সংবাদদাতা, নবদ্বীপ: রাস্তার আলোর জন্য কয়েক বছর আগে প্রায় তিনশোর বেশি সোলার ল্যাম্প লাগিয়েছিল তৃণমূল পরিচালিত স্বরূপগঞ্জ পঞ্চায়েত। বর্তমানে সেই লাইটগুলির অধিকাংশই অকেজো হয়ে পড়ে আছে। অভিযোগ, দেখভালের অভাবে বহু লাইট জ্বলছে না। কোনও কোনওলাইট একবছরেরও বেশি অকেজো। কোথাও টিমটিম করে জ্বলছে। আবার কোথাও সন্ধেবেলায় কিছুক্ষণ জ্বলার পরে নিভে যায়।
Advertisement
স্থানীয়রা জানান, নবদ্বীপ স্বরূপগঞ্জ পঞ্চায়েতের ফকিরতলা থেকে রেল বাজার পুরনো রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংক, চরস্বরূপগঞ্জ, ফকিরতলা মোড় থেকে বাগানে পাড়া হয়ে ট্যাংরা, মহেশগঞ্জ গ্রাম, গাদিগাছা, বিপ্রনগর, নেহরুনগর, তিওরখালি সহ বিভিন্ন এলাকায় প্রায় তিনশোর বেশি সোলার লাইট লাগানো হয়েছিল। বর্তমানে বিজেপি পরিচালিত পঞ্চায়েত সেই লাইটগুলি ঠিকমতো দেখভাল না করায় পঞ্চায়েতের বিভিন্ন এলাকার অধিকাংশ লাইটই রাতে জ্বলে না। সন্ধ্যা নামতেই কিছু এলাকায় অন্ধকার থাকে এবং দিনের পর দিন বিভিন্ন অসামাজিক কাজকর্ম বাড়তে থাকে। কিছু এলাকায় আবার লাইট সারানোর নাম করে বাতি খুলে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। তারপর বাতিগুলি আর লাগানো হয়নি বলে অভিযোগ। আলো নাজ্বলায় সন্ধ্যার পর পঞ্চায়েতের বেশ কিছু রাস্তা দিয়ে যাতায়াত করতে সমস্যায় পড়তে হচ্ছে মানুষকে। বিজেপি পরিচালিত ওই পঞ্চায়েতকে বিষয়টি বারবার জানিয়েও কোনও সুরাহা হচ্ছে না।
স্বরূপগঞ্জ পঞ্চায়েতের প্রাক্তন প্রধান তৃণমূলের সিরাজুল শেখ বলেন, ২০২০ সাল থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত বিভিন্ন এলাকায় প্রায় চল্লিশ লক্ষ টাকা ব্যয়ে ৩০০টির বেশি সোলার লাইট বসানো হয়েছিল। লাইটের প্যানেলগুলিতে ধুলোবালি পড়ে চার্জ হচ্ছে না। প্যানেলগুলিকে পরিষ্কার করতে হয়, তারপরে সূর্যের আলোয় সেগুলো চার্জ হয়। সেই লাইটগুলি চার্জ হলে তবেই তো আলো জ্বলবে। বেশকিছু লাইটের কমজোরি ব্যাটারিগুলি পরিবর্তন করাটাও দরকার।
মহেশগঞ্জ বাগানপাড়ার বাসিন্দা প্রেমানন্দ ঘোষ বলেন, লাইটগুলি না জ্বলারমূল কারণ দেখভালের অভাব।যদি পঞ্চায়েত থেকে ঠিকমতো দেখভাল করা হতো তাহলে লাইটগুলো জ্বলতো। পঞ্চায়েতকে বারবার জানিয়েছি, ওঁরা প্রতিশ্রুতিও দিয়েছেন। কিন্তু কাজের কাজ কিছু হয়নি।
নবদ্বীপ স্বরূপগঞ্জ পঞ্চায়েতের বিজেপির উপপ্রধান কানাই দাস বলেন, এই সোলার লাইটগুলি পরিকল্পনা মাফিক সঠিক মেটিরিয়ালস দিয়ে এবং শিডিউল মেনে করা হয়নি। এই কাজগুলি নিজের লোককে পাইয়ে দিতে গিয়ে কাজের গুণগত মান দেখা হয়নি। এ বিষয়ে অনেক অভিযোগ পেয়েছি। আমরা পঞ্চায়েতের সদস্যদের থেকে জানতে চেয়েছি, কোথায় কোথায় আলোখারাপ হয়ে পড়ে আছে। সেগুলো তারা জানালে দ্রুত সারাইয়ের ব্যবস্থা করা হবে। সেজন্য নির্দিষ্ট টাকা ধরাও থাকে।
স্বরূপগঞ্জ পঞ্চায়েতের প্রাক্তন প্রধান তৃণমূলের সিরাজুল শেখ বলেন, ২০২০ সাল থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত বিভিন্ন এলাকায় প্রায় চল্লিশ লক্ষ টাকা ব্যয়ে ৩০০টির বেশি সোলার লাইট বসানো হয়েছিল। লাইটের প্যানেলগুলিতে ধুলোবালি পড়ে চার্জ হচ্ছে না। প্যানেলগুলিকে পরিষ্কার করতে হয়, তারপরে সূর্যের আলোয় সেগুলো চার্জ হয়। সেই লাইটগুলি চার্জ হলে তবেই তো আলো জ্বলবে। বেশকিছু লাইটের কমজোরি ব্যাটারিগুলি পরিবর্তন করাটাও দরকার।
মহেশগঞ্জ বাগানপাড়ার বাসিন্দা প্রেমানন্দ ঘোষ বলেন, লাইটগুলি না জ্বলারমূল কারণ দেখভালের অভাব।যদি পঞ্চায়েত থেকে ঠিকমতো দেখভাল করা হতো তাহলে লাইটগুলো জ্বলতো। পঞ্চায়েতকে বারবার জানিয়েছি, ওঁরা প্রতিশ্রুতিও দিয়েছেন। কিন্তু কাজের কাজ কিছু হয়নি।
নবদ্বীপ স্বরূপগঞ্জ পঞ্চায়েতের বিজেপির উপপ্রধান কানাই দাস বলেন, এই সোলার লাইটগুলি পরিকল্পনা মাফিক সঠিক মেটিরিয়ালস দিয়ে এবং শিডিউল মেনে করা হয়নি। এই কাজগুলি নিজের লোককে পাইয়ে দিতে গিয়ে কাজের গুণগত মান দেখা হয়নি। এ বিষয়ে অনেক অভিযোগ পেয়েছি। আমরা পঞ্চায়েতের সদস্যদের থেকে জানতে চেয়েছি, কোথায় কোথায় আলোখারাপ হয়ে পড়ে আছে। সেগুলো তারা জানালে দ্রুত সারাইয়ের ব্যবস্থা করা হবে। সেজন্য নির্দিষ্ট টাকা ধরাও থাকে।



