নিজস্ব প্রতিনিধি, কোচবিহার: কোচবিহার জেলায় বিজেপির রমরমা ক্রমেই স্থিমিত হয়ে আসছে। চব্বিশের লোকসভা নির্বাচনে দলের ভরাডুবি হয়েছে। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র রাষ্ট্রমন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিক বিপুল ভোটে পরাজিত হয়েছেন। সদ্য সমাপ্ত সিতাই উপ নির্বাচনে বিজেপি ৩০০ বুথের মধ্যে হাতেগোনা মাত্র কয়েকটি বুথে এজেন্ট দিতে পেরেছে। অথচ কোচবিহারে বিজেপির ছ’জন বিধায়ক। এরই মধ্যে বিজেপির সদস্য সংগ্রহ অভিযানও গতবারের তুলনায় এবার কার্যত তলানিতে এসে ঠেকেছে।
Advertisement
দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০১৯ সালে জেলায় যে সদস্য সংগ্রহ অভিযান হয়েছিল তাতে বিজেপির সদস্য সংখ্যা ছিল ২ লক্ষ ৫৭ হাজার। সেখানে এবার এখনও পর্যন্ত মেরে কেটে সদস্য সংগ্রহ হয়েছে ৩০ হাজারের কিছু বেশি। আর এতেই উদ্বিগ্ন নেতৃত্বের একটা বড় অংশ। কিন্তু বিজেপির আরএকটি অংশ সাফাই গাইছে, গতবার শুধুমাত্র মিসড কল করলেই সদস্য হওয়া যেত। এবার প্রক্রিয়া অনেক জটিল। তাই গ্রামের মানুষ সহজে তা করতে পারছে না। এতেই সমস্যা হচ্ছে।
বিজেপির সদস্য সংগ্রহের এই পরিস্থিতি নিয়ে রাজ্যের শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস কটাক্ষ করতে ছাড়ছে না। তাদের দাবি, বিজেপিকে মানুষ পছন্দ করছে না। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপরেই জনগণের আস্থা। তাই বিজেপি আগামী দিনে শুধু কোচবিহারই নয়, উত্তরবঙ্গ তথা রাজ্য থেকেই ধুয়েমুছে সাফ হয়ে যাবে।
এদিকে, সিতাই বিধানসভা উপ নির্বাচন মিটতেই কোচবিহার জেলাজুড়ে জনসংযোগে ঝাঁপাচ্ছে তৃণমূল। জেলার সর্বত্র তথা প্রত্যন্ত এলাকা থেকে তুলে আনা হবে ‘মানুষের সমস্যার কথা’। সেই লক্ষ্যে অঞ্চল ও ব্লক নেতৃত্বকে জনসংযোগ যাত্রার নির্দেশ দিয়েছে দল। ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনের দিকে তাকিয়েই এমনটা দাবি তৃণমূলের।
বিজেপির কোচবিহার জেলা সভাপতি সুকুমার রায় বলেন, সদস্য সংগ্রহ অভিযানে সদস্য সংখ্যা ৩০ হাজার পেরিয়েছে। ২১ নভেম্বর পর্যন্ত স্পেশাল ড্রাইভ চলবে। পরে কত দিন হবে সেটা পরে পরের বিষয়। ২০১৯ সালে সদস্য সংখ্যা আড়াই লাখের বেশি ছিল। তখন মিসড কল করলে, নাম লিখলেই সদস্য হওয়া যেত। এবার নাম, ঠিকানা, বিবরণ ইত্যাদি লিখতে হচ্ছে। ওটিপির বিষয় রয়েছে।
তৃণমূলের রাজ্য সহ সভাপতি রবীন্দ্রনাথ ঘোষ বলেন, বিজেপিকে মানুষ পছন্দ করছে না এটা প্রমাণ হয়ে যাচ্ছে। কোচবিহার থেকে বিজেপি সাফ হয়ে যেতে বসেছে। এখানে আড়াই হাজার বুথ আছে। ৩০ হাজার সদস্য হলে একএক বুথে তো ১২টা করে ভোট। ওদের ভরাডুবি হয়েছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপরেই মানুষ আস্থা রাখতে চাইছে।
জেলা তৃণমূল সভাপতি অভিজিৎ দে ভৌমিক বলেন, স্থানীয় নেতৃত্বকে গ্রাম থেকে বাসিন্দাদের সমস্যার কথা তুলে আনার কথা বলা হয়েছে। ওসব সমস্যা মেটানো হবে। জনসংযোগের উপর জোর দেওয়া হচ্ছে।
বিজেপির সদস্য সংগ্রহের এই পরিস্থিতি নিয়ে রাজ্যের শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস কটাক্ষ করতে ছাড়ছে না। তাদের দাবি, বিজেপিকে মানুষ পছন্দ করছে না। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপরেই জনগণের আস্থা। তাই বিজেপি আগামী দিনে শুধু কোচবিহারই নয়, উত্তরবঙ্গ তথা রাজ্য থেকেই ধুয়েমুছে সাফ হয়ে যাবে।
এদিকে, সিতাই বিধানসভা উপ নির্বাচন মিটতেই কোচবিহার জেলাজুড়ে জনসংযোগে ঝাঁপাচ্ছে তৃণমূল। জেলার সর্বত্র তথা প্রত্যন্ত এলাকা থেকে তুলে আনা হবে ‘মানুষের সমস্যার কথা’। সেই লক্ষ্যে অঞ্চল ও ব্লক নেতৃত্বকে জনসংযোগ যাত্রার নির্দেশ দিয়েছে দল। ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনের দিকে তাকিয়েই এমনটা দাবি তৃণমূলের।
বিজেপির কোচবিহার জেলা সভাপতি সুকুমার রায় বলেন, সদস্য সংগ্রহ অভিযানে সদস্য সংখ্যা ৩০ হাজার পেরিয়েছে। ২১ নভেম্বর পর্যন্ত স্পেশাল ড্রাইভ চলবে। পরে কত দিন হবে সেটা পরে পরের বিষয়। ২০১৯ সালে সদস্য সংখ্যা আড়াই লাখের বেশি ছিল। তখন মিসড কল করলে, নাম লিখলেই সদস্য হওয়া যেত। এবার নাম, ঠিকানা, বিবরণ ইত্যাদি লিখতে হচ্ছে। ওটিপির বিষয় রয়েছে।
তৃণমূলের রাজ্য সহ সভাপতি রবীন্দ্রনাথ ঘোষ বলেন, বিজেপিকে মানুষ পছন্দ করছে না এটা প্রমাণ হয়ে যাচ্ছে। কোচবিহার থেকে বিজেপি সাফ হয়ে যেতে বসেছে। এখানে আড়াই হাজার বুথ আছে। ৩০ হাজার সদস্য হলে একএক বুথে তো ১২টা করে ভোট। ওদের ভরাডুবি হয়েছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপরেই মানুষ আস্থা রাখতে চাইছে।
জেলা তৃণমূল সভাপতি অভিজিৎ দে ভৌমিক বলেন, স্থানীয় নেতৃত্বকে গ্রাম থেকে বাসিন্দাদের সমস্যার কথা তুলে আনার কথা বলা হয়েছে। ওসব সমস্যা মেটানো হবে। জনসংযোগের উপর জোর দেওয়া হচ্ছে।



