নিজস্ব প্রতিনিধি, জলপাইগুড়ি: হাসপাতালের নিরাপত্তা খতিয়ে দেখতে মঙ্গলবার জলপাইগুড়ি মেডিক্যালে আসে রাজ্য স্বাস্থ্যদপ্তরের বিশেষ টিম। তাদের পরিদর্শন চলাকালীনই মেডিক্যালের অধীন ‘মাতৃমা’ বিভাগে ‘দালালরাজ’ নিয়ে সরব হন রোগীর পরিজনরা। তাঁদের অভিযোগ, সন্তানসম্ভবাদের ওয়ার্ড থেকে ট্রলিতে শুইয়ে অপারেশন থিয়েটারে নিয়ে যেতে মোটা টাকা দাবি করেন একাংশের কর্মী। সিজারের পর প্রসূতিকে ওয়ার্ডে পৌঁছে দিতেও দাবি করা হয় ৫০০, এক হাজার টাকা। চাহিদামতো টাকা না পেলে রোগী পড়ে থাকেন ঘণ্টার পর ঘণ্টা। চিকিৎসক, নার্সদের বলেও সুরাহা হয় না। রোগীর পরিজনরা স্বাস্থ্যকর্তাদের এনিয়ে নালিশ জানাতে চাইলেও পুলিস তাঁদের হটিয়ে দেয়। জেলা পুলিসের এক কর্তার নির্দেশে অভিযোগকারীদের হাসপাতাল চত্বর থেকেই কার্যত বের করে দেওয়া হয়। এনিয়ে আলোড়ন ছড়িয়েছে। যদিও মেডিক্যালের মাতৃমা বিভাগে ভর্তি থাকা রোগীর পরিজনরা প্রতীক্ষালয়ের অভাবে হাসপাতালের বাইরে রাস্তার পাশে যেভাবে দিনরাত থাকেন, তা এদিন নজর এড়ায়নি রাজ্য স্বাস্থ্যকর্তাদের। তাঁরা নিজেরাই ওই ‘দুর্বিষহ’ অবস্থার ছবি মোবাইলে বন্দি করেন।
Advertisement
পরিদর্শন শেষে টিমের নেতৃত্বে থাকা স্বাস্থ্যদপ্তরের যুগ্ম সচিব বহ্নিশিখা দে বলেন, নিরাপত্তা সহ সবটা দেখেছি আমরা। সবার সঙ্গে কথা বলেছি। কিছু অভ্যন্তরীণ নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বাকিটা ঠিকই আছে।
মাতৃমা বিভাগে রোগীর পরিজনদের কাছ থেকে টাকা চাওয়ার অভিযোগ প্রসঙ্গে মেডিক্যালের সুপার ডাঃ কল্যাণ খাঁ বলেন, মাঝেমধ্যেই এমন অভিযোগ শোনা যায়। আমরা বলেছি, রোগীর পরিবার লিখিত অভিযোগ করুক। সঙ্গে সঙ্গে অভিযুক্ত কর্মীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। প্রয়োজনে রোগীর পরিবার যে টাকা দিয়েছে, তা ফেরত পাইয়ে দেওয়ারও ব্যবস্থা করব আমরা। সরকারি হাসপাতালে কোথাও, কাউকে টাকা দিতে হয় না। যে বা যারা এসব করছে, তাদের আমরা চিহ্নিত করার চেষ্টা করছি।
মাতৃমা বিভাগের সামনে রাস্তার উপর রোগীর পরিজনদের অপেক্ষা করা নিয়ে মেডিক্যাল সুপারের দাবি, যে প্রতীক্ষালয় রয়েছে, সেখানে সবার জায়গা হচ্ছে না। আমরা প্রতীক্ষালয় সম্প্রসারণ করব। - নিজস্ব চিত্র।
মাতৃমা বিভাগে রোগীর পরিজনদের কাছ থেকে টাকা চাওয়ার অভিযোগ প্রসঙ্গে মেডিক্যালের সুপার ডাঃ কল্যাণ খাঁ বলেন, মাঝেমধ্যেই এমন অভিযোগ শোনা যায়। আমরা বলেছি, রোগীর পরিবার লিখিত অভিযোগ করুক। সঙ্গে সঙ্গে অভিযুক্ত কর্মীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। প্রয়োজনে রোগীর পরিবার যে টাকা দিয়েছে, তা ফেরত পাইয়ে দেওয়ারও ব্যবস্থা করব আমরা। সরকারি হাসপাতালে কোথাও, কাউকে টাকা দিতে হয় না। যে বা যারা এসব করছে, তাদের আমরা চিহ্নিত করার চেষ্টা করছি।
মাতৃমা বিভাগের সামনে রাস্তার উপর রোগীর পরিজনদের অপেক্ষা করা নিয়ে মেডিক্যাল সুপারের দাবি, যে প্রতীক্ষালয় রয়েছে, সেখানে সবার জায়গা হচ্ছে না। আমরা প্রতীক্ষালয় সম্প্রসারণ করব। - নিজস্ব চিত্র।



