নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: সরকারি অফিস হোক কিংবা স্কুল-কলেজ। সব জায়গাতেই সরকারি কর্মীদের একাংশ ‘আসি যাই, মাইনে পাই’ গোছের মনোভাব নিয়ে চলে। কিন্তু দমদমের মতিঝিল রবীন্দ্র মহাবিদ্যালয় এসবের ঊর্ধ্বে। কারণ, এখানে না এলেও মাইনে মেলে। তাও এক-দু’মাস নয়। বছরের পর বছর। এই ঘটনায় কলেজের অধ্যক্ষের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। সম্প্রতি কলেজের স্থায়ী লাইব্রেরি অ্যাসিস্ট্যান্ট তথা তৃণমূল ছাত্র পরিষদের নেতা বাণীব্রত চক্রবর্তী সহ একাধিক শিক্ষাকর্মীর হাজিরা নিয়ে বিকাশ ভবনে অভিযোগ দায়ের হয়েছিল। অভিযোগ, এই ছাত্রনেতা প্রায় ছ’বছর ধরে কলেজে গরহাজির। কখনও হাজির হলেও ছাত্রনেতা হিসাবে দাদাগিরি করে চলে গিয়েছেন। অথচ, গত মে মাস পর্যন্ত তিনি মাইনে পেয়েছেন। এরপর বিকাশ ভবন থেকে অবিলম্বে তাঁর বেতন বন্ধ করতে ও বিগত বছরগুলির বেতন ফেরতের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। যদিও এই বিষয়ে বাণীব্রতবাবু কোনো মন্তব্য করতে চাননি। শুধু তাই নয়, তাঁর মতো কলেজের এক টাইপিস্ট প্রায় দু’বছর কলেজে হাজির ছিলেন না। তিনি মাঝে অসুস্থ হয়েছিলেন। অভিযোগ, অবসরের সময় তাঁকে পুরানো উপস্থিতির খাতায় সই করানো হয়। এরপর প্রায় ৩০০ দিনের লিভ এনক্যাসমেন্ট পাইয়ে দেওয়া হয়। একইভাবে কলেজের এক পিয়ন টানা কয়েক মাস কলেজে গরহাজির থাকলেও তাঁর সার্ভিস বুকে ছুটির কোনো উল্লেখ নেই বলে অভিযোগ। কলেজের অধ্যক্ষ ডঃ অরিজিৎ সাহা বলেন, তদন্তাধীন বিষয়ে কোনো মন্তব্য করব না।



