নিজস্ব প্রতিনিধি, রানাঘাট: প্রায় কুড়ি দিন ধরে নিখোঁজ স্ত্রী এবং একমাত্র ছেলে। এরইমাঝে আবার এল উড়ো ফোন। তাঁদের ফিরে পেতে প্রায় ৫০ হাজার টাকার মুক্তিপণ চাওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন নিখোঁজ মহিলার স্বামী। ঘটনাটি ঘটেছে শান্তিপুর থানা এলাকায় মালিপোতা এলাকায়। ইতিমধ্যেই বিষয়টি জানিয়ে শান্তিপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন ওই ব্যক্তি। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে একটি অপহরণের মামলা রুজু করেছে পুলিস। ইতিমধ্যেই বিষয়টি নিয়ে শুরু হয়েছে তদন্ত।
Advertisement
পুলিস ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, চলতি মাসের ৭ তারিখ বাড়ি থেকে বেরিয়েছিলেন অভিযোগকারী অভিজিৎ রাজবংশীর স্ত্রী শিউলি রাজবংশী এবং তাঁদের তিনমাসের সন্তান। কিন্তু তারপর থেকে বাড়ি ফেরেননি। এরপর ওই গৃহবধূর বাপের বাড়ির তরফে ১০ ডিসেম্বর একটি নিখোঁজ ডায়েরি করা হয় শান্তিপুর থানায়। এই ঘটনার আর কোনও অগ্রগতি না হলেও অন্যদিকে মোড় নেয় ২৪ তারিখ রাতে। মহিলার স্বামী অভিজিৎ রাজবংশীর দাবি, রাতে তিনি একটি অচেনা নম্বর থেকে ফোন কল পান। তাতে অজ্ঞাত পরিচয় এক ব্যক্তি ফোন করে মোটা মুক্তিপণ দাবি করে। এমনকী, অপহরণকারীরা তাঁর স্ত্রী এবং ছেলেকে মারধর করছে বলেও দাবি করেন ওই ব্যক্তি। বিষয়টি নিয়ে অভিজিৎ রাজবংশী বলেন, নিখোঁজ ডায়েরি হওয়ার পর আমি একাধিকবার থানায় এসেছিলাম। কিন্তু বিষয়টি খুব একটা ফলপ্রসূ হয়নি। তখন আমাকে আজেবাজে কথা বলা হয়েছিল। কিন্তু ২৪ তারিখ রাতে হঠাৎ করে অচেনা নম্বর থেকে ফোন আসে আমার কাছে। অচেনা কেউ একজন আমাকে বলে ৫০ হাজার টাকা দিতে হবে বউ এবং ছেলেকে ফিরে পেতে গেলে। একইভাবে বুধবার, অর্থাৎ ২৫ ডিসেম্বর রাতেও আমার কাছে ফোন এসেছিল। তাই সকাল হতেই আমি ছুটে এসেছি থানায়। আমি গোটা বিষয়টি জানিয়েছি তদন্তকারীদের। আমি চাই তদন্তকারীরা দ্রুত দু’জনকে খুঁজে বের করুন।
এদিকে, তদন্তকারীদের সূত্র মারফত জানা গিয়েছে, তদন্তে বেশ কিছু তথ্য তাদের হাতে উঠে এসেছে। তবে বিষয়টি নিছকই অপহরণ নাকি এই ঘটনার পিছনে লুকিয়ে রয়েছে অন্য কোনও কারণ, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। তবে বিষয়টির পিছনে বিবাহ বহির্ভূত কারণ থাকতে পারে বলে অনুমান তদন্তকারীদের। ফলে সেই বিষয়টি নিয়েও জিজ্ঞাসাবাদ এবং খোঁজখবর করছে শান্তিপুর থানার পুলিস। বিষয়টি নিয়ে রানাঘাটের এসডিপিও সবিতা গটিয়াল বলেন, আমরা অভিযোগ পেয়েছি। অত্যন্ত গুরুতর অভিযোগ, তাই সবদিক খতিয়ে দেখেই তদন্ত হচ্ছে। এই মুহূর্তে তদন্ত বলার মতো জায়গায় নেই। আমরা কিছুটা অগ্রগতি করতে পারলে বিষয়টি প্রকাশ্যে আনব। -নিজস্ব চিত্র
এদিকে, তদন্তকারীদের সূত্র মারফত জানা গিয়েছে, তদন্তে বেশ কিছু তথ্য তাদের হাতে উঠে এসেছে। তবে বিষয়টি নিছকই অপহরণ নাকি এই ঘটনার পিছনে লুকিয়ে রয়েছে অন্য কোনও কারণ, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। তবে বিষয়টির পিছনে বিবাহ বহির্ভূত কারণ থাকতে পারে বলে অনুমান তদন্তকারীদের। ফলে সেই বিষয়টি নিয়েও জিজ্ঞাসাবাদ এবং খোঁজখবর করছে শান্তিপুর থানার পুলিস। বিষয়টি নিয়ে রানাঘাটের এসডিপিও সবিতা গটিয়াল বলেন, আমরা অভিযোগ পেয়েছি। অত্যন্ত গুরুতর অভিযোগ, তাই সবদিক খতিয়ে দেখেই তদন্ত হচ্ছে। এই মুহূর্তে তদন্ত বলার মতো জায়গায় নেই। আমরা কিছুটা অগ্রগতি করতে পারলে বিষয়টি প্রকাশ্যে আনব। -নিজস্ব চিত্র



