নিজস্ব প্রতিনিধি, বহরমপুর: তৃণমূল নেতার দাদাগিরির সাক্ষী রইল হরিহরপাড়া। ভিলেজ পুলিস ও সিভিককে মারধরের অভিযোগে গ্রেপ্তার হল পঞ্চায়েত প্রধানের স্বামী। এই ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে স্বরূপপুরে। অভিযুক্ত তৃণমূল নেতা সহ মোট পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিস। তাদের মধ্যে দুজনকে রবিবার বহরমপুর আদালতে তোলা হলে বিচারক জেল হেফাজত মঞ্জুর করেছেন। বাকি তিনজনকে সোমবার আদালতে তোলা হবে বলে জানিয়েছে হরিহরপাড়া থানার পুলিস।
Advertisement
পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, শনিবার সন্ধ্যায় স্বরূপপুর থেকে একটি চারচাকা গাড়িতে হরিহরপাড়ার দিকে যাচ্ছিল এক ইউটিউবার যুবক। স্বরূপপুর হাটের কাছে প্রধানের স্বামী শাহানুজ্জামান শেখ তাকে কটুক্তি করে বলে অভিযোগ। ওই ইউটিউবার গাড়ি থেকে নেমে প্রতিবাদ করতে গেলে শাহানুজ্জামান তাঁকে বেধড়ক মারধর করে। ওই তৃণমূল নেতার অনুগামীরাও সেখানে হাজির হয়ে বিশৃঙ্খলা তৈরি করে। ঘটনার খবর পেয়ে ওই বাজারে কর্তব্যরত এক ভিলেজ পুলিস ও সিভিক ভলান্টিয়ার সেখানে হাজির হন। ঝামেলা মেটানোর চেষ্টা করতে গেলে তাদের মারধর করে ওই তৃণমূল নেতা ও তার সঙ্গীরা। পরে পুলিস গিয়ে নেতা ও তার সঙ্গীদের আটক করে থানায় নিয়ে আসে। জখম অবস্থায় উদ্ধার করে ওই ইউটিউবার যুবক এবং ভিলেজ পুলিসকে হরিহরপাড়া ব্লক প্রাথমিক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
হরিহরপাড়া থানার এক পুলিস অফিসার বলেন, জখম দুজনই এখন সুস্থ আছেন। যারা যারা এই ঘটনার সঙ্গে যুক্ত তাদের প্রত্যেককে গ্রেপ্তার করা হবে। ঘটনার পরেই আমরা দুজনকে গ্রেপ্তার করি। রবিবার তাদের আদালতে পাঠানো হয়। ওই দুজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করে আরও তিনজনকে ধরা হয়েছে। তার মধ্যে মূল অভিযুক্ত শাহানুজ্জামান রয়েছে। তাদের সোমবার আদালতে পাঠানো হবে।
হরিহরপাড়া ব্লকের তৃণমূলের সভাপতি আতাবুদ্দিন শেখ বলেন, প্রধান হোক বা অঞ্চল সভাপতি হোক, যে অন্যায় বা অপরাধ করবে তাদের বিরুদ্ধে, পুলিস প্রশাসন উপযুক্ত ব্যবস্থা নেবে। আইন আইনের পথে চলবে। কোনও অন্যায়ের পাশে দল থাকবে না।
তৃণমূল নেতারা এই ঘটনায় কড়া প্রতিক্রিয়া দিয়েছে বিজেপি। বিজেপির বহরমপুর সাংগঠনিক জেলার সাধারণ সম্পাদক লাল্টু দাস বলেন, সর্বত্র তৃণমূলের দাদাগিরি চলছে। পুলিস প্রশাসনের মদতে তৃণমূল নেতাদের এই বাড়াবাড়ি। আজ তাই ওরাও মার খাচ্ছে। কেউ কিছুর প্রতিবাদ করলে প্রকাশ্যে তাকে মারধর করা হচ্ছে, হুমকি দেওয়া হচ্ছে। আজ সামান্য পঞ্চায়েত প্রধানের স্বামী বলে হয়তো গ্রেপ্তার হয়েছে। এটা যদি তৃণমূলের আর একটু উঁচুদরের নেতা হতো, তাহলে পুলিস কোনও মামলা রুজু করত না। এটাই তো হচ্ছে সর্বত্র।
হরিহরপাড়া থানার এক পুলিস অফিসার বলেন, জখম দুজনই এখন সুস্থ আছেন। যারা যারা এই ঘটনার সঙ্গে যুক্ত তাদের প্রত্যেককে গ্রেপ্তার করা হবে। ঘটনার পরেই আমরা দুজনকে গ্রেপ্তার করি। রবিবার তাদের আদালতে পাঠানো হয়। ওই দুজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করে আরও তিনজনকে ধরা হয়েছে। তার মধ্যে মূল অভিযুক্ত শাহানুজ্জামান রয়েছে। তাদের সোমবার আদালতে পাঠানো হবে।
হরিহরপাড়া ব্লকের তৃণমূলের সভাপতি আতাবুদ্দিন শেখ বলেন, প্রধান হোক বা অঞ্চল সভাপতি হোক, যে অন্যায় বা অপরাধ করবে তাদের বিরুদ্ধে, পুলিস প্রশাসন উপযুক্ত ব্যবস্থা নেবে। আইন আইনের পথে চলবে। কোনও অন্যায়ের পাশে দল থাকবে না।
তৃণমূল নেতারা এই ঘটনায় কড়া প্রতিক্রিয়া দিয়েছে বিজেপি। বিজেপির বহরমপুর সাংগঠনিক জেলার সাধারণ সম্পাদক লাল্টু দাস বলেন, সর্বত্র তৃণমূলের দাদাগিরি চলছে। পুলিস প্রশাসনের মদতে তৃণমূল নেতাদের এই বাড়াবাড়ি। আজ তাই ওরাও মার খাচ্ছে। কেউ কিছুর প্রতিবাদ করলে প্রকাশ্যে তাকে মারধর করা হচ্ছে, হুমকি দেওয়া হচ্ছে। আজ সামান্য পঞ্চায়েত প্রধানের স্বামী বলে হয়তো গ্রেপ্তার হয়েছে। এটা যদি তৃণমূলের আর একটু উঁচুদরের নেতা হতো, তাহলে পুলিস কোনও মামলা রুজু করত না। এটাই তো হচ্ছে সর্বত্র।



