নিজস্ব প্রতিনিধি, বারাকপুর: কাঁচরাপাড়ার শরৎপল্লিতে স্বামী নির্যাতনের অভিযোগে রহস্য মৃত্যুর ঘটনায় এখনও কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিস। মৃত সুমিত মুখোপাধ্যায়ের মায়ের অভিযোগ, পুত্রবধূ এবং বেয়াই-বেয়ানের অত্যাচার ও প্ররোচনাতেই আত্মঘাতী হয়েছে ছেলে। অভিযুক্ত তিনজনই পলাতক। তাঁদের বাড়ি একই পাড়ায়। কয়েক বছর আগে প্রেম করেই বিয়ে করেছিলেন তাঁরা। তবে ইদানীং তাঁদের মধ্যে প্রায়ই অশান্তি হতো। ওই অশান্তিতে সুমিতের শ্বশুর-শাশুড়ি ইন্ধন জোগাত বলে অভিযোগ।
ওই ঘটনার পর এলাকার মানুষ ক্ষোভে ফেটে পড়েছেন। তাঁরা সুমিতের শ্বশুরবাড়িতে পর্যন্ত হানা দিয়েছেন। কিন্তু মেয়েকে নিয়ে ওই দম্পতি এলাকা ছেড়ে অন্যত্র গা ঢাকা দিয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। এলাকাবাসীর দাবি, সুমিতের স্ত্রী ও শ্বশুর-শাশুড়িই এই ঘটনার জন্য দায়ী। তাঁদের কঠোর শাস্তি দেওয়া হোক। এলাকায় পুলিসের টহলদারি চলছে। প্রতিবেশী পূজা নন্দী জানিয়েছেন, স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে প্রায়ই গোলমাল হতো। তারপর শ্বশুর-শাশুড়ি এসে সুমিতকে মারধর করত। তার পরিণতিতেই সম্ভবত এই ঘটনা। শোকে পাথর হয়ে গিয়েছেন সুমিতের পরিবারের সদস্যরা। ছেলের মৃত্যুতে বাকরুদ্ধ মা। ছেলের শ্বশুরবাড়ির দিকেই অভিযোগের আহুল তুলেছেন তিনি।
পুলিস জানিয়েছে, ময়নাতদন্তের প্রাথমিক রিপোর্ট অনুযায়ী, সুমিত মুখোপাধ্যায় আত্মহত্যা করেছেন। তবে কেন আত্মহত্যা করেছেন, এর পিছনে কারও প্ররোচনা রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখছে পুলিস। অভিযুক্তদের জিজ্ঞাসাবাদ করে এই রহস্যের কিনারা করতে চাইছেন তদন্তকারীরা। অভিযুক্তদের
খোঁজ চলছে।