নিজস্ব প্রতিনিধি, রায়গঞ্জ: স্বনির্ভর গোষ্ঠীগুলির পাশে দাঁড়িয়ে তাদের ব্যবসায় শ্রীবৃদ্ধির টার্গেট নিয়ে এগোচ্ছে প্রশাসন। তার জন্য ব্যাঙ্কের সঙ্গে আলোচনা করে লাগাতার ঋণ পাইয়ে দেওয়ার কাজ চলছে। এর ফলও মিলেছে হাতেনাতে। স্বনির্ভর গোষ্ঠীগুলিকে ঋণ দেওয়ার নিরিখে উত্তর দিনাজপুর জেলা রাজ্যের মধ্যে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে। এর জন্য রাজ্যস্তরের প্রশংসাও পেয়েছে জেলা প্রশাসন। জানা গিয়েছে, এ ক্ষেত্রেও পুরস্কৃত হয়েছে উত্তর দিনাজপুর জেলা।
Advertisement
গত কয়েক বছর ধরে জেলার স্বনির্ভর গোষ্ঠীগুলির আয় বাড়াতে তৎপরতা বেড়েছে। এর জন্য বিভিন্ন ধরনের হাতের কাজ সহ নানা ব্যাপারে উৎসাহ দেওয়া হয়েছে। তবে আয় বাড়াতে ব্যাঙ্ক থেকে ঋণ নেওয়ার প্রয়োজন পড়ে। এক্ষেত্রে প্রশাসন রীতিমতো সমন্বয় রেখে যতটা বেশি সংখ্যক গোষ্ঠীকে ঋণ পাইয়ে দেওয়ার চেষ্টা করে, দক্ষতা বৃদ্ধির প্রশিক্ষণ দেয়। প্রশাসনের হিসেব বলছে ৯৮ টি সংঘের অধীনে ৪৩ হাজার স্বনির্ভর গোষ্ঠী সক্রিয় রয়েছে জেলায়। এরই মধ্যে থেকে নতুন, পুরনো গোষ্ঠীগুলিকে ঋণ দেওয়ার কাজ হয়েছে। উত্তর দিনাজপুরের জেলাশাসক সুরেন্দ্র কুমার মিনা বলেন, চলতি অর্থবর্ষে মোট ২৮ হাজার ৯২টি গোষ্ঠীকে ৫১৫.৮৫ কোটি টাকা ঋণ দেওয়া হয়েছে। আর এই পরিসংখ্যানের নিরিখেই রাজ্যের মধ্যে দ্বিতীয় স্থান পেয়েছে জেলা। এতে যেমন গোষ্ঠীগুলি নিজেদের উদ্যোগকে চাঙ্গা করার সুযোগ পেল। প্রশাসনও ওদের এগিয়ে দিতে পেরে খুশি হয়েছে।
জেলা প্রশাসন সূত্রে খবর, তুলাইপাঞ্জি চাষ করা, বাঁশ, কাঠের গৃহসজ্জার সামগ্রী, কার্পেট, হলুদ, ইত্যাদি নানা সামগ্রী তৈরি ও বিক্রি করে ধীরে ধীরে আয় বাড়াচ্ছে জেলার স্বনির্ভর গোষ্ঠীগুলি। দিন দিন দক্ষতার সঙ্গে সর্বত্র নিজেদের সুনাম বাড়াচ্ছেন মেয়েরা। কিছুদিন আগেও দার্জিলিংয়ে আয়োজিত সরস মেলায় অংশ নেয় এখানকার গোষ্ঠীগুললি। সেখানে তুলাইপাঞ্জি ছাড়াও গোয়ালপোখর-১ ব্লকের উৎকৃষ্ট হলুদ গিয়েছিল। চোপড়ার গোষ্ঠীগুলি নিয়ে গিয়েছিল মাশরুমের আচার। জেলার অন্যতম খাদ্য সামগ্রী ডালের বড়ি, বাঁশ ও কাঠের তৈরি বিভিন্ন গৃহসজ্জার সামগ্রীও। কালিয়াগঞ্জের মালগাঁও এলাকার হাতে তৈরি কার্পেটও ছিল মেলায়। জেলার এক আধিকারিকদের কথায়, শুধু সামগ্রী নয়, মেলা নিজেদের সামগ্রী বিক্রির জন্য প্রশিক্ষণও দরকার লাগে। যা লাগাতার এখানকার গোষ্ঠীগুলিকে আর্থিকভাবে স্বনির্ভর করে তুলতে সাহায্য করছে। দার্জিলিংয়ের ওই সরস মেলাতেই প্রায় ১৩ লাখ টাকার সামগ্রী বিক্রি করেছে স্বনির্ভর গোষ্ঠীগুলিকে। এছাড়াও আয় বাড়াতে নানা কাজে যুক্ত করা হচ্ছে স্বনির্ভর গোষ্ঠীগুলিকে। কয়েক লক্ষ স্কুল পড়ুয়ার জন্য স্কুলের পোশাক বানানোর কাজেও গোষ্ঠীদের পুরোমাত্রায় কাজে লাগানো হচ্ছে। এমনকি সলিড ওয়েস্ট ম্যানেজমেন্ট প্রকল্পেও এদের যুক্ত করে দেওয়া হয়েছে। সম্প্রতি আর্থিক ঋণ পেয়ে এধরনের উদ্যোগ আরও অক্সিজেন পাবে বলে মনে করা হচ্ছে।
চলতি অর্থবর্ষেই নতুন করে ৫ হাজার ৭৫০ টি নতুন স্বনির্ভর গোষ্ঠী তৈরির লক্ষ্য নিয়ে এগোচ্ছে প্রশাসন। এর মধ্যে প্রায় ৬০ শতাংশ কাজ হয়ে গিয়েছে বলে জেলা প্রশাসন সূত্রে খবর।
জেলা প্রশাসন সূত্রে খবর, তুলাইপাঞ্জি চাষ করা, বাঁশ, কাঠের গৃহসজ্জার সামগ্রী, কার্পেট, হলুদ, ইত্যাদি নানা সামগ্রী তৈরি ও বিক্রি করে ধীরে ধীরে আয় বাড়াচ্ছে জেলার স্বনির্ভর গোষ্ঠীগুলি। দিন দিন দক্ষতার সঙ্গে সর্বত্র নিজেদের সুনাম বাড়াচ্ছেন মেয়েরা। কিছুদিন আগেও দার্জিলিংয়ে আয়োজিত সরস মেলায় অংশ নেয় এখানকার গোষ্ঠীগুললি। সেখানে তুলাইপাঞ্জি ছাড়াও গোয়ালপোখর-১ ব্লকের উৎকৃষ্ট হলুদ গিয়েছিল। চোপড়ার গোষ্ঠীগুলি নিয়ে গিয়েছিল মাশরুমের আচার। জেলার অন্যতম খাদ্য সামগ্রী ডালের বড়ি, বাঁশ ও কাঠের তৈরি বিভিন্ন গৃহসজ্জার সামগ্রীও। কালিয়াগঞ্জের মালগাঁও এলাকার হাতে তৈরি কার্পেটও ছিল মেলায়। জেলার এক আধিকারিকদের কথায়, শুধু সামগ্রী নয়, মেলা নিজেদের সামগ্রী বিক্রির জন্য প্রশিক্ষণও দরকার লাগে। যা লাগাতার এখানকার গোষ্ঠীগুলিকে আর্থিকভাবে স্বনির্ভর করে তুলতে সাহায্য করছে। দার্জিলিংয়ের ওই সরস মেলাতেই প্রায় ১৩ লাখ টাকার সামগ্রী বিক্রি করেছে স্বনির্ভর গোষ্ঠীগুলিকে। এছাড়াও আয় বাড়াতে নানা কাজে যুক্ত করা হচ্ছে স্বনির্ভর গোষ্ঠীগুলিকে। কয়েক লক্ষ স্কুল পড়ুয়ার জন্য স্কুলের পোশাক বানানোর কাজেও গোষ্ঠীদের পুরোমাত্রায় কাজে লাগানো হচ্ছে। এমনকি সলিড ওয়েস্ট ম্যানেজমেন্ট প্রকল্পেও এদের যুক্ত করে দেওয়া হয়েছে। সম্প্রতি আর্থিক ঋণ পেয়ে এধরনের উদ্যোগ আরও অক্সিজেন পাবে বলে মনে করা হচ্ছে।
চলতি অর্থবর্ষেই নতুন করে ৫ হাজার ৭৫০ টি নতুন স্বনির্ভর গোষ্ঠী তৈরির লক্ষ্য নিয়ে এগোচ্ছে প্রশাসন। এর মধ্যে প্রায় ৬০ শতাংশ কাজ হয়ে গিয়েছে বলে জেলা প্রশাসন সূত্রে খবর।



