Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

অনুমতি ছাড়াই স্কুলপড়ুয়াদের দিয়ে মিছিল, অভিভাবকদের হাতে আটক প্রাক্তন ছাত্র

অনুমতি ছাড়াই স্কুলপড়ুয়াদের দিয়ে মিছিল, অভিভাবকদের হাতে আটক প্রাক্তন ছাত্র
  • ২২ এপ্রিল, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, ময়নাগুড়ি: স্কুলগেটের বাইরে আটকে দিয়ে পড়ুয়াদের মিছিলে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠল স্থানীয় কিছু যুবকের বিরুদ্ধে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ক্ষোভে ফেটে পড়লেন অভিভাবকরা। সোমবার ঘটনাটি ঘটেছে  ময়নাগুড়ির বার্নিশ গ্রাম পঞ্চায়েতের পুটিমারি মথুরামোহন হাইস্কুলে। কার অনুমতিতে পড়ুয়াদের মিছিলে শামিল করানো হল, সেই প্রশ্ন তুলেছেন বাবা-মায়েরা। সেই ক্ষোভে অভিভাবকেরা এক যুবককে আটকে রাখেন। পরবর্তীতে সেই যুবককে পরিবারের লোকের হাতে ছেড়ে দেওয়া হয়। 

Advertisement

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, পুটিমারি মথুরামোহন হাইস্কুলের বেশ কয়েকজন শিক্ষকের চাকরি গিয়েছে। তাঁদের চাকরি বহাল রাখার দাবিতে বেশ কিছু স্থানীয় যুবক স্কুলের ছাত্র-ছাত্রীদের নিয়ে মিছিল করে বলে অভিযোগ। অভিযোগ উঠেছে, সোমবার সকালে যখন ছাত্র-ছাত্রীরা স্কুলে ঢুকছিল, সেই সময় ওই যুবকরা গেটের সামনে দাঁড়িয়ে পড়ে। ছাত্র-ছাত্রীদের জোর করে মিছিল করতে বাধ্য করে।  
অভিভাবক সুবাল রায় বলেন, আমার ছেলে এই স্কুলে ষষ্ঠশ্রেণির পড়ুয়া। আমি অবাক হয়ে যাচ্ছি, ওকে স্কুলে ঢুকতেই দেওয়া হয়নি। ওকে জোর করে মিছিলে হাঁটানো হয়েছে। পড়ুয়াদের মিছিলে নিয়ে যাওয়ার জন্য প্রধান শিক্ষকের অনুমতি নেয়নি। অভিভাবকদের সঙ্গে কথা বলেনি। আমার ছেলে কোনও বিপদে পড়লে দায়িত্ব কে নিত? রতন দেবনাথ নামে অপর অভিভাবক বলেন, আমার ছেলে নবম শ্রেণির পড়ুয়া। তাকেও মিছিলে হাটানো হয়েছে। জোর করে তাকে মিছিলে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। যাতে চাকরি চলে গিয়েছে তাদের বহাল রাখতে হবে এই কথা বলে মিছিল করানো হয়েছে। সে কারণেই আমরা ক্ষোভ দেখেছি। এই ব্যাপারে স্কুলের টিআইসি রণদাপ্রসাদ রায় বলেন, আমরা স্কুলে আসার আগে কয়েকজন যুবক পড়ুয়াদের স্কুলগেটের বাইরে আটকে দিয়েছিল। 
ঘটনাটি আমি পরে জানতে পেরেছি। এই ঘটনা কোনওমতে কাম্য নয়। আমরা থানায় অভিযোগ জানাব। এদের মধ্যে যেই যুবককে অভিভাবকরা আটকে ছিল সে আমাদের স্কুলের প্রাক্তন ছাত্র ছিল। সম্ভবত কারও প্ররোচনায় সে এই কাজ করেছে। অভিভাবকদের হাতে আটক হওয়া যুবকের বক্তব্য, আমাদের স্কুলের অনেক শিক্ষক চাকরি হারানোয় পড়াশোনায় প্রভাব পড়েছে। স্কুলে শিক্ষক প্রয়োজন বলেই এদিনের আন্দোলন। 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ