Bartaman Logo
১০ আগস্ট, ২০২৬
বর্তমান / ব্যবসা

কলকাতা ছাড়ছে এসবিআই! আটকাতে আরজি মুখ্যমন্ত্রীকে

ইতিমধ্যেই কলকাতা থেকে একাধিক দপ্তর সরিয়ে নিয়েছে স্টেট ব্যাংক অব ইন্ডিয়া। আগামী দিনে আরও কিছু দপ্তর সরানোর পরিকল্পনা চলছে।

কলকাতা ছাড়ছে এসবিআই! আটকাতে আরজি মুখ্যমন্ত্রীকে
  • ১০ আগস্ট, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: ইতিমধ্যেই কলকাতা থেকে একাধিক দপ্তর সরিয়ে নিয়েছে স্টেট ব্যাংক অব ইন্ডিয়া। আগামী দিনে আরও কিছু দপ্তর সরানোর পরিকল্পনা চলছে। রাজ্যের স্বার্থে যাতে এই পদক্ষেপ আটকানো হয়, তার জন্য মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীকে চিঠি দিলেন এসবিআইয়ের অফিসাররা। তাঁদের বক্তব্য, দপ্তর সরলে শুধু যে এখানে কাজের জায়গা কিছুটা সঙ্কুচিত হবে, তা নয়। রাজ্যের রাজস্ব আদায়ও মার খাবে। ১৮০৬ সালে ব্যাংক অব ক্যালকাটা এবং ১৮০৯ সালে ব্যাংক অব বেঙ্গল নামে যে ব্যাংকিং ব্যবস্থা চালু হয়েছিল, তাই আজকের এসবিআই। এটি দেশের বৃহত্তম বাণিজ্যিক ব্যাংক হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে। ব্যাংকের আধিকারিকদের কথায়, সেন্ট্রাল অ্যাকাউন্টস অফিস যখন কলকাতায় ছিল, সেই সময় ব্যালান্স শিট চূড়ান্ত হত এখান থেকেই। ২০১৮ সালে সেই অফিস মুম্বইতে সরে যাওয়াকে কলকাতার ঐতিহ্যের উপর ধাক্কা হিসাবেই দেখছেন তাঁরা। এরপর এসবিআইয়ের গ্লোবাল মার্কেট ইউনিট এবং সেন্ট্রালাইজড গ্লোবাল ব্যাক অফিসও কলকাতা থেকে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। এর মধ্যে প্রথমটি ফরেন এক্সচেঞ্জ ট্রেজারি ম্যানেজ করত এবং পরেরটি বিদেশের কর্পোরেট গ্রাহকদের পরিষেবা দিত। অল ইন্ডিয়া ব্যাংক অফিসার্স কনফেডারেশনের রাজ্য সম্পাদক শুভজ্যোতি চট্টোপাধ্যায় বলেন, কর্পোরেট লেনদেন খাতে যে রাজস্ব আদায় হত রাজ্যের, এই অফিস সরে যেতে তা বন্ধ। এবার এই ব্যাংকের সেন্ট্রালাইজড চেক প্রসেসিং সেন্টার, লায়াবিলিটি সেন্ট্রাল প্রসেসিং সেন্টার এবং সেন্ট্রালাইজ পেনশন প্রসেসিং সেন্টার সরানোর উদ্যোগ শুরু হয়েছে বলে দাবি করেছেন তিনি। শুভজ্যোতিবাবু বলেন, প্রতিটি ব্যাংকই কাজের পরিসর অনুযায়ী নতুন কর্মী নিয়োগ করে। এখান থেকে অফিসগুলি সরে গেলে এখানে কর্মী নিয়োগ কমবে। পাশাপাশি এই অফিসগুলির উপর যে সব চুক্তিভিত্তিক বা ঠিকাকর্মীরা নির্ভরশীল, কাজ হারাবেন তাঁরাও। সেই কারণেই আমরা মুখ্যমন্ত্রীর কাছে আবেদন করেছি, যাতে তিনি নিজে এ বিষয়ে উদ্যোগ নেন।

Advertisement
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ