সংবাদদাতা, কান্দি: সবেবরাত উপলক্ষ্যে কেনাকাটায় মাতলেন ভরতপুর ও সালারের বাসিন্দারা। জমে উঠেছে বাজার। আগামী শুক্র অথবা শনিবার এলাকার সংখ্যালঘু মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষ সবেবরাত পালন করবে। সেই কারণে এখন থেকেই বাজারে মুদির দোকান থেকে সিমাইয়ের অস্থায়ী দোকানে ব্যাপক ভিড় জমছে। রাস্তার পাশের অস্থায়ী আতশবাজির দোকানেও কিশোর ভিড় করছে।
Advertisement
সবেবরাত একটি শোকের দিন হলেও ওইদিন প্রায় প্রতি বাড়িতেই আত্মীয়স্বজন এসে থাকেন। সেই কারণে অতিথি অ্যাপায়নের ব্যবস্থা করতে হয় প্রতিটি পরিবারকে। ওইদিন এলাকার প্রতিটি বাড়িতেই সিমাই, কয়েক রকমের হালুয়া ছাড়াও চালের রুটি তৈরি করা হয়। এছাড়াও অতিথিদের জন্য ফল, মিষ্টির ব্যবস্থা থাকে। তবে সবেবরাতের রীতি হল উত্তরসূরীদের কবরে গিয়ে ধূপ ও মোমবাতি জ্বালিয়ে শ্রদ্ধা জানানো। এছাড়াও এদিন রাতভর নামাজ পড়া হয়।
ভরতপুরের বাসিন্দা কলিমুদ্দিন শেখ বলেন, সবেবরাতে অনেক কাজ থাকে। তাই আগে থেকে কেনাকাটা শুরু করতে হয়েছে। গ্রামের অপর বাসিন্দা সুলতান রেজা বলেন, আগে থেকে কেনাকাটা করলে মহিলাদের বাড়ির কাজের প্রস্তুতি নিতে সুবিধা হয়। তাই মুদিখানা সামগ্রী আগে থেকেই কেনা হয়েছে। সালারের হাজামপাড়ার বাসিন্দা মুজিবর শেখ বলেন, সবেবরাত উপলক্ষ্যে এলাকার অধিকাংশ বাসিন্দা কেনাকাটা শুরু করে দিয়েছেন। কারণ হাতে সময় বেশি নেই।
এদিকে সবেবরাতকে কেন্দ্র করে দু’টি এলাকায় প্রচুর অস্থায়ী দোকান বসেছে। সালারে বাস টার্মিনাস এলাকা থেকে চৌরঙ্গি মোড়ের সব জায়গাতেই অস্থায়ী দোকান বসেছে। কোথাও সিমাইয়ের দোকান, কোথাও ফলের দোকান বা আতশবাজির দোকান। ভরতপুর তহবাজারেও অন্তত ২০টি আতশবাজির দোকান রয়েছে। বাজি বিক্রেতা সামসুল হুদা বলেন, সবেবরাতে এই এলাকায় কয়েক লক্ষ টাকার আতশবাজি কেনাবেচা হয়। প্রতিটি গ্রামেই আতশবাজির দোকান বসেছে সবেবরাত উপলক্ষ্যে।
ভরতপুরের বাসিন্দা কলিমুদ্দিন শেখ বলেন, সবেবরাতে অনেক কাজ থাকে। তাই আগে থেকে কেনাকাটা শুরু করতে হয়েছে। গ্রামের অপর বাসিন্দা সুলতান রেজা বলেন, আগে থেকে কেনাকাটা করলে মহিলাদের বাড়ির কাজের প্রস্তুতি নিতে সুবিধা হয়। তাই মুদিখানা সামগ্রী আগে থেকেই কেনা হয়েছে। সালারের হাজামপাড়ার বাসিন্দা মুজিবর শেখ বলেন, সবেবরাত উপলক্ষ্যে এলাকার অধিকাংশ বাসিন্দা কেনাকাটা শুরু করে দিয়েছেন। কারণ হাতে সময় বেশি নেই।
এদিকে সবেবরাতকে কেন্দ্র করে দু’টি এলাকায় প্রচুর অস্থায়ী দোকান বসেছে। সালারে বাস টার্মিনাস এলাকা থেকে চৌরঙ্গি মোড়ের সব জায়গাতেই অস্থায়ী দোকান বসেছে। কোথাও সিমাইয়ের দোকান, কোথাও ফলের দোকান বা আতশবাজির দোকান। ভরতপুর তহবাজারেও অন্তত ২০টি আতশবাজির দোকান রয়েছে। বাজি বিক্রেতা সামসুল হুদা বলেন, সবেবরাতে এই এলাকায় কয়েক লক্ষ টাকার আতশবাজি কেনাবেচা হয়। প্রতিটি গ্রামেই আতশবাজির দোকান বসেছে সবেবরাত উপলক্ষ্যে।



