সংবাদদাতা, বারুইপুর: সবুজ সাথী প্রকল্পে নতুন সাইকেল নেওয়ার জন্য ছাত্রছাত্রীদের ১০০ টাকা করে দিতে হচ্ছে। না দিলে সাইকেলও দিচ্ছে না স্কুল। এমন নিয়ম চালু করেছেন স্বয়ং স্কুলের প্রধান শিক্ষক। তবে স্কুলের কোনও জেনারেল মিটিংয়ের অনুমোদন ছাড়াই তিনি নিজে এমন নিয়ম চালু করেছিলেন। এতে ক্ষুব্ধ পড়ুয়া ও অভিভাবকরা। এমন অভিযোগ পাওয়া গিয়েছে কুলতলির পাচুয়াখালি হাই স্কুল থেকে।
এই প্রসঙ্গে প্রধান শিক্ষক মহম্মদ জাহাঙ্গির আলম আজব যুক্তি দেখিয়েছেন। তিনি টাকা নেওয়ার কথা স্বীকার করে বলেন, ৩০০ জন করে ছাত্রছাত্রীকে সাইকেল দেওয়া হচ্ছে। গাড়ি করে সাইকেল আনতে হয় জামতলা থেকে। গাড়ির খরচের জন্য আমরা এই টাকা নিচ্ছি। টাকা না নিলে আমরা খরচ সামলাতে পারব না। এদিকে, ঘটনাটি নিয়ে কুলতলির বিধায়ক গণেশ মণ্ডল বলেন, খুবই নিন্দনীয় কাজ। বিষয়টি নিয়ে স্কুল কর্তৃপক্ষকে বলা হবে। যাদের কাছ থেকে টাকা নিয়েছে স্কুল, তাদের সেটা ফেরত দিতে হবে।
স্কুলের নবম শ্রেণির ছাত্রীরা বলে, প্রতি বছরই সাইকেল নিতে গেলে এভাবে টাকা নেয় স্কুল কর্তৃপক্ষ। ১০০ টাকা আর একটা ছবি জমা করতে হয়। কিন্তু কোনও রশিদ দেওয়া হয় না। এই টাকা না দিতে চাইলে স্যারেরা আবার বকাবকি করেন। টাকা জমা না করলে সাইকেলও দেওয়া হয় না। অনেক অভিভাবক বলেন, সাইকেল নেওয়ার জন্য টাকা আমরা দিতে চাই না। কিন্তু তাহলে প্রধান শিক্ষক ছেলে-মেয়েদের বকেন। বাধ্য হয়ে টাকা জমা করতে হয়। নিজস্ব চিত্র