নিজস্ব প্রতিনিধি, সিউড়ি: প্রেমের টানেই প্রতিবেশী প্রেমিকার কাছে ‘কপার ওয়্যার আর্ট’ অর্থাৎ ‘তামার তারের কাজে’ হাতেখড়ি হয়েছিল। সেই কাজই এখন অনুপকুমার মণ্ডলের পেটের ভাত জুগিয়ে চলেছে। জিএসটি ভবনের চুক্তিভিত্তিক কর্মীর দায়িত্ব সামলেও তিনি স্ত্রীর প্রধান সহায়ক হয়ে উঠেছেন। কাজের ফাঁকেই তিনি কপার ওয়্যার আর্টের মাধ্যমে নানা চিত্র ফুটিয়ে তোলেন। সেসব সোনাঝুরি হাট সহ বিভিন্ন মেলায় বিক্রি করেই তাঁদের দিন চলছে। দম্পতির হাতে গড়া কপার ওয়্যার আর্টের কদর বহু আগেই জেলার গণ্ডি ছাড়িয়েছে। জামশেদপুর, বিশাখাপত্তনম, হায়দরাবাদ, দিল্লি সহ বিভিন্ন জায়গায় তাঁদের তৈরি শিল্পকর্ম পৌঁছে গিয়েছে।
Advertisement
অনুপবাবু ইলামবাজার থানা এলাকার হালসিডাঙার বাসিন্দা। একই এলাকায় তাঁর স্ত্রী অর্থাৎ একসময়ের প্রেমিকা সুস্মিতা মণ্ডলের বাড়ি। প্রায় ৩ বছরের প্রেমের জীবনেই এই কাজে প্রেমিকার কাছে হাতেখড়ি হয়। বলা চলে, প্রেমিকার কাজ শেখার বিষয় জানার পরই তাঁর আগ্রহ বেড়েছিল। তাই সাত-পাঁচ না ভেবে প্রেমিকাকেই প্রথম গুরু হিসেবে বেছে নিয়েছিলেন। তারপর অবশ্য কাজের গুণগত মান বাড়াতে প্রশিক্ষণ নিয়েছিলেন। সেসময় তিনি বাবার সঙ্গে কৃষিকাজ করতেন। তবে, বিয়ের কিছু সময় বাদে কৃষিকাজ পুরোপুরি ছেড়ে দেন। কপার ওয়্যার আর্টের কাজে স্ত্রীর পাশে দাঁড়ান। বর্তমান সময়ে তাঁরা দু'জনে ঘরে বসে তাঁদের শিল্পকলা ফ্রেমবন্দি করে চলেছেন। সপ্তাহের শনি ও রবিবার অনুপবাবু সেসবের সম্ভার নিয়ে সোনাঝুরি হাটে পসরা বসান। এছাড়াও ডাক পেলেই বিভিন্ন মেলাতেও পৌঁছে যান। বিক্রিও ভালোই হয়।
সিউড়ির ইরিগেশন কলোনির মাঠে চলা সবলা মেলায় বীণাপাণি সমন্বয় গোষ্ঠীর হয়ে সুস্মিতাদেবী পসরা সাজিয়ে বসেছেন। ইতিমধ্যে ‘সবলা মেলার সেরা দিদি-২০২৫’ পুরস্কারও পেয়েছেন। তাঁর স্টলে নানা ধরনের ফ্রেমবন্দি ফটোর সম্ভার থাকলেও কপার ওয়্যার আর্ট মূল আকর্ষণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। সুস্মিতাদেবী নিজেই স্টলের মূল দায়িত্ব সামলে চলেছেন। এককোণে বসে তাঁর স্বামী নিরন্তর কাজ করে চলেছেন। অনুপবাবু বলেন, প্রেম করার সময় সুস্মিতার কাছে এই কাজে হাতেখড়ি হয়েছিল। এরপর প্রশিক্ষণ নিয়েছিলাম। বিয়ের পর থেকেই আমরা দু’জনে এই কাজ করছি। মেলা ও হাটে পসরা বসিয়ে ভালোই আয় হয়। মাঝেমধ্যে বিভিন্ন জায়গা থেকে অর্ডারও পেয়ে থাকি। সুস্মিতাদেবী বলেন, যতটা সম্ভব আমার স্বামী এই কাজে আমাকে সাহায্য করেন। দু’জনে মিলেই কাজটা এগিয়ে নিয়ে চলেছি। মেলায় কপার ওয়্যার আর্টের সেই স্টলে চন্দনা মিত্র ঠাকুরের নজরে পড়েছিল। সেখান থেকেই তিনি রাধাকৃষ্ণের একটি ছবি কেনেন। চন্দনাদেবী বলেন, খুব সুন্দর কাজ। নতুনত্ব আছে।
সিউড়ির ইরিগেশন কলোনির মাঠে চলা সবলা মেলায় বীণাপাণি সমন্বয় গোষ্ঠীর হয়ে সুস্মিতাদেবী পসরা সাজিয়ে বসেছেন। ইতিমধ্যে ‘সবলা মেলার সেরা দিদি-২০২৫’ পুরস্কারও পেয়েছেন। তাঁর স্টলে নানা ধরনের ফ্রেমবন্দি ফটোর সম্ভার থাকলেও কপার ওয়্যার আর্ট মূল আকর্ষণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। সুস্মিতাদেবী নিজেই স্টলের মূল দায়িত্ব সামলে চলেছেন। এককোণে বসে তাঁর স্বামী নিরন্তর কাজ করে চলেছেন। অনুপবাবু বলেন, প্রেম করার সময় সুস্মিতার কাছে এই কাজে হাতেখড়ি হয়েছিল। এরপর প্রশিক্ষণ নিয়েছিলাম। বিয়ের পর থেকেই আমরা দু’জনে এই কাজ করছি। মেলা ও হাটে পসরা বসিয়ে ভালোই আয় হয়। মাঝেমধ্যে বিভিন্ন জায়গা থেকে অর্ডারও পেয়ে থাকি। সুস্মিতাদেবী বলেন, যতটা সম্ভব আমার স্বামী এই কাজে আমাকে সাহায্য করেন। দু’জনে মিলেই কাজটা এগিয়ে নিয়ে চলেছি। মেলায় কপার ওয়্যার আর্টের সেই স্টলে চন্দনা মিত্র ঠাকুরের নজরে পড়েছিল। সেখান থেকেই তিনি রাধাকৃষ্ণের একটি ছবি কেনেন। চন্দনাদেবী বলেন, খুব সুন্দর কাজ। নতুনত্ব আছে।



