Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬

সংবিধানের সমাজতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষ শব্দ বাদ দেওয়ার পক্ষে সওয়াল সঙ্ঘের, সরব কংগ্রেস

সংবিধানের প্রস্তাবনা থেকে ‘সমাজতান্ত্রিক’ এবং ‘ধর্মনিরপেক্ষ’ শব্দ দু’টি বাদ দেওয়ার পক্ষে জোরালো সওয়াল করলেন রাষ্ট্রীয় স্বয়ং সেবক সঙ্ঘের (আরএসএস) সাধারণ সম্পাদক দত্তাত্রেয় হোসাবালে।

সংবিধানের সমাজতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষ শব্দ বাদ দেওয়ার পক্ষে সওয়াল সঙ্ঘের, সরব কংগ্রেস
  • ২৮ জুন, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নয়াদিল্লি: সংবিধানের প্রস্তাবনা থেকে ‘সমাজতান্ত্রিক’ এবং ‘ধর্মনিরপেক্ষ’ শব্দ দু’টি বাদ দেওয়ার পক্ষে জোরালো সওয়াল করলেন রাষ্ট্রীয় স্বয়ং সেবক সঙ্ঘের (আরএসএস) সাধারণ সম্পাদক দত্তাত্রেয় হোসাবালে। দিল্লিতে আয়োজিত ‘জরুরি অবস্থার ৫০ বছর’ শীর্ষক এক আলোচনাসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে সঙ্ঘ-নেতা বলেন, ‘জরুরি অবস্থার সময় গণতন্ত্রকে হত্যা করেছিল কংগ্রেস। সেই সময় সংবিধানের প্রস্তাবনায় যে শব্দ তারা যুক্ত করেছিল, তা কি আর বহাল রাখা প্রয়োজন!’ এরপরই জরুরি অবস্থা জারির জন্য কংগ্রেসকে ক্ষমা চাওয়া উচিত দাবি করে তিনি বলেন, ‘সেদিন যারা ওই ঘৃণ্য কাজ করেছিলেন, আজ তারাই সংবিধানের প্রতিলিপি হাতে ঘুরে বেড়াচ্ছেন। আজও ওরা ক্ষমা চাননি। আপনাদের পূর্বপুরুষরা ওই কাজ করেছিলেন। এর জন্য দেশবাসীর কাছে আপনাদের ক্ষমা চাওয়া উচিত।’ হোসাবালের এহেন মন্তব্যের পাল্টা আক্রমণ করেছে কংগ্রেসও। লোকসভার বিরোধী দলনেতার রাহুল গান্ধী লিখেছেন, আরএসএস-বিজেপির সংবিধান নয় মনুস্মৃতি চাই। এরা গরিব-বহুজনের অধিকার কেড়ে নিয়ে তাদের গোলাম বানাতে চায়। তাঁদের কাছ থেকে সংবিধানের মতো শক্তিশালী হাতিয়ার ছিনিয়ে নেওয়াই তাদের প্রকৃত উদ্দেশ্য। কংগ্রেস নেতা জয়রাম রমেশ সমাজমাধ্যমে লেখেন, ‘আরএসএস- বিজেপি কখনওই সংবিধানকে মন থেকে মেনে নিতে পারেনি। ওরা বরাবরই নতুন সংবিধান দাবি করে এসেছে। ১৯৪৯ সাল থেকেই বি আর আম্বেদকর, নেহরু সহ সংবিধানের রূপকারদের নিশানা করে আসছে ওরা। আরএসএস তো বলেই দিয়েছে, এই সংবিধান মনুস্মৃতি থেকে অনুপ্রাণিত হয়নি।’

Advertisement

যদিও হোসাবালের বক্তব্যকে সমর্থন করেছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী 
জিতেন্দ্র সিং। সরাসরি না বললেও ঘুরিয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘দেশের যেকোনও ডানপন্থী নাগরিকই আরএসএস নেতার মন্তব্যের সঙ্গে একমত হবেন। কারণ, তাঁরা জানেন আম্বেদকর প্রণীত আসল সংবিধানে এই শব্দগুলি ছিলই না।’

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ