সংবাদদাতা, লালবাগ: শীতের মরশুমেও সব্জির দাম লাগামছাড়া। তা নিয়ন্ত্রণে আনতে মঙ্গলবার সকালে অভিযান চালাল টাস্কফোর্স। মুর্শিদাবাদ থানার নাকুড়তলার পাইকারি বাজারের পাশাপাশি লালবাগের পাঁচরাহা ও জিয়াগঞ্জের আমুইপাড়া খুচরো সব্জি বাজারে হানা দেন টাস্ক ফোর্সের সদস্যরা। আলু, পেঁয়াজ, রসুন, আদা, লঙ্কা, বেগুন, টোম্যাটো, উচ্ছে, পটল প্রভৃতি আনাজের দাম জিজ্ঞাসা এবং নোট করলেন অফিসাররা। সেই সঙ্গে পরখ করলেন পাইকারি ও খুচরো সব্জি বাজারে আনাজের দামের পার্থক্য।
Advertisement
লালবাগের মহকুমা শাসক বনমালী রায় এদিন মহকুমা কৃষি ও বিপণন দপ্তর, ফুড সেফটি ও এনফোর্সমেন্ট ব্রাঞ্চ সহ বিভিন্ন দপ্তরের আধিকারিকদের নিয়ে প্রথমে নাকুড়তলা পাইকারি বাজারে হানা দেন। আধিকারিকরা পাইকারি বাজারে প্রতিটি আড়তে যান এবং ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলেন। পাইকারি বাজারে আনাজের দাম নোট করেন। এরপরেই টাস্ক ফোর্সের সদস্যরা লালবাগ পাঁচরাহা এবং জিয়াগঞ্জ আমুইপাড়া বাজারে যান। বাজার ঘুরে আনাজের দাম জিজ্ঞাসা করেন। খুচরো বাজারে বিভিন্ন দোকানে একই আনাজের দামের হেরফের লক্ষ্য করেন আধিকারিকরা। এনিয়ে অফিসাররা ব্যবসায়ীদের সতর্ক করেন।
লালবাগের মহকুমা শাসক বলেন, সব্জির বাজারে আনাজের দাম নিয়ন্ত্রণে অভিযান চালানো হচ্ছে। নাকুড়তলা পাইকারি বাজারের পাশাপাশি লালবাগ ও জিয়াগঞ্জের খুচরো সব্জি বাজারে অভিযান চালানো হয়েছে। বহরমপুর সহ জেলার বিভিন্ন পাইকারি বাজারের সঙ্গে দাম প্রায় একই আছে। খুচরো বাজারে কিছু হেরফের লক্ষ্য করা গিয়েছে। পাইকারি বাজারের তুলনায় কিছু খুচরো ব্যবসায়ী প্রায় দ্বিগুণ দামে আনাজ বিক্রি করছেন। তাঁদের সতর্ক করা হয়েছে। না মানলে পরবর্তীতে আইনানুগ উপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
জিয়াগঞ্জের বাসিন্দা ভারতী ঘোষ বলেন, অনেক সব্জির দাম পাইকারি বাজারের তুলনায় দ্বিগুণ বা তারও বেশি। প্রশাসনের নজরদারি না থাকার কারণে ব্যবসায়ীরা নিজেদের ইচ্ছামতো দাম হাঁকছেন। দাম নিয়ন্ত্রণে এরকম অভিযান মাঝেমধ্যে দরকার। তাহলে খুচরো বিক্রেতারা নিজেদের ইচ্ছেমতো দাম বাড়াতে পারবে না।
লালবাগের মহকুমা শাসক বলেন, সব্জির বাজারে আনাজের দাম নিয়ন্ত্রণে অভিযান চালানো হচ্ছে। নাকুড়তলা পাইকারি বাজারের পাশাপাশি লালবাগ ও জিয়াগঞ্জের খুচরো সব্জি বাজারে অভিযান চালানো হয়েছে। বহরমপুর সহ জেলার বিভিন্ন পাইকারি বাজারের সঙ্গে দাম প্রায় একই আছে। খুচরো বাজারে কিছু হেরফের লক্ষ্য করা গিয়েছে। পাইকারি বাজারের তুলনায় কিছু খুচরো ব্যবসায়ী প্রায় দ্বিগুণ দামে আনাজ বিক্রি করছেন। তাঁদের সতর্ক করা হয়েছে। না মানলে পরবর্তীতে আইনানুগ উপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
জিয়াগঞ্জের বাসিন্দা ভারতী ঘোষ বলেন, অনেক সব্জির দাম পাইকারি বাজারের তুলনায় দ্বিগুণ বা তারও বেশি। প্রশাসনের নজরদারি না থাকার কারণে ব্যবসায়ীরা নিজেদের ইচ্ছামতো দাম হাঁকছেন। দাম নিয়ন্ত্রণে এরকম অভিযান মাঝেমধ্যে দরকার। তাহলে খুচরো বিক্রেতারা নিজেদের ইচ্ছেমতো দাম বাড়াতে পারবে না।



