নিজস্ব প্রতিনিধি, মেদিনীপুর: দেশ স্বাধীন হওয়ার পর এই প্রথম সবং ব্লকে একসঙ্গে একশোর বেশি রাস্তা সংস্কার হচ্ছে। পথশ্রী-৩ প্রকল্পের আওতায় রাস্তাগুলি সংস্কারের জন্য খরচ হচ্ছে প্রায় ৪৬ কোটি টাকা। ইতিমধ্যেই বেশ কিছু রাস্তা সংস্কারের কাজ সম্পূর্ণ হয়েছে। প্রশাসনের আধিকারিকরা জানাচ্ছেন, অতিবৃষ্টি ও বন্যা পরিস্থিতির জেরে ব্লকের বহু রাস্তা খারাপ হয়ে গিয়েছিল। এর ফলে সমস্যায় পড়তে হচ্ছিল সাধারণ মানুষকে। সবং ব্লকে ১০২টি রাস্তা সংস্কার করা হচ্ছে। জেলার মধ্যে সবচেয়ে বেশি রাস্তার সংস্কার হচ্ছে এই ব্লকে। এই রাস্তা সংস্কারের ফলে ব্লকের এক হাজারের বেশি গ্রামের মানুষ উপকৃত হবেন। ব্লকের ১৩টি গ্রাম পঞ্চায়েতেই ধাপে ধাপে রাস্তা সংস্কারের কাজ হবে।
Advertisement
এদিন রাজ্যের মন্ত্রী মানস ভুঁইয়া বলেন, দেশ স্বাধীন হওয়ার পর থেকে একসঙ্গে এতগুলো রাস্তা সংস্কারের কাজ হয়নি। সবংয়ের মানুষের পাশে জেলা প্রশাসন সর্বদা থাকবে। একইসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ধন্যবাদ জানাচ্ছি। পাশাপাশি সবংয়ের মানুষ যাতে বিভিন্ন প্রকল্পের সুবিধা পান সেদিকেও বিশেষ নজর দেওয়া হচ্ছে।
প্রসঙ্গত, শহরের ন্যায় গ্রামীণ এলাকায় রাস্তা সংস্কারে বিশেষ উদ্যোগ নিচ্ছে জেলা প্রশাসন। পথশ্রী-রাস্তাশ্রী প্রকল্পের মাধ্যমে বহু এলাকার রাস্তা সংস্কার হচ্ছে। এতে উপকৃত হচ্ছেন সাধারণ মানুষ। স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বিভিন্ন প্রশাসনিক বৈঠক থেকেই গুরুত্ব সহকারে রাস্তা সংস্কারের কথা বলেছেন। জানা গিয়েছে, একসময়ে জেলার প্রতিটি ব্লকে রাস্তার ব্যাপক সমস্যা ছিল। জেলার এক ব্লক থেকে অপর ব্লকে যেতে মানুষের কালঘাম ছুটে যেত। তবে শেষ দশ বছরে পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে। বর্তমানে জেলার অন্যান্য ব্লকের মতো সবংয়েও রাস্তা সংস্কারের বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। এই ব্লকের গ্রামীণ এলাকার ছোট রাস্তাগুলোর পাশাপশি বড় রাস্তারও সংস্কার করা হয়েছে। ব্লক প্রশাসনের উদ্যোগ ছাড়াও জেলা পরিষদ ও রাজ্য সরকারের বিভিন্ন প্রকল্পে একাধিক রাস্তা তৈরি হচ্ছে।
প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রতিটি রাস্তা গড়ে এক থেকে দেড় দুই কিলোমিটার দীর্ঘ। সবং ব্লকের বলপাই, ভেমুয়া, বুড়াল, দেভোগ, দশগ্রাম, মোহর সহ একাধিক গ্রাম পঞ্চায়েতে রাস্তার কাজ হবে। রাস্তাগুলোর গুণমানের দিকে বিশেষ নজর দিতে বলা হয়েছে। তবে বেশকিছু গ্রাম পঞ্চায়েতে রাস্তার কাজ শুরু হয়নি। প্রশাসনের তরফে দ্রুত সেই সব জায়গায় কাজ শুরু করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এদিন চায়ের দোকানে বসেছিলেন সবং এলাকার বাসিন্দা পেশায় ব্যবসায়ী রতন সাহা। তিনি বলেন, আগে রাস্তার অবস্থা খুবই খারাপ থাকত। গ্রামে পিচের রাস্তা হবে বলে কেউ কোনও দিন ভাবতেই পারত না। এখন রাস্তাঘাট ভালো। তবে বেশ কিছু এলাকায় রাস্তা খারাপ থাকলেও সংস্কারের কাজ শুরু হচ্ছে। প্রশাসনকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি।
প্রসঙ্গত, শহরের ন্যায় গ্রামীণ এলাকায় রাস্তা সংস্কারে বিশেষ উদ্যোগ নিচ্ছে জেলা প্রশাসন। পথশ্রী-রাস্তাশ্রী প্রকল্পের মাধ্যমে বহু এলাকার রাস্তা সংস্কার হচ্ছে। এতে উপকৃত হচ্ছেন সাধারণ মানুষ। স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বিভিন্ন প্রশাসনিক বৈঠক থেকেই গুরুত্ব সহকারে রাস্তা সংস্কারের কথা বলেছেন। জানা গিয়েছে, একসময়ে জেলার প্রতিটি ব্লকে রাস্তার ব্যাপক সমস্যা ছিল। জেলার এক ব্লক থেকে অপর ব্লকে যেতে মানুষের কালঘাম ছুটে যেত। তবে শেষ দশ বছরে পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে। বর্তমানে জেলার অন্যান্য ব্লকের মতো সবংয়েও রাস্তা সংস্কারের বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। এই ব্লকের গ্রামীণ এলাকার ছোট রাস্তাগুলোর পাশাপশি বড় রাস্তারও সংস্কার করা হয়েছে। ব্লক প্রশাসনের উদ্যোগ ছাড়াও জেলা পরিষদ ও রাজ্য সরকারের বিভিন্ন প্রকল্পে একাধিক রাস্তা তৈরি হচ্ছে।
প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রতিটি রাস্তা গড়ে এক থেকে দেড় দুই কিলোমিটার দীর্ঘ। সবং ব্লকের বলপাই, ভেমুয়া, বুড়াল, দেভোগ, দশগ্রাম, মোহর সহ একাধিক গ্রাম পঞ্চায়েতে রাস্তার কাজ হবে। রাস্তাগুলোর গুণমানের দিকে বিশেষ নজর দিতে বলা হয়েছে। তবে বেশকিছু গ্রাম পঞ্চায়েতে রাস্তার কাজ শুরু হয়নি। প্রশাসনের তরফে দ্রুত সেই সব জায়গায় কাজ শুরু করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এদিন চায়ের দোকানে বসেছিলেন সবং এলাকার বাসিন্দা পেশায় ব্যবসায়ী রতন সাহা। তিনি বলেন, আগে রাস্তার অবস্থা খুবই খারাপ থাকত। গ্রামে পিচের রাস্তা হবে বলে কেউ কোনও দিন ভাবতেই পারত না। এখন রাস্তাঘাট ভালো। তবে বেশ কিছু এলাকায় রাস্তা খারাপ থাকলেও সংস্কারের কাজ শুরু হচ্ছে। প্রশাসনকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি।



