লখনউ: স্পেশাল ইন্টেনসিভ রিভিশন বা এসআইআর নিয়ে এবার প্রশ্ন তুলে দিলেন উত্তরপ্রদেশের মন্ত্রী রবীন্দ্র জয়সওয়াল। তাঁর বিধানসভা কেন্দ্র বারাণসী উত্তরের একাধিক বুথে একই ভোটারের নাম রয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন রবীন্দ্র। জেলা নির্বাচনি আধিকারিকের কাছে তিনি এমন ৯ হাজার ২০০ ভোটারের নামও জমা দিয়েছেন। যোগী সরকারের ওই মন্ত্রীর দাবি, ‘আমরা প্রত্যেক ভোটারের নাম যাচাই করে রিপোর্ট তৈরি করছিলাম। তাতে দেখা গিয়েছে, ৯ হাজার ২০০ জন ভোটারের নাম আলাদা আলাদা বুথে রয়েছে। পাঁচটি বুথে নাম রয়েছে এমন ভোটারও পাওয়া গিয়েছে।’ রবীন্দ্রর অভিযোগ, ‘যদি একজনের নাম দুই জায়গায় থাকে, তাহলে এসআইআরের অর্থ কী? ভোটারদের যাচাই করার জন্যই তো এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। একটি বিধানসভা এলাকাতেই যদি এমন গরমিল থাকে, তাহলে অন্যত্রও একই ঘটনা ঘটতে পারে।’ এই ঘটনাকে ‘ভোট জিহাদ’ আখ্যা দিয়েছেন তিনি।
এদিকে, ফর্ম ৭-এর অপব্যবহার করে বৈধ ভোটারদের নাম বাদ দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ তুললেন সমাজবাদী পার্টির প্রধান অখিলেশ যাদব। নির্বাচন কমিশন বিজেপির হয়ে কাজ করছেন বলেও অভিযোগ তাঁর। অখিলেশের কটাক্ষ, ‘নির্বাচন কমিশন এখন বিজেপির কমিশন হয়ে গিয়েছে। ওদের বিজেপির পতাকা উত্তোলন করা উচিত।’ সপা প্রধানের অভিযোগ, কমিশন ও বিজেপি হাত মিলিয়ে নাম বাদ দেওয়ার জন্য ফর্ম ৭ জমা দিচ্ছে। যে সব বুথে সমাজবাদী পার্টির সমর্থক বেশি, সেই এলাকাগুলিকে টার্গেট করা হচ্ছে। এরপর সেই সব বুথ থেকে বৈধ ভোটারদের নাম বাদ দেওয়া হচ্ছে। এসআইআরকে হাতিয়ার করেই বিজেপি বিহারে ভোটে জিতেছে বলে অভিযোগ অখিলেশের। একই কায়দায় পদ্মশিবির পশ্চিমবঙ্গেও নির্বাচনে জিততে চাইছে বলেও দাবি করেছেন তিনি।



