সংবাদদাতা, ধূপগুড়ি: শিলিগুড়িতে স্বামীর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধারের চারদিন পরও উধাও স্ত্রী। এমন পরিস্থিতিতে তাঁর উধাও হয়ে যাওয়ায় রহস্য দানা বেঁধেছে। পুলিসি তদন্ত থেকে বাঁচতেই কি তিনি অন্যত্র চলে গিয়েছেন! স্বামীর দেহ উদ্ধারেও আসেননি। পুলিসের সঙ্গে যোগাযোগও করেননি। পুলিস তাঁকে ফোন করে মোবাইল সুইচড অফ পেয়েছে। স্বামী মারা গেলেও কেনই বা ওই মহিলা কার্যত গা ঢাকা দিয়ে আছেন, তা নিয়ে ধূপগুড়িতে রহস্য তৈরি হয়েছে। রবিবার তদন্তের স্বার্থে ভাড়া বাড়ির তালা ভেঙে ঘরে ঢুকতে হয়েছে পুলিস ও প্রশাসনকে।
Advertisement
শিলিগুড়ির হতিয়াডাঙায় স্কুলের কম্পিউটার প্রশিক্ষক অভিজিৎ নাথের স্ত্রী সুমিতা নাথ কন্যা সন্তানকে নিয়ে ধূপগুড়ির ১৪ নম্বর ওয়ার্ডের নেতাজী পাড়ায় কয়েকবছর ধরে ভাড়া থাকতেন।
গত শুক্রবার স্কুলের ভিতর থেকে অভিজিতবাবুর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয়। দেহ উদ্ধারের ২৪ঘণ্টা পরও সেই বধূর সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেনি পুলিস। তিনিও পুলিসের সঙ্গে যোগাযোগ করেননি। পুলিস তার মোবাইলে ফোন করলে সেটি সুইচড অফ পেয়েছে। পরে কলকাতা থেকে মৃত শিক্ষকের পরিবারের লোক এসে মৃতদেহ নিয়ে যান।
এদিকে ধূপগুড়ির ভাড়া বাড়ি তালাবন্ধ থাকায় স্থানীয়দের সন্দেহ হয়। রবিবার পুলিস এবং পুরসভার প্রশাসনিক ব্যক্তিরা তালা ভেঙে বাড়িতে ঢোকেন। কিন্তু ঘরে কিছুই মেলেনি।
এর জেরে কম্পিউটার প্রশিক্ষকের স্ত্রীকে নিয়ে ধোঁয়াশাই থেকে যায়। প্রতিবেশীরা জানান, মৃতার স্ত্রী সুমিতা নাথ প্রাইভেট টিউশন করতেন। তাদের কন্যা ধূপগুড়ির একটি বেসরকারি স্কুলে পড়াশোনা করে। গত মঙ্গলবার কম্পিউটার প্রশিক্ষক বাড়িতে এসেছিলেন। এসে দেখেন বাড়ি তালাবন্ধ। এরপর স্থানীয়দের জিজ্ঞাসা করে তিনি শিলিগুড়ি ফিরে যান। পরেরদিন প্রতিবেশীরা জানতে পারেন, সেই কম্পিউটার প্রশিক্ষকের ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয়েছে।
প্রতিবেশী সোনালী মিত্র বলেন, দীর্ঘ কয়েক বছর ধরে পরিবারটি ১৪ নম্বর ওয়ার্ডে ভাড়া রয়েছে। মঙ্গলবার কম্পিউটার প্রশিক্ষক এসে দেখেন, ঘর তালা বন্ধ। তারপর তিনি চলে যান। ধূপগুড়ি পুরসভার প্রশাসনিক বোর্ডের ভাইস চেয়ারম্যান রাজেশকুমার সিং বলেন, এতদিন ধরে তালা বন্ধ থাকায় স্থানীয়দের সন্দেহ হয়। আমরা রবিবার তালা ভেঙে ভিতরে ঘরে ঢুকলাম। কিন্তু ভিতরে কাউকে পাইনি। পুলিস জানিয়েছে, ঘটনার তদন্ত চলছে।
গত শুক্রবার স্কুলের ভিতর থেকে অভিজিতবাবুর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয়। দেহ উদ্ধারের ২৪ঘণ্টা পরও সেই বধূর সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেনি পুলিস। তিনিও পুলিসের সঙ্গে যোগাযোগ করেননি। পুলিস তার মোবাইলে ফোন করলে সেটি সুইচড অফ পেয়েছে। পরে কলকাতা থেকে মৃত শিক্ষকের পরিবারের লোক এসে মৃতদেহ নিয়ে যান।
এদিকে ধূপগুড়ির ভাড়া বাড়ি তালাবন্ধ থাকায় স্থানীয়দের সন্দেহ হয়। রবিবার পুলিস এবং পুরসভার প্রশাসনিক ব্যক্তিরা তালা ভেঙে বাড়িতে ঢোকেন। কিন্তু ঘরে কিছুই মেলেনি।
এর জেরে কম্পিউটার প্রশিক্ষকের স্ত্রীকে নিয়ে ধোঁয়াশাই থেকে যায়। প্রতিবেশীরা জানান, মৃতার স্ত্রী সুমিতা নাথ প্রাইভেট টিউশন করতেন। তাদের কন্যা ধূপগুড়ির একটি বেসরকারি স্কুলে পড়াশোনা করে। গত মঙ্গলবার কম্পিউটার প্রশিক্ষক বাড়িতে এসেছিলেন। এসে দেখেন বাড়ি তালাবন্ধ। এরপর স্থানীয়দের জিজ্ঞাসা করে তিনি শিলিগুড়ি ফিরে যান। পরেরদিন প্রতিবেশীরা জানতে পারেন, সেই কম্পিউটার প্রশিক্ষকের ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয়েছে।
প্রতিবেশী সোনালী মিত্র বলেন, দীর্ঘ কয়েক বছর ধরে পরিবারটি ১৪ নম্বর ওয়ার্ডে ভাড়া রয়েছে। মঙ্গলবার কম্পিউটার প্রশিক্ষক এসে দেখেন, ঘর তালা বন্ধ। তারপর তিনি চলে যান। ধূপগুড়ি পুরসভার প্রশাসনিক বোর্ডের ভাইস চেয়ারম্যান রাজেশকুমার সিং বলেন, এতদিন ধরে তালা বন্ধ থাকায় স্থানীয়দের সন্দেহ হয়। আমরা রবিবার তালা ভেঙে ভিতরে ঘরে ঢুকলাম। কিন্তু ভিতরে কাউকে পাইনি। পুলিস জানিয়েছে, ঘটনার তদন্ত চলছে।



