নয়াদিল্লি: কাউকে বকাবকি করা মানে তাকে আত্মহত্যার জন্য উস্কানি দেওয়া নয়। শুধুমাত্র বকাবকির জন্য কাউকে দোষী সাব্যস্ত করে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া যায় না। এক পড়ুয়ার আত্মহত্যার ঘটনায় অভিযুক্ত ব্যক্তির জামিন মঞ্জুর করে সম্প্রতি এমনই জানাল সুপ্রিম কোর্ট।
নয়াদিল্লি: কাউকে বকাবকি করা মানে তাকে আত্মহত্যার জন্য উস্কানি দেওয়া নয়। শুধুমাত্র বকাবকির জন্য কাউকে দোষী সাব্যস্ত করে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া যায় না। এক পড়ুয়ার আত্মহত্যার ঘটনায় অভিযুক্ত ব্যক্তির জামিন মঞ্জুর করে সম্প্রতি এমনই জানাল সুপ্রিম কোর্ট।
অভিযুক্ত ব্যক্তি একটি স্কুল ও হস্টেলের ইনচার্জ। সম্প্রতি অন্য একজনের অভিযোগের ভিত্তিতে ওই পড়ুয়াকে বকাবকি করেন তিনি। জানা গিয়েছে, এরপরই গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করে ওই পড়ুয়া। এর জেরে আত্মহত্যায় প্ররোচনা দেওয়ার অভিযোগে ওই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করে পুলিস। মাদ্রাজ হাইকোর্টে ওঠে মামলাটি। হাইকোর্ট অভিযুক্তের জামিনের আবেদন খারিজ করে দেয়। এরপর সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হন তিনি। শীর্ষ আদালতে অভিযুক্তের আইনজীবীর বক্তব্য, হস্টেলে কোনও পড়ুয়ার বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠলে ইনচার্জ হিসেবে তা নিয়ে বকাবকি করা, সাবধান করাটা খুবই স্বাভাবিক বিষয়। যাতে ওই পড়ুয়া সতর্ক হয় আর দ্বিতীয়বার একই ভুল না করে। এখানে ব্যক্তিগত আক্রোশের জায়গা নেই। সমস্ত বিষয় শোনার পর মাদ্রাজ হাইকোর্টের নির্দেশ খারিজ করার পাশাপাশি অভিযুক্তের জামিন মঞ্জুর করে শীর্ষ আদালত। বেঞ্চের বক্তব্য, অত্যন্ত সাধারণ বিষয়। কেউ ভাবতেও পারে না যে, সামান্য বকাবকিতে এরকম মৃত্যু ঘটতে পারে। তাই অভিযুক্তকে দোষী সাব্যস্ত করা ঠিক নয়।