কিয়েভ: রুশ-ইউক্রেন যুদ্ধ অব্যাহত। তিন বছরব্যাপী এই সংঘাতে প্রাণ হারিয়েছেন হাজার হাজার মানুষ। গৃহহীন কয়েক লক্ষ। এরইমধ্যে বুধবার রাতে ফের ইউক্রেনে বড়সড় হামলা চালাল পুতিন বাহিনী। পশ্চিম ইউক্রেনের একাধিক অঞ্চলে আছড়ে পড়ে ৫৭৪টি ড্রোন ও ৪০টি ক্ষেপণাস্ত্র। এই হামলায় এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। আহত কমপক্ষে ১৫ জন। ইউক্রেনের বিদেশমন্ত্রী আনিদ্র সিবিহা জানান, পশ্চিম ইউক্রেনে একটি মার্কিন বিদ্যুৎ সংস্থার বিল্ডিংয়ে হামলা চালায় ক্রেমলিন। ঘটনার তীব্র নিন্দা করেছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভোলোদামির জেলেনস্কি। তিনি জানান, যুদ্ধ থামাতে কোনওরকম আলোচনায় বসতে রাজি নয় মস্কো।
রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ থামাতে গত সপ্তাহে ডোনাল্ড ট্রাম্প আলাস্কায় পুতিনের সঙ্গে বৈঠকও করেন। পরে ওয়াশিংটনে আলোচনা করেন জেলেনস্কির সঙ্গে। দুই রাষ্ট্রনেতাকে শীঘ্রই এক টেবিলে বসানোর দাবি জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। পুতিনের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে রাজি হন জেলেনস্কিও। তবে বুধবারের হামলার পর বৈঠকের সম্ভাবনা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। জেলেনস্কির কটাক্ষ, ‘রুশরা বৈঠকে না বসতে চাইলে কী হবে? ইউরোপীয় নেতারা এবিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। রাশিয়া কিছু না করলে আমেরিকাকে কড়া পদক্ষেপ নিতে হবে।’হোয়াইট হাউসের বৈঠকে জেলেনস্কির সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন ইউরোপীয় নেতারা। আলোচনায় ইউক্রেনকে নিরাপত্তা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়। একই কথা শোনা যায় ইউরোপের নেতাদের মুখেও। তবে এখনও এবিষয়ে নিশ্চিতভাবে কিছু জানা যায়নি। জেলেনস্কির বিশ্বাস, ১০ দিনের মধ্যে পাকাপাকি সিদ্ধান্তে পৌঁছনো যাবে।