সংবাদদাতা, কাটোয়া: বৈষ্ণব ও শাক্ত ধর্মের মিলন উৎসব দাঁইহাটের রাসেও লেগেছে বাহারি থিমের ছোঁয়া। রাধার রাইমহলের আদলে সেজে উঠছে দাঁইহাটের রাসের মণ্ডপ। ভাউসিংয়ে বিবেকানন্দ ক্লাবের রাইরাজা পুজোর এবারের থিম রাধার রাইমহল। এছাড়াও পরিবেশকে বাঁচাতে ‘আমাকে মুক্ত করো’ থিমে সেজেছে সাহাপাড়া নাগরিক মঞ্চের পুজো।
Advertisement
আজ দাঁইহাটের ঐতিহ্যবাহী রাস উৎসব। দাঁইহাট সাহাপাড়া নাগরিক মঞ্চের এবারের রাসের থিম ‘আমাকে মুক্ত করো’। পরিবেশ নিয়ে মানুষকে সচেতন করতেই এমন থিম ভাবনা। পাখি আকাশে উড়ছে, পরীরা ডানা মেলে উড়ছে, নানা সামগ্রী দিয়ে পরিবেশের ভারসাম্যের অভাব ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
পুজো কমিটির সম্পাদক শিবম সাহা, রবীন্দ্রনাথ সাহা বলেন, এবারে আমাদের বাজেট ৩ লক্ষ টাকা। পরিবেশের ভারসাম্য বজায় রাখার বার্তা দিতেই এমন থিমের পরিকল্পনা। অন্যদিকে দাঁইহাটের ভাউসিংয়ের বিবেকানন্দ ক্লাবের রাইরাজা পুজোর থিম রাধার রাইমহল। বৃন্দাবনে রাধার রাইমহল ফুটিয়ে তোলা হয়েছে থিমের মধ্যে দিয়ে। ক্লাবের সম্পাদজ হিমাংশু দত্ত বলেন, এবারে আমাদের বাজেট ৮ লক্ষ টাকা। ফোম দিয়ে রাইমহল ফুটিয়ে তোলার চেষ্টা করেছি।
দাঁইহাট শহরে কলকাতা থেকে বাহারি আলো আনা হয়েছে। রঙিন আলো আর মন্দিরের কারুকার্যে দর্শনার্থীদের সেরা আকর্ষণ করবে প্রতিটি পুজো মণ্ডপে। জানা গিয়েছে, প্রাচীন কাল থেকেই দাঁইহাটের রাস উৎসব হয়ে আসছে। ভাগীরথীর তীরে দাঁইহাটে শ্রীচৈতন্যদেবের আবির্ভাবের পর বৈষ্ণবধর্মের ছোঁয়া লাগে। জনশ্রুতি আছে, নবদ্বীপের শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভু দাঁইহাটের উপর দিয়ে কাটোয়ায় গিয়েছিলেন সন্ন্যাস গ্রহণ করতে। তারপর শাক্ত ঔ বৈষ্ণব ধর্মের মিলনক্ষেত্র হয়ে ওঠে দাঁইহাট। তখন থেকেই দাঁইহাট শহরের বাসিন্দারা কৃষ্ণপ্রেমে মাতোয়ারা হয়ে রাস উৎসবের আয়োজন করে। তারপরে শোভাযাত্রা শুরু হয় রাধাকিশোর কয়ালের হাত ধরেই। দাঁইহাটের রাস আসলে ছিল পট পূর্ণিমা। মানে পটে ছবি এঁকে পুজো হতো। পরের দিকে বানানো হতো দেবীমূর্তি। মা শবশিব, মা বড় কালী, উগ্রচণ্ডী এই সব জাগ্রত দেবীর আরাধনা হতো। পাশাপাশি কৃষ্ণকালী, রাইরাজা, বকাসুর বধ, মাতঙ্গীমাতা প্রভৃতি পুজো শুরু হয় দাঁইহাটে। এখনকার রাস পূর্ণিমা আগের চেয়ে অনেক সুসজ্জিত। থিম সজ্জায় চমকে মোড়া প্রাচীন রাস উৎসবে। আধুনিক আলোর রোশনাই, প্রতিমা প্রভৃতি নিয়ে প্রতিটি ক্লাব পাল্লা দিয়ে রাসে অংশগ্রহণ করেছে। রাজ্যের সেরা বাজনা নিয়েও দু› দিন ধরে রাতভর চলবে ক্লাবগুলির প্রতিযোগিতা। এক এক ক্লাব চারটি পাঁচটি দলের বিভিন্ন রকমের বাজনা, আলো নিয়ে সারাদিন মাতিয়ে রাখবে গোটা দাঁইহাট শহরকে।
পুজো কমিটির সম্পাদক শিবম সাহা, রবীন্দ্রনাথ সাহা বলেন, এবারে আমাদের বাজেট ৩ লক্ষ টাকা। পরিবেশের ভারসাম্য বজায় রাখার বার্তা দিতেই এমন থিমের পরিকল্পনা। অন্যদিকে দাঁইহাটের ভাউসিংয়ের বিবেকানন্দ ক্লাবের রাইরাজা পুজোর থিম রাধার রাইমহল। বৃন্দাবনে রাধার রাইমহল ফুটিয়ে তোলা হয়েছে থিমের মধ্যে দিয়ে। ক্লাবের সম্পাদজ হিমাংশু দত্ত বলেন, এবারে আমাদের বাজেট ৮ লক্ষ টাকা। ফোম দিয়ে রাইমহল ফুটিয়ে তোলার চেষ্টা করেছি।
দাঁইহাট শহরে কলকাতা থেকে বাহারি আলো আনা হয়েছে। রঙিন আলো আর মন্দিরের কারুকার্যে দর্শনার্থীদের সেরা আকর্ষণ করবে প্রতিটি পুজো মণ্ডপে। জানা গিয়েছে, প্রাচীন কাল থেকেই দাঁইহাটের রাস উৎসব হয়ে আসছে। ভাগীরথীর তীরে দাঁইহাটে শ্রীচৈতন্যদেবের আবির্ভাবের পর বৈষ্ণবধর্মের ছোঁয়া লাগে। জনশ্রুতি আছে, নবদ্বীপের শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভু দাঁইহাটের উপর দিয়ে কাটোয়ায় গিয়েছিলেন সন্ন্যাস গ্রহণ করতে। তারপর শাক্ত ঔ বৈষ্ণব ধর্মের মিলনক্ষেত্র হয়ে ওঠে দাঁইহাট। তখন থেকেই দাঁইহাট শহরের বাসিন্দারা কৃষ্ণপ্রেমে মাতোয়ারা হয়ে রাস উৎসবের আয়োজন করে। তারপরে শোভাযাত্রা শুরু হয় রাধাকিশোর কয়ালের হাত ধরেই। দাঁইহাটের রাস আসলে ছিল পট পূর্ণিমা। মানে পটে ছবি এঁকে পুজো হতো। পরের দিকে বানানো হতো দেবীমূর্তি। মা শবশিব, মা বড় কালী, উগ্রচণ্ডী এই সব জাগ্রত দেবীর আরাধনা হতো। পাশাপাশি কৃষ্ণকালী, রাইরাজা, বকাসুর বধ, মাতঙ্গীমাতা প্রভৃতি পুজো শুরু হয় দাঁইহাটে। এখনকার রাস পূর্ণিমা আগের চেয়ে অনেক সুসজ্জিত। থিম সজ্জায় চমকে মোড়া প্রাচীন রাস উৎসবে। আধুনিক আলোর রোশনাই, প্রতিমা প্রভৃতি নিয়ে প্রতিটি ক্লাব পাল্লা দিয়ে রাসে অংশগ্রহণ করেছে। রাজ্যের সেরা বাজনা নিয়েও দু› দিন ধরে রাতভর চলবে ক্লাবগুলির প্রতিযোগিতা। এক এক ক্লাব চারটি পাঁচটি দলের বিভিন্ন রকমের বাজনা, আলো নিয়ে সারাদিন মাতিয়ে রাখবে গোটা দাঁইহাট শহরকে।



