কাজ শুরু হয়েছে। তৃণমূলে সংকট বাড়ছে, ৩০টি সই জোগাড় হয়েছে। বিস্তারিত পড়ুন।

গোপন ‘সই অভিযান’ তৃণমূলে? পালটা কলকাঠি ২ কাউন্সিলারের
  • ৮ জুন, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: মেয়র পদত্যাগ করলে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে সেই পুরসভার শাসকপক্ষকে দলনেতা নির্বাচন করতে হয়। তিনিই হন পরবর্তী মেয়র। ফিরহাদ হাকিম পদত্যাগ করার পর থেকেই কলকাতা পুরসভার সেই চেয়ার ফাঁকা। সেই সূত্রেই রবিবার তৃণমূল ভবনে ডাকা হয়েছিল বৈঠক। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপস্থিতিতে। কিন্তু অজ্ঞাত কারণে সেই বৈঠক বাতিল হয়। যদিও কাউন্সিলারদের একাংশের বক্তব্য, অনেকেই কলকাতার বাইরে। আবার অনেক কাউন্সিলার শহরে থেকেও বৈঠকে আসতে নারাজ। সেই কারণেই বৈঠক বাতিল। এখানেই অবশ্য সমীকরণ থেমে যায়নি। তৃণমূল সূত্রের খবর, মেয়র নির্বাচনের চিঠিতে গোপনে সই করানোর কাজ শুরু হয়েছে। ইতিমধ্যে উত্তর কলকাতায় অতীন ঘোষ এবং দক্ষিণে সুব্রত বক্সির পার্টি অফিসে কাউন্সিলারদের ডাকা হচ্ছে সইয়ের জন্য। কাউন্সিলাররা বলছেন, যে ফরম্যাটে সই করতে হচ্ছে তার বয়ান হল —মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যাঁকে মেয়র হিসাবে বেছে নেবেন, তাঁর প্রতিই আমার সমর্থন থাকবে। এরপরই কাউন্সিলারদের পালটা একটি গোষ্ঠী সক্রিয় হয়ে উঠেছে। এই গোষ্ঠীর প্রথম সারিতে রয়েছেন উত্তর কলকাতার এক প্রাক্তন এবং দক্ষিণের দুই কাউন্সিলার। তাঁদের প্রত্যেকেই বাকিদের ফোন করে বলছেন, ‘সই করবেন না।’ দক্ষিণের এক হেভিওয়েট মহিলা কাউন্সিলার সাফ বলছেন, ‘আমি যাচ্ছি না। আপনারাও যাবেন না।’ আর এক কাউন্সিলার দক্ষিণ কলকাতার প্রায় ২৫ জনকে মানিয়ে-বুঝিয়ে ফেলেছেন। কলকাতা পুরসভায় তৃণমূলের ১৪৪ জন কাউন্সিলার রয়েছেন। দলনেতা বা মেয়র নির্বাচনের জন্য ৭৪ জনের সই দরকার। রবিবার রাত পর্যন্ত খবর, ৩০টির মতো সই জোগাড় হয়েছে। ১২ নম্বর বোরোর একজন কাউন্সিলারও যাননি সই করতে। তার পাশের একটি বোরো থেকে গিয়েছেন মাত্র দু’জন। ফলে ফাটল এবং সংকট দুই বাড়ছে। পরিস্থিতি যেদিকে গড়াচ্ছে, তাতে পুরসভাতেও ‘প্রেশার ব্লক’ তৈরির সম্ভাবনা প্রবল। দানা বাঁধছে ‘সই’ নিয়ে আইনি জটের অঙ্কও।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ