আবু ধাবি: রুশ-ইউক্রেন যুদ্ধ নিয়ে মরুদেশে কূটনৈতিক তৎপরতা। আগামী কাল বুধবার সৌদি আরব সফরে যাচ্ছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভোলোদিমির জেলেনস্কি। তার আগে আজ মঙ্গলবার ওই দেশেই বৈঠকে বসতে চলেছেন রুশ ও মার্কিন প্রতিনিধি দল। সূত্রের খবর, মূলত রুশ-ইউক্রেন ইস্যুতে সমাধান খুঁজতেই এই আলোচনা। এরইমধ্যে জানা যাচ্ছে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের মধ্যেও বৈঠক হতে পারে। মার্কিন বিদেশ দপ্তরের মুখপাত্রের কথায় এমনই ইঙ্গিত মিলেছে। তাহলে কি প্রায় তিন বছর ধরে চলা রাশিয়া-ইউক্রেন সংঘাত নিয়ে কোনও সমাধান সূত্রে পৌঁছনো যাবে? যদিও ইউক্রেনের কাছ থেকে ওই বৈঠক নিয়ে সদর্থক কোনও বার্তা মেলেনি।
Advertisement
জেলেনস্কির মুখপাত্র সের্গেই নিকিফোরভ জানিয়েছেন, সরকারি সফরে সৌদি আরব যাচ্ছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট। সঙ্গে থাকবেন স্ত্রী ওলেনা। আমেরিকা-রাশিয়ার বৈঠককে অবশ্য গুরুত্ব দিতে নারাজ জেলেনস্কি। সোমবার সংযুক্ত আরব আমিরশাহির আবু ধাবিতে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ‘রুশ-মার্কিন বৈঠক নিয়ে আমাদের কিছুই জানানো হয়নি। আমাদের অনুপস্থিতিতে যে চুক্তিই হোক না কেন, তা মানতে পারব না।’
আগামী সপ্তাহে ইউক্রেন-রাসিয়া যুদ্ধ তিন বছর পূর্ণ করবে। ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে ইউক্রেন সামরিক অভিযান শুরু করেছিল পুতিন বাহিনী। মার্কিন বিদেশ দপ্তরের মুখপাত্র ট্যামি ব্রুসের কথায়, ‘বিদেশ সচিব রুবিও, জাতীয় নিরাপত্তা আধিকারিক মাইক ওয়াল্টজ ও বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ মঙ্গলবার রিয়াধে রুশ প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বৈঠক করবেন।’ তাঁর কথায় পুতিনের সঙ্গে মার্কিন প্রেসিডেন্টের বৈঠকেরও ইঙ্গিত মিলেছে।
ইতিমধ্যে মার্কিন নেতৃত্বাধীন সামরিক জোট ন্যাটোয় ইউক্রেনকে যুক্ত করা নিয়ে অনীহা প্রকাশ করেছেন ট্রাম্প। এরপরেই ইউরোপে ‘নতুন বন্ধু’র খোঁজ শুরু করেছেন জেলেনস্কি। আন্তর্জাতিক মহলের মতে, এই পরিস্থিতিতে রুশ-মার্কিন প্রতিনিধি দলের এই বৈঠক অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।
আগামী সপ্তাহে ইউক্রেন-রাসিয়া যুদ্ধ তিন বছর পূর্ণ করবে। ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে ইউক্রেন সামরিক অভিযান শুরু করেছিল পুতিন বাহিনী। মার্কিন বিদেশ দপ্তরের মুখপাত্র ট্যামি ব্রুসের কথায়, ‘বিদেশ সচিব রুবিও, জাতীয় নিরাপত্তা আধিকারিক মাইক ওয়াল্টজ ও বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ মঙ্গলবার রিয়াধে রুশ প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বৈঠক করবেন।’ তাঁর কথায় পুতিনের সঙ্গে মার্কিন প্রেসিডেন্টের বৈঠকেরও ইঙ্গিত মিলেছে।
ইতিমধ্যে মার্কিন নেতৃত্বাধীন সামরিক জোট ন্যাটোয় ইউক্রেনকে যুক্ত করা নিয়ে অনীহা প্রকাশ করেছেন ট্রাম্প। এরপরেই ইউরোপে ‘নতুন বন্ধু’র খোঁজ শুরু করেছেন জেলেনস্কি। আন্তর্জাতিক মহলের মতে, এই পরিস্থিতিতে রুশ-মার্কিন প্রতিনিধি দলের এই বৈঠক অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।



