নিজস্ব প্রতিনিধি, বিধাননগর: স্বাস্থ্যদপ্তরে চাকরি। গ্রুপ-ডি পদ। বেতনও ভালো। মাত্র সাড়ে ৪ লক্ষ টাকা ফেললেই হাতেহাতে নিয়োগপত্র! প্রতারকদের ফাঁদে পা দিয়ে এ কথা বিশ্বাসও করেছিলেন কোচবিহারের এক যুবক। কষ্ট করে ওই টাকা দিয়েছিলেন। তারপর হাতে পান প্রতারকদের দেওয়া নিয়োগপত্র! সেই নিয়োগপত্র নিয়ে তিনি কাজে যোগও দিতে গিয়েছিলেন। কিন্তু, দপ্তরের আধিকারিকরা তা দেখেই বুঝতে পারেন ভুয়ো। রাজ্য স্বাস্থ্যদপ্তরের পক্ষ থেকে সল্টলেকের ইলেকট্রনিক্স কমপ্লেক্স থানায় অভিযোগ দায়ের হয়েছিল। সেই ঘটনায় পুলিস একজনকে গ্রেপ্তার করে। তাকে জেরার করার পর আরও একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। দু’জনেই ভুয়ো নিয়োগ চক্রের সঙ্গে যুক্ত। পুলিস জানিয়েছে, ধৃতদের নাম সৌরভকান্তি দলুই এবং রাজেশ সরকার। তাঁদের জেরা করে বাকিদের খোঁজ চলছে। প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে, প্রতারিত যুবক তাঁদের মাধ্যমেই ওই সাড়ে ৪ লক্ষ টাকা দিয়েছিলেন। কোচবিহারের গোসানিমারি থানা এলাকায় প্রতারিত যুবকের বাড়ি। ভুয়ো চক্রের ফাঁদে পড়েন তিনি। গত মার্চ মাসে একটি ভুয়ো নিয়োপপত্রও হাতে পান। সেই নিয়োগপত্র অনুযায়ী, ৩ এপ্রিল থেকে মালদহ মেডিক্যাল কলেজে গ্রুপ-ডি পদে তাঁর যোগ দেওয়ার কথা ছিল। ভুয়ো নিয়োগপত্রটিতে আসলের মতোই সরকারি লোগো, রবার স্ট্যাম্প এবং প্রিন্সিপাল সেক্রেটারির স্বাক্ষরও ছিল। যদিও সবটাই নকল। ওই নিয়োগপত্র নিয়ে তিনি কাজে যোগ দিতে গিয়ে জানতে পারেন, তা ভুয়ো। তারপর গত ১৮ এপ্রিল রাজ্য স্বাস্থ্যদপ্তরের পক্ষ থেকে ইলেকট্রনিক্স কমপ্লেক্স থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়। এক পুলিস আধিকারিক বলেন, এই প্রতারণা চক্রের মাথার খোঁজ চলছে। পাশাপাশি, এই চক্রের ফাঁদে পড়ে আরও কেউ প্রতারিত হয়েছেন কি না, তাখতিয়ে দেখা হচ্ছে। ভুয়ো নিয়োগপত্র।



