Bartaman Logo
২৭ মে, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার বিরুদ্ধে অর্থ নয়ছয়ের অভিযোগ, মামলা রুজু

স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার বিরুদ্ধে অর্থ নয়ছয়ের অভিযোগ, মামলা রুজু
  • ১৬ নভেম্বর, ২০২৪ ০০:০০
নিজস্ব প্রতিনিধি, জলপাইগুড়ি: স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার বিরুদ্ধে টাকা নয়ছয়ের অভিযোগ। সংস্থার নামে ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট থাকা সত্ত্বেও ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্টে নেওয়া হয়েছে টাকা। যার কোনও হিসেব নেই বলে অভিযোগ ওই এনজিও’র বিরুদ্ধে। এনিয়ে জলপাইগুড়ি কোতোয়ালি থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন সংস্থারই এক প্রাক্তন কর্মী। গোটা বিষয়টি নিয়ে আলোড়ন ছড়িয়েছে জলপাইগুড়ি শহরে। অভিযোগের ভিত্তিতে প্রতারণা ও জালিয়াতির মামলা রুজু করে তদন্তে নেমেছে পুলিস। অভিযুক্ত স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার কর্তার কাছে যাবতীয় নথিপত্র চেয়েছে পুলিস। জেলা পুলিস সুপার খণ্ডবাহালে উমেশ গণপত বলেন, অভিযোগ দায়ের হয়েছে। পুলিস তদন্ত করছে।
Advertisement
এদিকে, ওই স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার কর্তা তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা যাবতীয় অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তাঁর দাবি, যিনি অভিযোগ তুলছেন, অর্থ নয়ছয়ের অভিযোগে তাঁকে অনেক আগেই এই স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা থেকে বের করে দেওয়া হয়েছে। তিনি মিথ্যে অভিযোগ করছেন। পুলিস আমাদের কাছে কিছু কাগজপত্র চেয়েছে। ১৬ নভেম্বরের মধ্যে সেগুলি থানায় জমা দেওয়া হবে। স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার কর্তার দাবি, নিয়ম মেনেই যাবতীয় কাজকর্ম চালাচ্ছেন তাঁরা।
অভিযোগ, সামাজিক কাজের নামে অভিযুক্ত স্বেচ্ছাসেবী সংস্থাটির কর্তা নিজের ব্যঙ্ক অ্যাকাউন্টে টাকা তোলেন। এভাবে কোনও ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্টে সংস্থার নামে টাকা তোলা যায় কি না, তা নিয়েই প্রশ্ন তুলেছেন অভিযোগকারী। তাঁর দাবি, সংস্থার নামে অ্যাকাউন্ট থাকা সত্ত্বেও সেখানে টাকা ঢুকত না। সেই টাকা সংস্থার কর্তার ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্টে ঢুকত। এনিয়ে প্রতিবাদ জানিয়েছিলাম। তার জেরেই আমাকে সংস্থা থেকে তাড়িয়ে দেওয়া হয়। অভিযোগকারীর আরও বক্তব্য, সোসাইটি অ্যাক্টে রেজিস্ট্রেশন থাকলেও তিন বছর ধরে অডিট হয়নি ওই সংস্থার। কোথায়, কত টাকা কীভাবে খরচ হচ্ছে, তার হিসেব নেই। এখন বলা হচ্ছে, এটি সোসাইটি নয়, ট্রাস্ট। সোসাইটি না ভেঙে একই নামে, একই ঠিকানায় কীভাবে সেটি ট্রাস্ট হয়ে গেল, তা নিয়ে প্রশ্ন অভিযোগকারীর।
পাল্টা সংস্থার কর্তার দাবি, গোটা দেশে কাজের জন্য তাঁরা সোসাইটি থেকে ট্রাস্ট করেছেন। নিয়মিত অডিট হয় তাঁদের সংস্থায়। সমস্ত কাগজপত্র রয়েছে। ট্রাস্টের যে ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট, তার এটিএম কার্ড হয় না। ফলে ইউপিআই দিয়ে টাকা নেওয়া যায় না। এখন যেহেতু ইউপিআই দিয়েই বেশিরভাগ ক্ষেত্রে টাকা আসে, তাই তিনি নিজের অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করেন। এটা রেজুলিউশন করা আছে। এক্ষেত্রে তাঁর অ্যাকাউন্টে যে টাকা ঢোকে, সবটাই অডিটে ক্যাশ হিসেবে দেখানো হয়।
সম্পর্কিত সংবাদ