সংবাদদাতা,মেদিনীপুর: সবংয়ের তেমাথানিতে সৌন্দর্যায়নের কাজে পূর্ত দপ্তরের অনুমতি মিলল। ব্লক প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে দপ্তরের সচিব জেলা শাসককে চিঠি দিয়ে এই কাজে তাদের কোনও আপত্তি নেই বলে জানিয়ে দিয়েছে। ওই সূত্রের খবর মন্ত্রী মানস ভুঁইয়ার উদ্যোগে তেমাথানি সৌন্দর্যায়নের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এই অনুমতি পাওয়ার পর তেমাথানি বাজারে থাকা সমস্ত দোকান, বাজার, পল্লিশ্রী রাইসমিলের জমিতে উঠে গেল। জেলাপরিষদের কর্মাধ্যক্ষ আবুকালাম বক্স বলেন, এর ফলে কাজ করার আর কোনও সমস্যা থাকল না। ব্যবসায়ীরা স্বেচ্ছায় উঠে গিয়ে এই কাজে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন। এখানে সৌন্দর্যায়নের পাশাপাশি মণিষীদের মূর্তিও বসানো হবে। ব্লক প্রশাসনের এক আধিকারিক বলেন, দ্রুত কাজ শুরু করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। ইতিমধ্যেই ওই এলাকায় অত্যাধুনিক বিশ্রামাগার নির্মাণের কাজ শুরু হয়েছে। কর্মাধ্যক্ষ বলেন, এই কাজের জন্য ৯৪ লক্ষ টাকা বরাদ্দ হয়েছে। এই টাকায় বাতানুকুল বিশ্রামাগার, শৌচাগার, ঠাণ্ডা জলের কল বসানো হচ্ছে। প্রসঙ্গত, তেমাথানি ছুঁয়ে দিঘা, কাঁটাখালি, ডেবরা, বালিচক, নারায়ণগড়ের মকরামপুর রুটের বাস চলাচল করে। এই সব রুটের যাত্রীরা তেমাথানি মোড় থেকে বাসে ওঠানামা করেন। যাত্রীদের ভিড় লেগেই থাকে। বিশ্রামাগার হয়ে গেলে এই সব রুটের যাত্রীরা উপকৃত হবেন। বিশ্রামাগারে বসেই কোন রুটের বাস কখন এসে পৌঁছাবে, ছাড়বে সবই যাত্রীরা জানতে পারবেন। তার জন্য আর খোলা রাস্তায় অপেক্ষা করতে হবে না।



