সংবাদদাতা, নকশালবাড়ি: বাড়ি ফেরার পথে পথ দুর্ঘটনায় মৃত্যু হল চতুর্থ শ্রেণির এক ছাত্রীর। বুধবার এই ঘটনায় শোকের ছায়া নামে ফাঁসিদেওয়ার ঘোষপুকুরে। পুলিস জানিয়েছে, মৃত ছাত্রীর নাম জ্যাকলিন খেস (১১)। সে ঘোষপুকুরের কমলা চা বাগানের ডিসকোলাইনের বাসিন্দা। সে শ্রমিক মহল্লার একটি বেসরকারি স্কুলে পড়াশোনা করত।
Advertisement
পুলিস ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, দুই বান্ধবীর সঙ্গে ওই ছাত্রী স্কুল থেকে বাড়ি ফিরছিল। স্কুল থেকে কয়েকশো মিটার অদূরে জ্যাকলিন একটি দোকানে যাওয়ার জন্য রাজ্যসড়ক পারাপার করতে যায়। ঘটনাক্রমে ঘোষপুকুর গ্রাম পঞ্চায়েত সংলগ্ন রাজ্যসড়কে ঘোষপুকুর বিহারগামী একটি সব্জি বোঝাই লরি গতি নিয়ন্ত্রণ করতে না পেরে ছাত্রীকে সজোরে ধাক্কা মারে। এতে ঘটনাস্থলে ছাত্রীর মৃত্যু হয়। এরপর খবর পেয়ে ঘোষপুকুর ফাঁড়ির পুলিস মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে পাঠায়। ছাত্রীকে পিষে দিয়ে ঘটনাস্থল থেকে লরির চালক পালিয়ে যায়। তবে ঘাতক লরিটি হেফাজতে নিয়ে পুরও ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিস।
স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, ওরা খোশ মেজাজেই স্কুল থেকে বাড়ি ফিরছিল। স্কুল থেকে ওদের বাড়িও খুব একটা দূরে নয়। এজন্য ওরা হেঁটেই আসছিল। কিন্তু ওই ছাত্রীকে এভাবে গাড়ির নীচে পিষ্ট হতে হবে, তা কেউ ভাবতে পারেননি। তাই ঘাতক লরিটিকে আটকে বিক্ষোভ দেখান স্থানীয়রা। তাঁদের দাবি, স্কুল সময় ওই রাস্তায় ট্রাফিককর্মী মোতায়েন করতে হবে। যানবাহনের গতি নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। ঘাতক লরি চালককে দ্রুত গ্রেপ্তার করতে হবে। পুলিস জানিয়েছে, ছাত্রীর দেহ উদ্ধার করা হয়েছে। ঘাতক লরি চালকের খোঁজ চলছে। দ্রুত তাকে গ্রেপ্তার করা হবে।
স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, ওরা খোশ মেজাজেই স্কুল থেকে বাড়ি ফিরছিল। স্কুল থেকে ওদের বাড়িও খুব একটা দূরে নয়। এজন্য ওরা হেঁটেই আসছিল। কিন্তু ওই ছাত্রীকে এভাবে গাড়ির নীচে পিষ্ট হতে হবে, তা কেউ ভাবতে পারেননি। তাই ঘাতক লরিটিকে আটকে বিক্ষোভ দেখান স্থানীয়রা। তাঁদের দাবি, স্কুল সময় ওই রাস্তায় ট্রাফিককর্মী মোতায়েন করতে হবে। যানবাহনের গতি নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। ঘাতক লরি চালককে দ্রুত গ্রেপ্তার করতে হবে। পুলিস জানিয়েছে, ছাত্রীর দেহ উদ্ধার করা হয়েছে। ঘাতক লরি চালকের খোঁজ চলছে। দ্রুত তাকে গ্রেপ্তার করা হবে।



