নিজস্ব প্রতিনিধি, কৃষ্ণনগর: অকালবৃষ্টিতে ক্ষতিগ্রস্ত নদীয়া জেলার চাষিদের বাংলা শস্যবিমা প্রকল্পে প্রায় সাড়ে আট কোটি টাকার ক্ষতিপূরণ দেবে রাজ্য সরকার। জেলার প্রায় ৩০ হাজার চাষি উপকৃত হবেন। খরিফ মরশুমে বৃষ্টির কারণে ক্ষতিগ্রস্ত চাষিদেরই এই আর্থিক সাহায্য করা হবে। এব্যাপারে মূলত ভাগীরথীর তীরবর্তী ব্লকগুলির চাষিদেরই বাড়তি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। সেইমতো নবদ্বীপ, নাকাশিপাড়া, শান্তিপুর ব্লকের শস্যবিমার জন্য বরাদ্দকৃত অর্থের পরিমাণ বেশি। কারণ, এই ব্লকগুলিতে ভাগীরথীর জল ঢুকে ফসলের ক্ষতি হয়েছিল।
Advertisement
নদীয়া জেলার উপ কৃষি অধিকর্তা জয়দীপ মুখোপাধ্যায় বলেন, ‘বৃষ্টির কারণে বহু জায়গায় জল জমে ফসলের ক্ষতি হয়েছিল। বিশেষ করে ভাগীরথী তীরবর্তী এলাকার চাষিরা বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিলেন। সেই সমস্ত জায়গায় বিশেষভাবে শিবির করে চাষিদের শস্য বিমার আওতায় আনা হয়েছিল। চাষিরা শীঘ্রই ক্ষতিপূরণ পেয়ে যাবেন।’
প্রসঙ্গত, চলতি বছরে খরিফ মরশুমে শস্যবিমার জন্য আবেদন তলানিতে এসে ঠেকেছিল। কারণ, বিগত বছরগুলিতে চাষিদের ক্ষতিপূরণ দেওয়ার ক্ষেত্রে বিমা কোম্পানির অনীহা দেখা গিয়েছিল। ফসলের ক্ষতি হলেও নানা অজুহাতে চাষিদের ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু, গত বছর সেপ্টেম্বর এবং অক্টোবর মাসে অকাল বৃষ্টি হয়। তখন জমিতে জল জমে জেলায় ধান চাষের ব্যাপক ক্ষতি হয়। সেইমতো প্রশাসনের তরফে বিমা কোম্পানিকে চাপ দেওয়া হয়। অন্যদিকে, নভেম্বর মাসের শেষ পর্যন্ত ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় লাগাতার শিবির করে চাষিদের বিমার আওতায় আনা হয়। নদীয়া জেলা কৃষিদপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, চলতি বছরের খরিফ মরশুমে প্রায় ২৬ হাজার ৮২৮জন চাষিকে বাংলা শস্যবিমার আওতায় ক্ষতিপূরণ দেবে রাজ্য সরকার। যার জন্য খরচ হবে ৮ কোটি ৩৫ লক্ষ ৪৭ হাজার টাকা।
নদীয়া জেলার মোট সাতটি ব্লকের ২৭টি গ্রাম পঞ্চায়েতের চাষিদের এই বিমার টাকা দেওয়া হবে।
কৃষিদপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, কল্যাণী ব্লকের চারটি পঞ্চায়েতের ৬০০জন চাষিকে মোট ১১ লক্ষ ১৯ হাজার টাকার ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে।
করিমপুর-২ ব্লকের ন’টি পঞ্চায়েতের ৫৯০০ জন চাষিকে ১ কোটি ৫ লক্ষ ৫৪ হাজার টাকার ক্ষতিপূরণ দেবে রাজ্য সরকার। কৃষ্ণনগর-১ ব্লকের দু’টি পঞ্চায়েতের ১০১৩৯ জন চাষিকে ১৭ লক্ষ ৪ হাজার টাকার ক্ষতিপূরণ এবং কৃষ্ণনগর-২ ব্লকের একটি পঞ্চায়েতের ১৬৫৮ জন চাষিকে মোট ১ কোটি ২৯ লক্ষ টাকার ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে। এছাড়াও নবদ্বীপ ব্লকের চারটি পঞ্চায়েতের ৪৫৪৩ জন চাষিকে ১ কোটি ৯১ লক্ষ ৯৭ হাজার টাকার ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে। নাকাশিপাড়া ব্লকের তিনটি পঞ্চায়েতের ৮৮১৭ জন চাষির জন্য ২ কোটি ১০ লক্ষ ২৫ হাজার টাকা এবং শান্তিপুর ব্লকের চারটি পঞ্চায়েতের ৪১৬২ জন চাষির জন্য ১ কোটি ৭১ লক্ষ ৫ হাজার টাকা ক্ষতিপূরণ বরাদ্দ করেছে রাজ্য সরকার।
নদীয়া জেলা পরিষদের কৃষি কর্মাধ্যক্ষ সিরাজ শেখ বলেন, আমাদের মুখ্যমন্ত্রী সর্বদা চাষিদের কথা ভাবেন। এবছর অকালবৃষ্টিতে বহু চাষি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিলেন। বিশেষ করে কিছু ব্লকে ধান চাষে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছিল। প্রায় ৩০ হাজার চাষি ক্ষতিপূরণ পাবেন।
প্রসঙ্গত, চলতি বছরে খরিফ মরশুমে শস্যবিমার জন্য আবেদন তলানিতে এসে ঠেকেছিল। কারণ, বিগত বছরগুলিতে চাষিদের ক্ষতিপূরণ দেওয়ার ক্ষেত্রে বিমা কোম্পানির অনীহা দেখা গিয়েছিল। ফসলের ক্ষতি হলেও নানা অজুহাতে চাষিদের ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু, গত বছর সেপ্টেম্বর এবং অক্টোবর মাসে অকাল বৃষ্টি হয়। তখন জমিতে জল জমে জেলায় ধান চাষের ব্যাপক ক্ষতি হয়। সেইমতো প্রশাসনের তরফে বিমা কোম্পানিকে চাপ দেওয়া হয়। অন্যদিকে, নভেম্বর মাসের শেষ পর্যন্ত ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় লাগাতার শিবির করে চাষিদের বিমার আওতায় আনা হয়। নদীয়া জেলা কৃষিদপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, চলতি বছরের খরিফ মরশুমে প্রায় ২৬ হাজার ৮২৮জন চাষিকে বাংলা শস্যবিমার আওতায় ক্ষতিপূরণ দেবে রাজ্য সরকার। যার জন্য খরচ হবে ৮ কোটি ৩৫ লক্ষ ৪৭ হাজার টাকা।
নদীয়া জেলার মোট সাতটি ব্লকের ২৭টি গ্রাম পঞ্চায়েতের চাষিদের এই বিমার টাকা দেওয়া হবে।
কৃষিদপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, কল্যাণী ব্লকের চারটি পঞ্চায়েতের ৬০০জন চাষিকে মোট ১১ লক্ষ ১৯ হাজার টাকার ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে।
করিমপুর-২ ব্লকের ন’টি পঞ্চায়েতের ৫৯০০ জন চাষিকে ১ কোটি ৫ লক্ষ ৫৪ হাজার টাকার ক্ষতিপূরণ দেবে রাজ্য সরকার। কৃষ্ণনগর-১ ব্লকের দু’টি পঞ্চায়েতের ১০১৩৯ জন চাষিকে ১৭ লক্ষ ৪ হাজার টাকার ক্ষতিপূরণ এবং কৃষ্ণনগর-২ ব্লকের একটি পঞ্চায়েতের ১৬৫৮ জন চাষিকে মোট ১ কোটি ২৯ লক্ষ টাকার ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে। এছাড়াও নবদ্বীপ ব্লকের চারটি পঞ্চায়েতের ৪৫৪৩ জন চাষিকে ১ কোটি ৯১ লক্ষ ৯৭ হাজার টাকার ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে। নাকাশিপাড়া ব্লকের তিনটি পঞ্চায়েতের ৮৮১৭ জন চাষির জন্য ২ কোটি ১০ লক্ষ ২৫ হাজার টাকা এবং শান্তিপুর ব্লকের চারটি পঞ্চায়েতের ৪১৬২ জন চাষির জন্য ১ কোটি ৭১ লক্ষ ৫ হাজার টাকা ক্ষতিপূরণ বরাদ্দ করেছে রাজ্য সরকার।
নদীয়া জেলা পরিষদের কৃষি কর্মাধ্যক্ষ সিরাজ শেখ বলেন, আমাদের মুখ্যমন্ত্রী সর্বদা চাষিদের কথা ভাবেন। এবছর অকালবৃষ্টিতে বহু চাষি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিলেন। বিশেষ করে কিছু ব্লকে ধান চাষে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছিল। প্রায় ৩০ হাজার চাষি ক্ষতিপূরণ পাবেন।



