সংবাদদাতা, কাটোয়া: আউশগ্রাম-১ ব্লকে লোকসংখ্যা বাড়ছে। সে তুলনায় ব্লকের স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলিতে চিকিৎসক সংখ্যা কম। কোনও স্বাস্থ্যকেন্দ্র ঝোপজঙ্গলে ভর্তি। কোথাও আবার রোগীদের দীর্ঘ লাইন। তাই রোগী এলেই ‘রেফার’ করে দেওয়া নিয়ম হয়ে দাঁড়িয়েছে। হাল কবে ফিরবে, সেই আশাতেই রয়েছেন গ্রামের বাসিন্দারা।
Advertisement
আউশগ্রাম-১ ব্লকে ২০১১ সালের আদমশুমারি অনুযায়ী লোকসংখ্যা ছিল ১ লক্ষ ১৯ হাজার ৩৬৩ জন। পুরুষের সংখ্যা ছিল ৫১ শতাংশ ও মহিলার সংখ্যা ৪৯ শতাংশ ছিল। চোদ্দ বছরে জনসংখ্যা অনেকটাই বেড়েছে। কিন্তু চিকিৎসা পরিষেবা সেই পুরনো ধাঁচেই রয়েছে। লোকসংখ্যা বাড়লেও স্বাস্থ্যকেন্দ্রে পর্যাপ্ত চিকিৎসকের অভাব রয়েছে।
বাসিন্দারা জানান, জঙ্গলমহলের আদিবাসী এলাকায় স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলি বেহাল হলেও গ্রামের মানুষ এখনও স্বাস্থ্যকেন্দ্রের উপরেই ভরসা করেন। কিন্তু চিকিৎসা পরিষেবা পেতে হিমশিম খেতে হয় তাঁদের।
আউশগ্রাম-১ ব্লকে বননবগ্রাম ব্লক স্বাস্থ্যকেন্দ্রের অধীনে তিনটি প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্র রয়েছে গুসকরা, উক্তা ও দিগনগরে। তিনটিতেই চিকিৎসার পরিকাঠামো বেহাল হয়ে পড়েছে। বননবগ্রাম ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে মাত্র দু’জন চিকিৎসক আউটডোর সামলান। একজন চিকিৎসক ইমার্জেন্সি সামলান। আউটডোরে মাসে গড়ে প্রায় ৩৫০ থেকে ৪০০ জন রোগী আসেন। তাঁদের হিমশিম খেতে হয়। সেখানকার চিকিৎসক শেখ ওমর ফারুক বলেন, এভাবেই প্রতিদিন আমাদের চালাতে হয়।
অথচ এই স্বাস্থ্যকেন্দ্রের উপর নির্ভরশীল করটিয়া, আউশগ্রাম, বননবগ্রাম, ওয়ারিশপুর সহ বহু গ্রাম। আউশগ্রাম-১ ব্লকের বিএমওএইচ জয়ব্রত বিশ্বাস বলেন, আমাদের পরিকাঠামোগত যা দরকার সবই ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। পূর্ব বর্ধমান জেলার সিএমওএইচ জয়ারাম হেমব্রম বলেন, রাজ্যে চিকিৎসক নতুন করে নিয়োগ হলেই গ্রামীণ স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলিতে দেওয়া হবে। আর বেহাল ভবনগুলির সংস্কার নিয়ে রাজ্য স্বাস্থ্যভবনে প্রস্তাব পাঠানো রয়েছে। চতুর্থ শ্রেণির কর্মীর খুবই অভাব স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলিতে।
গুসকরা শহরের প্রায় ৪০ হাজার মানুষ বাস করেন। স্বাস্থ্য পরিষেবা বলতে শহরে একটিই মাত্র প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্র আছে। ওই প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ৩ জন চিকিৎসক ও ৬ জন নার্স রয়েছেন। প্রতিদিন গড়ে বহির্বিভাগে ২৫০ থেকে ৩৫০ জন রোগী চিকিৎসা করান। বছরে প্রায় ৩০০ জন প্রসূতির নর্মাল ডেলিভারি করানো হয়, যা জেলার অন্যান্য প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রেগুলির থেকে বেশি। গুসকরা শহর ছাড়াও আশপাশের মঙ্গলকোট, ভাতার, বীরভূমের একাংশ বাসিন্দাদের মূল ভরসা এই একটিই প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্র। বড় কিছু রোগ দেখলেই বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। গরিব মানুষদের মোটা টাকা খরচ করে গাড়ি ভাড়া দিয়ে বর্ধমানে ছুটতে হয় চিকিৎসা পরিষেবার জন্য। আউশগ্রাম-১ পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি তাপস মুখোপাধ্যায় বলেন, আমরা স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলির হাল ফেরানোর জন্য সচেষ্ট হব।
বাসিন্দারা জানান, জঙ্গলমহলের আদিবাসী এলাকায় স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলি বেহাল হলেও গ্রামের মানুষ এখনও স্বাস্থ্যকেন্দ্রের উপরেই ভরসা করেন। কিন্তু চিকিৎসা পরিষেবা পেতে হিমশিম খেতে হয় তাঁদের।
আউশগ্রাম-১ ব্লকে বননবগ্রাম ব্লক স্বাস্থ্যকেন্দ্রের অধীনে তিনটি প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্র রয়েছে গুসকরা, উক্তা ও দিগনগরে। তিনটিতেই চিকিৎসার পরিকাঠামো বেহাল হয়ে পড়েছে। বননবগ্রাম ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে মাত্র দু’জন চিকিৎসক আউটডোর সামলান। একজন চিকিৎসক ইমার্জেন্সি সামলান। আউটডোরে মাসে গড়ে প্রায় ৩৫০ থেকে ৪০০ জন রোগী আসেন। তাঁদের হিমশিম খেতে হয়। সেখানকার চিকিৎসক শেখ ওমর ফারুক বলেন, এভাবেই প্রতিদিন আমাদের চালাতে হয়।
অথচ এই স্বাস্থ্যকেন্দ্রের উপর নির্ভরশীল করটিয়া, আউশগ্রাম, বননবগ্রাম, ওয়ারিশপুর সহ বহু গ্রাম। আউশগ্রাম-১ ব্লকের বিএমওএইচ জয়ব্রত বিশ্বাস বলেন, আমাদের পরিকাঠামোগত যা দরকার সবই ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। পূর্ব বর্ধমান জেলার সিএমওএইচ জয়ারাম হেমব্রম বলেন, রাজ্যে চিকিৎসক নতুন করে নিয়োগ হলেই গ্রামীণ স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলিতে দেওয়া হবে। আর বেহাল ভবনগুলির সংস্কার নিয়ে রাজ্য স্বাস্থ্যভবনে প্রস্তাব পাঠানো রয়েছে। চতুর্থ শ্রেণির কর্মীর খুবই অভাব স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলিতে।
গুসকরা শহরের প্রায় ৪০ হাজার মানুষ বাস করেন। স্বাস্থ্য পরিষেবা বলতে শহরে একটিই মাত্র প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্র আছে। ওই প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ৩ জন চিকিৎসক ও ৬ জন নার্স রয়েছেন। প্রতিদিন গড়ে বহির্বিভাগে ২৫০ থেকে ৩৫০ জন রোগী চিকিৎসা করান। বছরে প্রায় ৩০০ জন প্রসূতির নর্মাল ডেলিভারি করানো হয়, যা জেলার অন্যান্য প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রেগুলির থেকে বেশি। গুসকরা শহর ছাড়াও আশপাশের মঙ্গলকোট, ভাতার, বীরভূমের একাংশ বাসিন্দাদের মূল ভরসা এই একটিই প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্র। বড় কিছু রোগ দেখলেই বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। গরিব মানুষদের মোটা টাকা খরচ করে গাড়ি ভাড়া দিয়ে বর্ধমানে ছুটতে হয় চিকিৎসা পরিষেবার জন্য। আউশগ্রাম-১ পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি তাপস মুখোপাধ্যায় বলেন, আমরা স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলির হাল ফেরানোর জন্য সচেষ্ট হব।



