নিতাই দাস, সিউড়ি: স্বাস্থ্যসাথী প্রকল্পের কাজে এবার থেকে টিএমএস বা ‘ট্রানজাকশন ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম’-এর বদলে ব্যবহৃত হবে ‘ওয়েব বেসড ট্রানজাকশন ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম’ বা ওয়েব টিএমএস। বীরভূম জেলার সিউড়ির এক নার্সিংহোমে ওই ব্যবস্থার ট্রায়াল রান শুরু হয়েছে। আগামী দিনে জেলার ৪৫টি নার্সিংহোমে এই ব্যবস্থা চালু হবে এবং ধীরে ধীরে সরকারি হাসপাতালগুলিতেও তা চালু করা হবে। নয়া এই ব্যবস্থায় স্বাস্থসাথী কার্ড আর সঙ্গে না রাখলেও চলবে রোগীদের। বদলে আধার কার্ডের মাধ্যমেই স্বাস্থ্যসাথীর সুবিধে পাবেন তাঁরা। জেলা স্বাস্থ্যদপ্তরের তরফে জানা গিয়েছে, ওয়েব টিএমএসের মাধ্যমে নার্সিংহোমগুলিতে রোগী ভর্তি এবং ছুটির কাজ করা হবে। কোন রোগী কবে, কোন নার্সিংহোমে ভর্তি হচ্ছেন, কী রোগে আক্রান্ত হয়েছেন, কোন চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে তাঁর চিকিৎসা চলছে, অস্ত্রোপচার হয়েছে কি না, কোন অ্যানাস্থেটিস্ট দায়িত্ব পালন করবেন, নির্দিষ্ট রোগী কোন ওয়ার্ডের, কত নম্বর বেডে ভর্তি রয়েছেন— এই সবকিছুই ওয়েব টিএমএসের মাধ্যমে স্বাস্থ্যদপ্তরের আধিকারিকরা জানতে পারবেন। এই অত্যাধুনিক ব্যবস্থায় আর্টিফিশিয়াল ইনটেলিজেন্স বা এআইয়ের ব্যবহার করা হচ্ছে। তার মাধ্যমে কোনও রোগী জাল আধার কার্ড ব্যবহার করলে তা শনাক্ত করা যাবে। ওয়েব টিএমএসের পাইলট রানে ইতিমধ্যে শহরের একটি নার্সিংহোমে ১০ জন রোগী ভর্তি করা হয়েছে। সেই প্রযুক্তির হাত ধরেই তাঁদের ছুটির বিষয়টিও নিশ্চিত করা হয়েছে। এই অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের জন্য ইতিমধ্যে বেশকিছু নার্সিংহোমের কর্মীদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। জেলা স্বাস্থ্যদপ্তরের এক আধিকারিক জানিয়েছেন, এর ফলে স্বাস্থ্যসাথী কার্ড সংক্রান্ত যে সমস্ত অভিযোগগুলি সামনে আসত, সেগুলি কমবে।



