সংবাদদাতা, রামপুরহাট: ব্লকস্তর এবং মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মাঝে রামপুরহাট স্বাস্থ্যজেলায় আরও একটি স্টেট জেনারেল, মহকুমা বা জেলা হাসপাতাল নির্মাণের প্রস্তাব দিল মেডিক্যাল কর্তৃপক্ষ। সম্প্রতি বর্ধমানে রাজ্য সরকারের প্রতিনিধির সঙ্গে নিরাপত্তা সংক্রান্ত বৈঠকে এমনই প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।
Advertisement
যত দিন যাচ্ছে রামপুরহাট মেডিক্যালে রোগীর চাপ বাড়ছে। বেড অপ্রতুল হওয়ায় অগত্যা একটি বেডে দুটি রোগী, কোথাও রোগীদের ওয়ার্ডের মেঝেতে বা করিডরে রেখে চলে চিকিৎসা। তাঁদের ডিঙিয়েই যাতায়াত করতে হয় চিকিৎসক, নার্স থেকে ওয়ার্ড বয়দের। ভিজিটিং আওয়ার্সে বাড়ির লোকজন এসে ভর্তি থাকা আত্মীয় পরিজনদের সঙ্গে যে দাঁড়িয়ে কথা বলবেন, তার উপায় থাকে না। এর কারণ ব্লক হাসপাতাল ছাড়াও সিউড়ি ও বোলপুর হাসপাতাল থেকে রোগী এখানে রেফার হয়ে আসছেন।
আগে রামপুরহাট মহকুমা হাসপাতাল থাকাকালীন ৩২৬টি শয্যা ছিল। তৃণমূল সরকার ক্ষমতায় আসার পরই এই হাসপাতাল চত্বরে পাঁচতলা ঝাঁ চকচকে সুপারস্পেশালিটি হাসপাতাল গড়ে ওঠে। সেই সঙ্গে বেড এক লাফে বাড়ানো হয় তিনশো। ২০১৯ সালে এই এই সুপারস্পেশালিটি হাসপাতালকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠে মেডিক্যাল কলেজ। এরপর থেকেই রোগীর চাপ বাড়তে থাকে। বর্তমানে ভর্তি হওয়া রোগীদের বেড দিতে পারছে না মেডিক্যাল কর্তৃপক্ষ। অগত্যা একটি বেডে দু’জন রোগী অথবা ওয়ার্ডের ভিতরে ও করিডরের মেঝেতে ঠাঁই হচ্ছে রোগীদের। তা কোনও কোনও সময় সিঁড়ি পর্যন্ত চলে আসছে।
কর্তৃপক্ষের মতে, স্বাস্থ্য পরিষেবা তিনটি স্তরে দেওয়া হয়। প্রাথমিক, সেকেন্ডারি এবং মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল। নিয়মানুযায়ী, মেডিক্যালে শুধু রেফার রোগী আসবেন। কিন্তু এখানে রেফারের পাশাপাশি নিত্যদিন রামপুরহাট ও তৎসহ এলাকার রোগী সরাসরি এখানে এসে ভর্তি হচ্ছেন। তার উপরে রয়েছে লাগোয়া ঝাড়খণ্ড ও মুর্শিদাবাদের রোগীর চাপ। তাই এখানে যদি স্টেট জেনারেল, সাব ডিভিশনাল বা জেলা হাসপাতাল থাকলে এই রোগীরা সেখানে ভর্তি পারতেন। এই স্তরেও বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা থাকবেন। এছাড়া রামপুরহাট স্বাস্থ্যজেলা। এখানে জেলা হাসপাতাল থাকা উচিত। সেটা না থাকার ফলে মেডিক্যালে অত্যাধিক রোগীর চাপ। ব্লক হাসপাতাল রেফার করলেও মাঝে কোনও মহকুমা বা জেলা হাসপাতাল না থাকায় সরাসরি মেডিক্যালে পাঠিয়ে দিচ্ছে। এখানেও চিকিৎসক ও নার্সের ঘাটতি রয়েছে। কিছু ক্ষেত্রে পরিষেবা না পাওয়ায় ক্ষোভ বিক্ষোভ হচ্ছে।
মেডিক্যালের এক কর্তৃপক্ষ উদাহারণ দিয়ে বলেন, যেমন ডানলপের বাসিন্দাদের জন্য বরানগর স্টেট জেনারেল সহ আরও একটি হাসপাতাল রয়েছে। সেখানকার চিকিৎসক যখন পারছেন না তখন আর জি কর বা সাগর দত্ত মেডিক্যালে রেফার করছেন। এই সুবিধা রামপুরহাট স্বাস্থ্যজেলায় নেই। অধ্যক্ষ করবী বড়াল বলেন, হাসপাতালে রোগীর চাপ কমাতে এই স্বাস্থ্যজেলায় আরও একটি হাসপাতাল প্রয়োজন। সেই প্রস্তাবই দেওয়া হয়েছে। এতে মেডিক্যালের পরিষেবার মানও অনেকটা বেড়ে যাবে।
এদিকে স্বাস্থ্যজেলা সূত্রে জানা গিয়েছে, অনেক দিন আগেই মুরারই ব্লক হাসপাতালকে স্টেট জেনারেল হাসপাতাল স্তরে উন্নীত করার অনুমোদন হয়ে আছে। পরিকাঠামোগত উন্নয়নের জন্য ডিপিআর করে অর্থ চেয়ে স্বাস্থ্যভবনে পাঠানো হয়েছে। কিন্তু এখনও বরাদ্দ আসেনি। সিএমওএইচ শোভন দে বলেন, রামপুরহাট থেকে রোগী তো মুরারই যাবে না। তবে মুরারই স্টেট জেনারেল হাসপাতাল হলে নলহাটি ১, ২ মুরারই ১ ও ২ ব্লক এবং লাগোয়া মুর্শিদাবাদ ও ঝাড়খণ্ডের রোগী এখান থেকে পরিষেবা পাবেন। সেক্ষেত্রে মেডিক্যালের ওপর চাপ অনেকটা কমে আসবে।
আগে রামপুরহাট মহকুমা হাসপাতাল থাকাকালীন ৩২৬টি শয্যা ছিল। তৃণমূল সরকার ক্ষমতায় আসার পরই এই হাসপাতাল চত্বরে পাঁচতলা ঝাঁ চকচকে সুপারস্পেশালিটি হাসপাতাল গড়ে ওঠে। সেই সঙ্গে বেড এক লাফে বাড়ানো হয় তিনশো। ২০১৯ সালে এই এই সুপারস্পেশালিটি হাসপাতালকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠে মেডিক্যাল কলেজ। এরপর থেকেই রোগীর চাপ বাড়তে থাকে। বর্তমানে ভর্তি হওয়া রোগীদের বেড দিতে পারছে না মেডিক্যাল কর্তৃপক্ষ। অগত্যা একটি বেডে দু’জন রোগী অথবা ওয়ার্ডের ভিতরে ও করিডরের মেঝেতে ঠাঁই হচ্ছে রোগীদের। তা কোনও কোনও সময় সিঁড়ি পর্যন্ত চলে আসছে।
কর্তৃপক্ষের মতে, স্বাস্থ্য পরিষেবা তিনটি স্তরে দেওয়া হয়। প্রাথমিক, সেকেন্ডারি এবং মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল। নিয়মানুযায়ী, মেডিক্যালে শুধু রেফার রোগী আসবেন। কিন্তু এখানে রেফারের পাশাপাশি নিত্যদিন রামপুরহাট ও তৎসহ এলাকার রোগী সরাসরি এখানে এসে ভর্তি হচ্ছেন। তার উপরে রয়েছে লাগোয়া ঝাড়খণ্ড ও মুর্শিদাবাদের রোগীর চাপ। তাই এখানে যদি স্টেট জেনারেল, সাব ডিভিশনাল বা জেলা হাসপাতাল থাকলে এই রোগীরা সেখানে ভর্তি পারতেন। এই স্তরেও বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা থাকবেন। এছাড়া রামপুরহাট স্বাস্থ্যজেলা। এখানে জেলা হাসপাতাল থাকা উচিত। সেটা না থাকার ফলে মেডিক্যালে অত্যাধিক রোগীর চাপ। ব্লক হাসপাতাল রেফার করলেও মাঝে কোনও মহকুমা বা জেলা হাসপাতাল না থাকায় সরাসরি মেডিক্যালে পাঠিয়ে দিচ্ছে। এখানেও চিকিৎসক ও নার্সের ঘাটতি রয়েছে। কিছু ক্ষেত্রে পরিষেবা না পাওয়ায় ক্ষোভ বিক্ষোভ হচ্ছে।
মেডিক্যালের এক কর্তৃপক্ষ উদাহারণ দিয়ে বলেন, যেমন ডানলপের বাসিন্দাদের জন্য বরানগর স্টেট জেনারেল সহ আরও একটি হাসপাতাল রয়েছে। সেখানকার চিকিৎসক যখন পারছেন না তখন আর জি কর বা সাগর দত্ত মেডিক্যালে রেফার করছেন। এই সুবিধা রামপুরহাট স্বাস্থ্যজেলায় নেই। অধ্যক্ষ করবী বড়াল বলেন, হাসপাতালে রোগীর চাপ কমাতে এই স্বাস্থ্যজেলায় আরও একটি হাসপাতাল প্রয়োজন। সেই প্রস্তাবই দেওয়া হয়েছে। এতে মেডিক্যালের পরিষেবার মানও অনেকটা বেড়ে যাবে।
এদিকে স্বাস্থ্যজেলা সূত্রে জানা গিয়েছে, অনেক দিন আগেই মুরারই ব্লক হাসপাতালকে স্টেট জেনারেল হাসপাতাল স্তরে উন্নীত করার অনুমোদন হয়ে আছে। পরিকাঠামোগত উন্নয়নের জন্য ডিপিআর করে অর্থ চেয়ে স্বাস্থ্যভবনে পাঠানো হয়েছে। কিন্তু এখনও বরাদ্দ আসেনি। সিএমওএইচ শোভন দে বলেন, রামপুরহাট থেকে রোগী তো মুরারই যাবে না। তবে মুরারই স্টেট জেনারেল হাসপাতাল হলে নলহাটি ১, ২ মুরারই ১ ও ২ ব্লক এবং লাগোয়া মুর্শিদাবাদ ও ঝাড়খণ্ডের রোগী এখান থেকে পরিষেবা পাবেন। সেক্ষেত্রে মেডিক্যালের ওপর চাপ অনেকটা কমে আসবে।



