Bartaman Logo
১০ আগস্ট, ২০২৬
বর্তমান / ব্যবসা

দু’টি শিল্পতালুক গড়তে চিহ্নিত ২৬৬ একর জমি, কেন্দ্রের ‘ভব্য’ প্রকল্পের আওতায় প্রস্তাব পাঠাচ্ছে নবান্ন

কেন্দ্রীয় প্রকল্পের অধীনে বাংলায় দু’টি শিল্পতালুক গড়ার প্রস্তাব পাঠাচ্ছে নবান্ন। একটি শিল্পতালুক হবে নদীয়ার ধুবুলিয়ায়।

দু’টি শিল্পতালুক গড়তে চিহ্নিত ২৬৬ একর জমি, কেন্দ্রের ‘ভব্য’ প্রকল্পের আওতায় প্রস্তাব পাঠাচ্ছে নবান্ন
  • ১০ আগস্ট, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: কেন্দ্রীয় প্রকল্পের অধীনে বাংলায় দু’টি শিল্পতালুক গড়ার প্রস্তাব পাঠাচ্ছে নবান্ন। একটি শিল্পতালুক হবে নদীয়ার ধুবুলিয়ায়। অপরটি গড়ে উঠবে আসানসোলের বন্ধ হয়ে যাওয়া ঢাকেশ্বরী কটন মিলের জমিতে। এর জন্য মোট ২৬৬ একর জমি চিহ্নিত করেছে রাজ্যের শিল্পদপ্তর। রবিবার নবান্নে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে শিল্পমন্ত্রী তাপস রায় জানান, কেন্দ্রের ‘ভব্য’ (ভারত ঔদ্যোগিক বিকাশ যোজনা) প্রকল্পের অধীনে রাজ্যে শিল্পতালুক বা ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্ক গড়ে তুলতে এই পরিমাণ জমি চিহ্নিত করা হয়েছে। প্রকল্পের দ্বিতীয় পর্যায়ে এই দু’টি ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্ক গড়ে তোলার প্রস্তাব কেন্দ্রের কাছে পাঠানো হবে আগস্টের মধ্যেই। 

Advertisement

এদিন শিল্পসচিব বন্দনা যাদবসহ অন্যান্য পদস্থ আধিকারিকদের সঙ্গে নিয়ে সাংবাদিক সম্মেলন করেন শিল্পমন্ত্রী। সরকার এসেই ‘ভব্য’ প্রকল্পের অধীনে এই প্রস্তাব কেন পাঠানো যায়নি, তারও ব্যাখ্যা দিয়েছেন শিল্পমন্ত্রী। তাঁর কথায়, ‘এই প্রকল্পের অধীনে প্রস্তাব পাঠাতে গেলে কতগুলি মানদণ্ডের বিষয় রয়েছে। যেমন, যে জমিতে শিল্পতালুক গড়ার প্রস্তাব দেওয়া হবে, তার সঙ্গে বড়ো সড়কের সংযোগ বাধ্যতামূলক। সম্পূর্ণ দখলমুক্ত ন্যূনতম ১০০ একর জমি থাকা বাধ্যতামূলক। এমন জমি কিছুই চিহ্নিত ছিল না। এমনকি, ডিপিআর করে, এমন কোনো এজেন্সিও ঠিক করে যায়নি পূর্বতন সরকার। অথচ অন্য আটটি রাজ্যের জমি এবং প্রকল্পের ডিপিআর সম্পূর্ণ তৈরি ছিল। তারা প্রস্তাবও জমা দিয়েছে।’ 
ক্ষমতায় আসার পর থেকেই ‘ডবল ইঞ্জিন’ সরকার জমির খোঁজ চালাচ্ছিল। এখনও পর্যন্ত দু’টি জমি পাওয়া গিয়েছে। নদীয়ার ধূবুলিয়ায় স্বাস্থ্যদপ্তরের এক লপ্তে থাকা ১১৮.৫ একর জমি শিল্পদপ্তর এই প্রকল্পের জন্য নিয়েছে। আসানসোলে ঢাকেশ্বরী কটন মিলের ১৯৩.২৯ একরের মধ্যে ১৪৮.৬১ একর জমিতে শিল্পতালুক গড়ার প্রস্তাব দেওয়া হচ্ছে। ‘ভব্য’ প্রকল্পে ৩৩ হাজার ৬৬০ কোটি টাকায় ১০০টি শিল্পতালুক গড়ার পরিকল্পনা নিয়েছে রাজ্য। এর মধ্যে যতটা বেশি সম্ভব টাকা রাজ্যের জন্য আনার চেষ্টা করা হবে বলে জানিয়েছেন শিল্পমন্ত্রী।  
তৃণমূল আমলে একটিও নতুন শিল্পতালুক গড়ে ওঠেনি বলে দাবি করে তাপসবাবু জানান, বর্তমানে রাজ্যে যে শিল্পতালুকগুলি আছে, সেখানে যে কজের জন্য জমি দেওয়া হয়েছিল, সেই কাজই হচ্ছে কি না, খতিয়ে দেখা হবে। যদি কোনো জমি ফাঁকা পড়ে থাকে, তার কারণও খুঁজে বার করা হবে। রাজ্যে টাটা গোষ্ঠীর বিনিয়োগ নিয়েও আশাবাদী তপসবাবু। তিনি বলেন, ‘যোগাযোগে আছি। শুধু অটোমোবাইল নয়, তার বাইরেও ওদের অনেক ব্যবসা আছে। তার যদি সম্প্রসারণ হয়, সেটাও দেখা হচ্ছে।’ 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ