নিজস্ব প্রতিনিধি, জলপাইগুড়ি: দু’মাস পেরতে চলেছে। কিন্তু সহায়কমূল্যে ধান কেনার ক্ষেত্রে এখনও লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক পিছিয়ে জলপাইগুড়ি জেলা। প্রশাসন সূত্রে খবর, নভেম্বর ও ডিসেম্বর মিলিয়ে জলপাইগুড়ি সদর মহকুমায় ৩৫ হাজার মেট্রিক টন ধান কেনার লক্ষ্যমাত্রা নিয়েছিল খাদ্যদপ্তর। কিন্তু এখনও টার্গেটের মাত্র ৪০ শতাংশ ধান কেনা সম্ভব হয়েছে। জেলা খাদ্য নিয়ামক দাওয়া ওয়াংগেল লামা বলেন, জলপাইগুড়ি জেলায় ধান কেনার এবার টার্গেট রয়েছে ১লক্ষ ৯০ হাজার মেট্রিক টন। নভেম্বর ও ডিসেম্বর মিলিয়ে আমরা ৫৬ হাজার মেট্রিকটন ধান কিনতে পেরেছি। জানুয়ারিতে ধান কেনার গতি আরও বাড়বে।
Advertisement
এই পরিস্থিতিতে মঙ্গলবার বৈঠকে ধান কেনার কাজে আরও গতি আনার নির্দেশ দিলেন জলপাইগুড়ি সদরের মহকুমা শাসক তমোজিৎ চক্রবর্তী। বৈঠকে প্রশাসন ও খাদ্যদপ্তরের আধিকারিকদের পাশাপাশি হাজির ছিলেন রাইসমিল মালিকরা। ধান কেনার ক্ষেত্রে টার্গেটের চেয়ে অনেকটা পিছিয়ে থাকা নিয়ে নানা সাফাই দেওয়ার চেষ্টা করেন খাদ্যদপ্তরের আধিকারিকরা। তাঁদের বক্তব্য, জলপাইগুড়ির কৃষকদের একটা বড় অংশ আলুচাষ নিয়ে ব্যস্ত। ফলে তাঁরা এখন ধান বিক্রি করতে আসছেন না। জানুয়ারিতে টার্গেট পূরণ হয়ে যাবে।
যদিও প্রশাসনের কাছে ইতিমধ্যেই কয়েকটি জায়গা থেকে অভিযোগ জমা পড়েছে, রাইসমিল মালিকদের একাংশ গাড়ি পাঠাতে দেরি করছেন। ফলে ধান পড়ে থাকছে। কিছুক্ষেত্রে নজরদারির ঘাটতি রয়েছে। সেই সুযোগ নেওয়ার চেষ্টা করছে ফড়েরা।
এদিনের বৈঠকে মহকুমা শাসক ফুড ইন্সপেক্টরদের সাফ জানিয়ে দেন, জলপাইগুড়ি সদর মহকুমায় ১৭টি ধান ক্রয়কেন্দ্র রয়েছে। এরমধ্যে চারটি ভ্রাম্যমান ক্রয়কেন্দ্র। প্রতিটি ধান ক্রয়কেন্দ্রে নজরদারি আরও বাড়াতে হবে। একইসঙ্গে রাইস মিল মালিকদের এসডিও’র নির্দেশ, নিয়মিত গাড়ি পাঠাতে হবে ধানক্রয় কেন্দ্রগুলিতে। দিনের প্রথম গাড়ি যেন সকাল সাড়ে দশটার মধ্যে পৌঁছে যায়। কোথাও যেন ধান পড়ে না থাকে।
একইসঙ্গে বিডিও এবং পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতিদের এদিন মহকুমা শাসক জানিয়ে দেন, সহায়কমূল্যে ধান কেনা নিয়ে আরও বেশি করে প্রচারের ব্যবস্থা করতে হবে। রাজ্য সরকার যে চাষির কাছ থেকে কুইন্টাল পিছু ২৩০০ টাকা দরে ধান কিনছে, এটা যত বেশি করে প্রচার হবে, কৃষকরা ফড়েদের কাছে কম দামে ধান বিক্রি করতে চাইবেন না।
যদিও প্রশাসনের কাছে ইতিমধ্যেই কয়েকটি জায়গা থেকে অভিযোগ জমা পড়েছে, রাইসমিল মালিকদের একাংশ গাড়ি পাঠাতে দেরি করছেন। ফলে ধান পড়ে থাকছে। কিছুক্ষেত্রে নজরদারির ঘাটতি রয়েছে। সেই সুযোগ নেওয়ার চেষ্টা করছে ফড়েরা।
এদিনের বৈঠকে মহকুমা শাসক ফুড ইন্সপেক্টরদের সাফ জানিয়ে দেন, জলপাইগুড়ি সদর মহকুমায় ১৭টি ধান ক্রয়কেন্দ্র রয়েছে। এরমধ্যে চারটি ভ্রাম্যমান ক্রয়কেন্দ্র। প্রতিটি ধান ক্রয়কেন্দ্রে নজরদারি আরও বাড়াতে হবে। একইসঙ্গে রাইস মিল মালিকদের এসডিও’র নির্দেশ, নিয়মিত গাড়ি পাঠাতে হবে ধানক্রয় কেন্দ্রগুলিতে। দিনের প্রথম গাড়ি যেন সকাল সাড়ে দশটার মধ্যে পৌঁছে যায়। কোথাও যেন ধান পড়ে না থাকে।
একইসঙ্গে বিডিও এবং পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতিদের এদিন মহকুমা শাসক জানিয়ে দেন, সহায়কমূল্যে ধান কেনা নিয়ে আরও বেশি করে প্রচারের ব্যবস্থা করতে হবে। রাজ্য সরকার যে চাষির কাছ থেকে কুইন্টাল পিছু ২৩০০ টাকা দরে ধান কিনছে, এটা যত বেশি করে প্রচার হবে, কৃষকরা ফড়েদের কাছে কম দামে ধান বিক্রি করতে চাইবেন না।



