লখনউ: মুঘল জমানার মসজিদে সমীক্ষার কাজ ঘিরে গত ২৪ নভেম্বর অগ্নিগর্ভ হয়ে উঠেছিল উত্তরপ্রদেশের সম্ভল। জনতা-পুলিস সংঘর্ষে কমপক্ষে তিনজনের মৃত্যু হয়। পুলিস সহ জখম হন আরও অনেকে। এই ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে জামা মসজিদ কমিটির সভাপতি আইনজীবী জফর আলিকে গ্রেপ্তার করল যোগী রাজ্যের পুলিস। তদন্তকারীদের দাবি, সেদিনের হিংসার ঘটনায় ইতিমধ্যে তাদের হাতে বেশ কিছু প্রমাণ এসেছে। তা থেকে স্পষ্ট যে সেদিনের হিংসায় তাঁর মদতের বিষয়টি স্পষ্ট। মসজিদ কমিটির সভাপতি জফর আলি গোটা ঘটনায় অন্যতম চক্রী বলে প্রশাসনের দাবি।
২৪ নভেম্বরের হিংসার ঘটনার তদন্তে এর আগে জাকির আলিকে নিজেদের হেফাজতে নিয়ে দীর্ঘক্ষণ জেরা করে স্থানীয় পুলিসের বিশেষ তদন্তকারী দল। তাঁর জবানবন্দিও নেওয়া হয়। পরে তাঁকে গ্রেপ্তার করে পুলিস।
আদালতের নির্দেশে উত্তরপ্রদেশের সম্ভলে জামা মসজিদে সমীক্ষায় এসে আক্রান্ত হতে হয় প্রশাসনকে। পুলিস সূত্রে খবর, ওই এলাকায় সরকারি সমীক্ষার দিনক্ষণ প্রথম থেকে যাঁরা জানতেন তাঁদের মধ্যে অন্যতম জাকির আলি। ১৯ নভেম্বর সমীক্ষার বিষয়টি তিনি আগেভাগে লোকজনকে জানিয়েছিলেন। যার ফলে সেদিনও অনেক লোক জড়ো হয়ে যান। সেদিন কাজ করতে গিয়ে বাধার মুখে পড়তে হয়েছিল সমীক্ষক দলকে। একই ঘটনা ঘটে ২৪ নভেম্বর। সমীক্ষার কথা প্রথম থেকে জানা ছিল তাঁর। সেই খবর চাউর হওয়ায় বিপুল সংখ্যক লোক জমা হয়েছিল এবং তা থেকে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।