শিবাজী চক্রবর্তী, কলকাতা: উস্কোখুস্কো চুল, খোঁচা খোঁচা দাড়ি। অস্কার ব্রুজোঁর লড়াকু মানসিকতার সঙ্গে দিব্যি মানানসই। অজুহাত দেওয়ার বদলে লাল-হলুদ কোচ সোজাসাপ্টা বিশ্লেষণে বিশ্বাসী। ইমামি ইস্ট বেঙ্গল নিয়ে কতটা আশাবাদী তিনি? ধোঁয়া ওঠা কফির কাপে চুমুক দিয়ে ব্রুজোঁর ছোট্ট মন্তব্য, ‘চাকা ঘুরবেই। ইস্ট বেঙ্গলের সুদিন ফেরা স্রেফ সময়ের অপেক্ষা।’
Advertisement
কঠিন সময়ে তালালদের দায়িত্ব নেন অস্কার। টানা হারের জেরে ফুটবলাররা বিধ্বস্ত। তার উপর ফিটনেস তলানিতে। সমীহ করার বদলে ইস্ট বেঙ্গলকে দেখে তখন করুণা হচ্ছে প্রতিপক্ষের। ব্রুজোঁ হাই-প্রোফাইল কোচ বা ‘প্রফেসর’ নন। বরং সীমিত সামর্থ্য দিয়ে পরিস্থিতি বদলানোর চেষ্টা করেছেন। এএফসি চ্যালেঞ্জ লিগ আর আইএসএল মিলিয়ে শেষ পাঁচ ম্যাচে অপরাজিত মশাল বাহিনী। লালচুংনুঙ্গারা অনেক চনমনে। ব্রুজোঁর ব্যখ্যা, ‘আসল বদল মানসিকতায়। অন্তর থেকে তাগিদ অনুভব করতে হয়। আমার একটাই নীতি। বলের দখল হারালে তা ফের ছিনিয়ে নিতেই হবে।’ কঠিন তত্ত্ব বা মতাদর্শ নয়। বরং মেঠো, খাড়ুশ মন্ত্র সাউলদের রন্ধ্রে প্রবেশ করানোই স্প্যানিশ কোচের কৃতিত্ব।
গত ম্যাচে দুরন্ত ফর্মে থাকা নর্থইস্ট ইউনাইটেডকে বশ মানিয়েছে ইস্ট বেঙ্গল। ঘুরে দাঁড়ানোর ইঙ্গিত? এবার ব্রুজোঁর চোয়াল কঠিন। বললেন, ‘জয়ের ধারাবাহিকতা চাই। ওটাই আসল।’ ব্রুজোঁ ঘরপোড়া গরু। আই লিগে স্পোর্টিং ক্লুব দ্য গোয়া থেকে পদ্মাপারের বসুন্ধরা কিংস— চষে ফেলেছেন উপমহাদেশ। জানেন, সাফল্যই কোচের মাপকাঠি। তাঁর মন্তব্য, ‘আরও নিখুঁত হতে হবে। ক্লোজ মার্কিং চাই। প্রতি-আক্রমণে গতি আনা প্রয়োজন।’ আত্মতুষ্টির নামমাত্র নেই। ব্রুজোঁ যেন বেত হাতে কড়া হেডস্যার। ইস্ট বেঙ্গল স্কোয়াডে তারকার ভিড়। অথচ পারফরম্যান্স পাতে দেওয়ার মতো নয়। লিগ টেবিলে এখনও ১৩ নম্বরে লাল-হলুদ ব্রিগেড। ব্রুজোঁর আপশোস, ‘মহমেডানের বিরুদ্ধে তিন পয়েন্ট মাঠে ফেলে এসেছি। দুটো লাল কার্ড দেখার পর পরিকল্পনার দফারফা। ওড়িশা আর জামশেদপুরের বিরুদ্ধেও নিজেদের দোষে পয়েন্ট নষ্ট হয়েছে।’ কোচিং কেরিয়ারে দীর্ঘদিন বাংলাদেশে কাটিয়েছেন। বঙ্গবন্ধুর দেশে অস্থিরতা তুঙ্গে। হিন্দুদের উপর অত্যাচারে প্রতিবাদ জানিয়েছে ইস্ট বেঙ্গলও। সেই সুরেই গলা মেলালেন ক্লেটনদের কোচ। বললেন, ‘ইস্ট বেঙ্গলের এই আবেগকে সম্মান জানাতেই হয়।’
ডার্বির সকালে কলকাতায় পা রেখেই যুবভারতী ছোটেন অস্কার। এমনকী, চিফ কোচের দায়িত্ব সামলান। ম্যাচ হারলেও তাঁর মানসিকতা প্রশংসিত হয়। কাগজে কলমে দেশের অন্যতম সেরা দল মোহন বাগান। লাল-হলুদ কোচের মন্তব্য, ‘ওরা (মোহন বাগান) দারুণ শক্তিশালী। তবে জীবনের মতো ফুটবল মাঠেও পরিস্থিতি বদলায়। মরগ্যান জমানায় একতরফা আধিপত্য ছিল ইস্ট বেঙ্গলের। চাকা এবারও ঘুরবে।’ পরিস্থিতি পাল্টাতে লাল-হলুদ সমর্থকরা চাতক পাখির মতো তাঁর দিকে তাকিয়ে।
গত ম্যাচে দুরন্ত ফর্মে থাকা নর্থইস্ট ইউনাইটেডকে বশ মানিয়েছে ইস্ট বেঙ্গল। ঘুরে দাঁড়ানোর ইঙ্গিত? এবার ব্রুজোঁর চোয়াল কঠিন। বললেন, ‘জয়ের ধারাবাহিকতা চাই। ওটাই আসল।’ ব্রুজোঁ ঘরপোড়া গরু। আই লিগে স্পোর্টিং ক্লুব দ্য গোয়া থেকে পদ্মাপারের বসুন্ধরা কিংস— চষে ফেলেছেন উপমহাদেশ। জানেন, সাফল্যই কোচের মাপকাঠি। তাঁর মন্তব্য, ‘আরও নিখুঁত হতে হবে। ক্লোজ মার্কিং চাই। প্রতি-আক্রমণে গতি আনা প্রয়োজন।’ আত্মতুষ্টির নামমাত্র নেই। ব্রুজোঁ যেন বেত হাতে কড়া হেডস্যার। ইস্ট বেঙ্গল স্কোয়াডে তারকার ভিড়। অথচ পারফরম্যান্স পাতে দেওয়ার মতো নয়। লিগ টেবিলে এখনও ১৩ নম্বরে লাল-হলুদ ব্রিগেড। ব্রুজোঁর আপশোস, ‘মহমেডানের বিরুদ্ধে তিন পয়েন্ট মাঠে ফেলে এসেছি। দুটো লাল কার্ড দেখার পর পরিকল্পনার দফারফা। ওড়িশা আর জামশেদপুরের বিরুদ্ধেও নিজেদের দোষে পয়েন্ট নষ্ট হয়েছে।’ কোচিং কেরিয়ারে দীর্ঘদিন বাংলাদেশে কাটিয়েছেন। বঙ্গবন্ধুর দেশে অস্থিরতা তুঙ্গে। হিন্দুদের উপর অত্যাচারে প্রতিবাদ জানিয়েছে ইস্ট বেঙ্গলও। সেই সুরেই গলা মেলালেন ক্লেটনদের কোচ। বললেন, ‘ইস্ট বেঙ্গলের এই আবেগকে সম্মান জানাতেই হয়।’
ডার্বির সকালে কলকাতায় পা রেখেই যুবভারতী ছোটেন অস্কার। এমনকী, চিফ কোচের দায়িত্ব সামলান। ম্যাচ হারলেও তাঁর মানসিকতা প্রশংসিত হয়। কাগজে কলমে দেশের অন্যতম সেরা দল মোহন বাগান। লাল-হলুদ কোচের মন্তব্য, ‘ওরা (মোহন বাগান) দারুণ শক্তিশালী। তবে জীবনের মতো ফুটবল মাঠেও পরিস্থিতি বদলায়। মরগ্যান জমানায় একতরফা আধিপত্য ছিল ইস্ট বেঙ্গলের। চাকা এবারও ঘুরবে।’ পরিস্থিতি পাল্টাতে লাল-হলুদ সমর্থকরা চাতক পাখির মতো তাঁর দিকে তাকিয়ে।



