Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬

সদগুরুর অনুষ্ঠানে শিবকুমারের উপস্থিতি ঘিরে কংগ্রেসে বিভাজন

সদগুরুর অনুষ্ঠানে শিবকুমারের উপস্থিতি ঘিরে কংগ্রেসে বিভাজন
  • ২ মার্চ, ২০২৫ ০০:০০
Prefer us on Google
বেঙ্গালুরু (পিটিআই): একদিকে মুখ্যমন্ত্রী সিদ্ধারামাইয়া। অন্যদিকে উপ মুখ্যমন্ত্রী ডি কে শিবকুমার। কর্ণাটকের কুর্সি দখল ঘিরে এই দুই শীর্ষ কংগ্রেস নেতার দড়ি টানাটানি নতুন কিছু নয়। তারই মধ্যে সদগুরু জগ্গি বাসুদেবের ইশা ফাউন্ডেশন আয়োজিত শিবরাত্রির অনুষ্ঠানে শিবকুমারের উপস্থিতি ঘিরে তোলপাড় দক্ষিণের এই রাজ্য। ওই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ থেকে আরএসএসের বহু পদাধিকারী। এরকম একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে শিবকুমার কি পার্টি লাইন ভঙ্গ করেছেন? নাকি গোটাটাই সিদ্ধারামাইয়াকে সরিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর চেয়ার দখলে হাইকমান্ডের উপর চাপ বৃদ্ধির কৌশল? তা নিয়ে চলছে জোর জল্পনা। এরই মধ্যে কোনও কোনও মহলের আশঙ্কা, মুখ্যমন্ত্রীর চেয়ার না পেয়েই সম্ভবত কংগ্রেসের এই ‘ক্রাইসিস ম্যানেজার’ বিজেপির দিকে পা বাড়াচ্ছেন। গুঞ্জন ও জল্পনার মধ্যেই শিবকুমারের এই পদক্ষেপে আড়াআড়ি বিভাজন তৈরি হয়েছে কর্ণাটক কংগ্রেসের অভ্যন্তরে। আর সদগুরুর অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকার সমর্থনে সওয়াল করতে গিয়ে স্বয়ং শিবকুমারের ইঙ্গিতবাহী মন্তব্য—‘আমি আজন্ম হিন্দু। মরবও হিন্দু হিসেবেই!’
Advertisement
গত বুধবার সদগুরু আয়োজিত শিবরাত্রির ওই অনুষ্ঠান হয়েছিল কোয়েম্বাটোরে। সেখানে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি তথা উপ মুখ্যমন্ত্রী শিবকুমারের উপস্থিতি ভালো চোখে দেখছেন না রাজ্যের সমবায় মন্ত্রী কে এন রাজন্ন। তাঁর বক্তব্য, যাঁরা রাহুল গান্ধীর সমালোচনা করেন, তাঁদের সঙ্গে একই মঞ্চে উপস্থিত হয়ে সঠিক কাজ করেননি শিবকুমার। যদিও উপ মুখ্যমন্ত্রীর পাশে দাঁড়িয়েছেন তাঁর দাদা তথা প্রাক্তন কংগ্রেস সাংসদ ডি কে সুরেশ। তাঁর দাবি, পার্টিকে অন্ধকারে রেখে শিবকুমার কোনওদিন কোনও অনুষ্ঠানে যোগ দেননি। তিনি যখন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছিলেন, তখনও হাইকমান্ডকে জানিয়েই গিয়েছিলেন। ইশা ফাউন্ডেশনের শিবরাত্রির অনুষ্ঠানেও হাইকমান্ডকে না জানিয়ে যাননি। আর সদগুরু ব্যক্তিগতভাবে আমন্ত্রণ করেছিলেন বলেই কোয়েম্বাটোরের ওই অনুষ্ঠানে যোগ দেন শিবকুমার। সেখানে তিনি লুকিয়ে যাননি। যদিও কর্ণাটকের পূর্তমন্ত্রী সতীশ জারকিহোলির কণ্ঠে আবার শোনা যায় বিরোধিতার সুর। জারকিহোলি বিরোধিতা করলেও শিবকুমারের সিদ্ধান্তে কোনও অন্যায় দেখছেন না রাজ্যের আরও এক প্রবীণ কংগ্রেস নেতা তথা মন্ত্রী এম বি পাতিল। তাঁর বক্তব্য, শিবকুমার যা করেছেন, তা কোনওভাবেই পার্টির নীতির বিরুদ্ধে নয়।
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ